পাবনা জেলা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে চাটমোহর উপজেলার কেন্দ্রস্থলে প্রাচীন স্থাপত্য শিল্পের অসাধারণ এক নিদর্শন ইতিহাস-সমৃদ্ধ চাটমোহর শাহী মসজিদ (Chatmohor Shahi Masjid) রয়েছে। ৪০০ বছর পূর্বে নির্মিত এই মসজিদটি দেখতে প্রত্যেক দিন অসংখ্য ভ্রমণকারী ভিড় করেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

চাটমোহর শাহী মসজিদ সম্পর্কে
চাটমোহর মসজিদ থেকে প্রাপ্ত তুঘরা শিলালিপিটি এখন রাজশাহী বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। তাছাড়া পাবনা শহরে চাইনিজ, বাংলা ও ফাস্টফুড খাবারের জন্য উন্নত মানের অসংখ্য রেস্তোরাঁ পাবেন। বাসভেদে জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা।
বগুড়ার খেরুয়া মসজিদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ছোট ছোট পাতলা জাফরী ইটের সমন্বয়ে নির্মিত চাটমোহর শাহী মসজিদের দৈর্ঘ্য ৪৫ ফুট, প্রস্থ ২২ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং উচ্চতা ৪৫ ফুট। যদিও পুনর্নির্মাণের কয়েকবছর পর মসজিদের তিনটি গম্বুজ ও ছাদ প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়। মসজিদ থেকে প্রাপ্ত শিলালিপির তথ্য মতে, ১৫৮১ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আকবরের শাসনামলে সৈয়দ নেতা আবুল ফতে মোহাম্মদ মাসুম খাঁর অর্থায়নে তারই সহোদর মুহামদ্দ বিন তুর্কি খান কাকশাল চাটমোহরে মসজিদটি নির্মাণ করেন।
পাবনা জেলা শহর থেকে বাস বা সিএনজি নিয়ে চাটমোহর উপজেলার ২০০ গজ পশ্চিম দিকে রয়েছে চাটমোহর শাহী মসজিদ পৌঁছাতে পারবেন। কোথায় থাকবেনপাবনা জেলা সদরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল প্রবাসী ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মুন, লাকি হোটেল, হোটেল রোহান, হোটেল পার্ক বোর্ডিং ও হোটেল ছায়ানীড় প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে। ১৯৮০ দশকে বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র অধিদপ্তর পরিপূর্ণভাবে মসজিদটি নির্মাণ করে।
কোথায় খাবেনচাটমোহর উপজেলায় তৃপ্তি হোটেল, স্টার হোটেল, সাইফ হোটেল, স্বাদ রেস্তোরাঁ সহ আরো কয়েকটি খাবারের হোটেল রয়েছে। তিন গম্বুজ বিশিষ্ট চাটমোহর শাহী মসজিদের নির্মাণ কৌশলে প্রাচীন সুলতানী স্থাপত্যের প্রভাব রয়েছে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী আন্তঃনগর ট্রেনে ঈশ্বরদী জংশন নেমে বাস বা অটোরিকশায় পাবনা জেলা সদরে পৌঁছানো যায়।
চাটমোহর শাহী মসজিদের দেয়ালে থাকা প্রাচীন ভাস্কর্যগুলো মসজিদের সর্বাধিক দর্শনীয় দিক।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার কল্যাণপুর, আব্দুল্লাপুর ও গাবতলী থেকে সরকার ট্র্যাভেলস, পাবনা এক্সপ্রেস, আল হামরা পরিবহন, শাহজাদপুর ট্র্যাভেলস এবং শ্যামলী পরিবহনের বাসে পাবনা যেতে পারবেন। পরবর্তীতে পুরাতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে মসজিদ সংস্কার ও সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আরও পড়ুনবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বেগনী মসজিদশেখ মাহমুদ শাহ মসজিদসুরা মসজিদ
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার কল্যাণপুর, আব্দুল্লাপুর ও গাবতলী থেকে সরকার ট্র্যাভেলস, পাবনা এক্সপ্রেস, আল হামরা পরিবহন, শাহজাদপুর ট্র্যাভেলস এবং শ্যামলী পরিবহনের বাসে পাবনা যেতে পারবেন।
বাসভেদে জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী আন্তঃনগর ট্রেনে ঈশ্বরদী জংশন নেমে বাস বা অটোরিকশায় পাবনা জেলা সদরে পৌঁছানো যায়।
পাবনা জেলা শহর থেকে বাস বা সিএনজি নিয়ে চাটমোহর উপজেলার ২০০ গজ পশ্চিম দিকে রয়েছে চাটমোহর শাহী মসজিদ পৌঁছাতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
পাবনা জেলা সদরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল প্রবাসী ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মুন, লাকি হোটেল, হোটেল রোহান, হোটেল পার্ক বোর্ডিং ও হোটেল ছায়ানীড় প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
চাটমোহর উপজেলায় তৃপ্তি হোটেল, স্টার হোটেল, সাইফ হোটেল, স্বাদ রেস্তোরাঁ সহ আরো কয়েকটি খাবারের হোটেল রয়েছে। তাছাড়া পাবনা শহরে চাইনিজ, বাংলা ও ফাস্টফুড খাবারের জন্য উন্নত মানের অসংখ্য রেস্তোরাঁ পাবেন। আরও পড়ুনবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বেগনী মসজিদশেখ মাহমুদ শাহ মসজিদসুরা মসজিদ
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চাটমোহর শাহী মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঢাকার কল্যাণপুর, আব্দুল্লাপুর ও গাবতলী থেকে সরকার ট্র্যাভেলস, পাবনা এক্সপ্রেস, আল হামরা পরিবহন, শাহজাদপুর ট্র্যাভেলস এবং শ্যামলী পরিবহনের বাসে পাবনা যেতে পারবেন। বাসভেদে জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী আন্তঃনগর ট্রেনে ঈশ্বরদী জংশন নেমে বাস বা অটোরিকশ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
পাবনা জেলা সদরে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল প্রবাসী ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল মুন, লাকি হোটেল, হোটেল রোহান, হোটেল পার্ক বোর্ডিং ও হোটেল ছায়ানীড় প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
চাটমোহর শাহী মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
পাবনা জেলা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে চাটমোহর উপজেলার কেন্দ্রস্থলে প্রাচীন স্থাপত্য শিল্পের অসাধারণ এক নিদর্শন ইতিহাস-সমৃদ্ধ চাটমোহর শাহী মসজিদ (Chatmohor Shahi Masjid) রয়েছে। ৪০০ বছর পূর্বে নির্মিত এই মসজিদটি দেখতে প্রত্যেক দিন অসংখ্য ভ্রমণকারী ভিড় করেন। চাটমোহর মসজিদ থেকে প্রাপ্ত তুঘরা শিলালিপিটি এখ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
