দুইপাশে নদী আর মাঝখানে সবুজ ঘাসের গালিচায় বসে অসাধারণ প্রকৃতিকে উপভোগ করতে চাইলে সিরাজগঞ্জ জেলায় রয়েছে চায়না বাঁধ (China Dam) থেকে পরিদর্শন করতে পারবেন। বাঁধের মূল গেইট থেকে যমুনা নদীর ২ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত বাঁধের উপর দিয়ে চলে গেছে কালো পিচ ঢালা রাস্তা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

চায়না বাঁধ সম্পর্কে
এসি/নন এসি এসব বাসে ভাড়া লাগবে জনপ্রতি ৫০০ থেকে ১৩০০ টাকা। আরও কিছু দর্শনীয় জায়গাসারাদিন সিরাজগঞ্জ ঘুরে দেখার জন্যে ঘুরতে আসলে হাতে সময় থাকলে সিরজগঞ্জ শহরের কাছেই বড় পুল, ক্লোজার ও একটু দূরে হাটিকুমরুল গ্রামে রয়েছে নবরত্ন মন্দির ঘুরে দেখতে পারেন। যদিও কড্ডার মোড় থেকে ঢাকাগামী অন্যান্য বাসে ফিরতে পারবেন কিন্তু এক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত যেকোন ঝুঁকির কথা মাথায় রাখতে হবে।
অসীম আকাশের সাথে নদীর জলের গভীর মিতালীতে তৈরি চারপাশের অসাধারণ প্রকৃতির আবহ, নৌকা ভ্রমণ এবং অল্প দূরত্বে থাকা ছোট্ট সিরাজগঞ্জ শহর যেন এক অদ্ভুত মায়ায় ভ্রমণকারীদের কাছে টেনে নেয়। অবশ্যই খেয়ে দেখবেন এই সুপরিচিত দই। জনপ্রিয় খাবার হোটেলের মধ্যে ফুড ভিলেজ, বসুন্ধরা রেস্তোরাঁে খাওয়া দাওয়া করতে পারেন।
এছাড়া বগুড়ার দই প্রায় সবজায়গাতেই পাওয়া যায়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে নিয়মিত বিরতিতে অভি ক্লাসিক এবং এসআই কোম্পানির নন-এসি বাস চলাচল করে। আর এই রাস্তা ধরে বাঁধের শেষ প্রান্তে যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে একদিনেই ঘুরে আসা সম্ভব চায়না বাঁধ থেকে।
মনে রাখা জরুরী সিরাজগঞ্জ শহর থেকে সন্ধ্যা ৭ টার পর আর কোন বাস ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে না। আর সবচেয়ে ভালো লাগবে বর্ষাকালে গেলে।
কোথায় থাকবেন
রাজধানী ঢাকা থেকে চাইলে একদিনে চায়না বাঁধ ঘুরে আসার সুযোগ রয়েছে। মনসুর আলী ষ্টেশন থেকে সিএনজি নিয়ে সিরাজগঞ্জ শহরস্থ বাজার স্টেশনে এসে রিকশা ভাড়া করে চায়না বাঁধে যেতে পারবেন। মহাখালী কিংবা মিরপুর ২ এর বাস ছাড়াও উত্তরবঙ্গগামী যেকোন বাসে সিরাজগঞ্জ রোড বা কড্ডার মোড়ে নেমে চায়না বাধে যেতে পারবেন।
কোথায় খাবেন
সিরাজগঞ্জ সদরে নানা মানের বেশকিছু খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলা শহর থেকে কেবল ২ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড যমুনা নদীর কূলে এই বাঁধ নির্মাণ করে। যদিও এই জন্যে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সকালে রওনা হতে হবে।
আপনার চাহিদা পূরণে সমর্থ্য এমন যেকোন রেস্তোরাঁ থেকেই প্রয়োজনীয় খাবার খেয়ে নিতে পারবেন। আর মিরপুর ২ নাম্বার থেকে ঢাকা লাইন এবং এস আই কোম্পানির এসি বাস সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। প্রত্যেক দিন বহু ভ্রমণকারী চায়না বাঁধে ভ্রমণে আসেন।
আর ঢাকা থেকে ট্রেনে ভ্রমণ করতে চাইলে ক্যাপ্টেন মনসুর আলী স্টেশনে নামতে হবে। চায়না বাঁধের অন্য নাম ক্রসবার-৩। তবুও প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে সিরাজগঞ্জ শহরের রয়েছে মোটামুটি মানের হোটেল আলিশান কিংবা হোটেল অনিক ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে রাতে থাকার রুম পেয়ে যাবেন।
আরও পড়ুনটি বাঁধ ,রাজশাহীআই বাঁধ, রাজশাহী
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে নিয়মিত বিরতিতে অভি ক্লাসিক এবং এসআই কোম্পানির নন-এসি বাস চলাচল করে।
মনসুর আলী ষ্টেশন থেকে সিএনজি নিয়ে সিরাজগঞ্জ শহরস্থ বাজার স্টেশনে এসে রিকশা ভাড়া করে চায়না বাঁধে যেতে পারবেন।
মনে রাখা জরুরী সিরাজগঞ্জ শহর থেকে সন্ধ্যা ৭ টার পর আর কোন বাস ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে না।
আর ঢাকা থেকে ট্রেনে ভ্রমণ করতে চাইলে ক্যাপ্টেন মনসুর আলী স্টেশনে নামতে হবে।
আর মিরপুর ২ নাম্বার থেকে ঢাকা লাইন এবং এস আই কোম্পানির এসি বাস সিরাজগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
যদিও কড্ডার মোড় থেকে ঢাকাগামী অন্যান্য বাসে ফিরতে পারবেন কিন্তু এক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত যেকোন ঝুঁকির কথা মাথায় রাখতে হবে।
কোথায় থাকবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে চাইলে একদিনে চায়না বাঁধ ঘুরে আসার সুযোগ রয়েছে। তবুও প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে সিরাজগঞ্জ শহরের রয়েছে মোটামুটি মানের হোটেল আলিশান কিংবা হোটেল অনিক ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে রাতে থাকার রুম পেয়ে যাবেন।
কোথায় খাবেন?
সিরাজগঞ্জ সদরে নানা মানের বেশকিছু খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। আপনার চাহিদা পূরণে সমর্থ্য এমন যেকোন রেস্তোরাঁ থেকেই প্রয়োজনীয় খাবার খেয়ে নিতে পারবেন। জনপ্রিয় খাবার হোটেলের মধ্যে ফুড ভিলেজ, বসুন্ধরা রেস্তোরাঁে খাওয়া দাওয়া করতে পারেন। এছাড়া বগুড়ার দই প্রায় সবজায়গাতেই পাওয়া যায়। অবশ্যই খেয়ে দেখবেন এই সুপরিচিত দই।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চায়না বাঁধ কীভাবে যাবেন?
ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে নিয়মিত বিরতিতে অভি ক্লাসিক এবং এসআই কোম্পানির নন-এসি বাস চলাচল করে। মনসুর আলী ষ্টেশন থেকে সিএনজি নিয়ে সিরাজগঞ্জ শহরস্থ বাজার স্টেশনে এসে রিকশা ভাড়া করে চায়না বাঁধে যেতে পারবেন। মনে রাখা জরুরী সিরাজগঞ্জ শহর থেকে সন্ধ্যা ৭ টার পর আর কোন বাস ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে না। আর ঢাক
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে চাইলে একদিনে চায়না বাঁধ ঘুরে আসার সুযোগ রয়েছে। তবুও প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে সিরাজগঞ্জ শহরের রয়েছে মোটামুটি মানের হোটেল আলিশান কিংবা হোটেল অনিক ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে রাতে থাকার রুম পেয়ে যাবেন।
চায়না বাঁধ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
দুইপাশে নদী আর মাঝখানে সবুজ ঘাসের গালিচায় বসে অসাধারণ প্রকৃতিকে উপভোগ করতে চাইলে সিরাজগঞ্জ জেলায় রয়েছে চায়না বাঁধ (China Dam) থেকে পরিদর্শন করতে পারবেন। বাঁধের মূল গেইট থেকে যমুনা নদীর ২ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত বাঁধের উপর দিয়ে চলে গেছে কালো পিচ ঢালা রাস্তা। এসি/নন এসি এসব বাসে ভাড়া লাগবে জনপ্রতি ৫০
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

