bangladesh · Editorial

রাণী ভবানী নাটোর রাজবাড়ী

প্রাচীন জনপদ নাটোর জেলায় সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত রাণী ভবানী রাজবাড়ী (Rani Bhawani Rajbari) কে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৬ সালে রাণী ভবানী কেন্দ্রীয় পার্ক

Photograph · Collected for Tripzao Journal

প্রাচীন জনপদ নাটোর জেলায় সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত রাণী ভবানী রাজবাড়ী (Rani Bhawani Rajbari) কে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৬ সালে রাণী ভবানী কেন্দ্রীয় পার্ক হিসাবে ঘোষনা করে। তৎকালীন পুঠিয়ার রাজা দর্পনারায়ণের কাছ থেকে ১৮০ বিঘা আয়তনের একটা বিল রাজা রাম জীবন দান হিসাবে গ্রহন করে এই রাজবাড়ী ও অন্যান্য স্থাপনা গড়ে তোলেন।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

রাণী ভবানী নাটোর রাজবাড়ী

রাণী ভবানী নাটোর রাজবাড়ী সম্পর্কে

বাসে ঢাকা থেকে নাটোরঢাকা থেকে নাটোর যাওয়ার বেশকিছু বাস সার্ভিস রয়েছে এদের মধ্যে গ্রীণ লাইন, হানিফ, দেশ, শ্যামলি এবং ন্যাশনাল পরিবহন উল্লেখ্য। রা্ণী ভবানী রাজবাড়ি নাটোর রাজবাড়ি (Natore Rajbari) নামেই অধিক পরিচিত। ১২০ একর আয়তনের রানী ভবানী রাজবাড়ী কমপ্লেক্সে ছোট বড় মোট ৮ টি ভবন রয়েছে।

হোটেল ভি.আই.পি এবং হোটেল রুখসানায় সিংগেল কেবিন ২৫০ থেকে ৩০০ ও ডাবল কেবিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা ভাড়ায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। পুরো বাংলাদেশে চলনবিল এবং রানী ভবানী সুস্বাদু মাছের সুনাম ছড়িয়ে আছে। এসব পরিবহণের বাসগুলো নিয়মিতভাবে ঢাকার কল্যানপুর ও গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে নাটোরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে নাটোর পৌঁছানো যায়। নাটোর রাজবাড়ি প্রত্যেক দিন সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রানী ভবানী রাজবাড়ী বড় তোরফ ও ছোট তরফ নামক দুটি অংশে বিভক্ত।

নাটোর কোথায় থাকবেননাটোরে মুটামুটি মানের কতগুলো আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। সাথে নাটোরের সুপরিচিত কাঁচাগোল্লা খেয়ে সাথে করে নিয়েও আসতে পারেন। রাণী ভবানী কেন্দ্রীয় পার্কে রয়েছে ৬ টি দীঘি এবং শ্যামচমৎকার, তারকেশ্বর শিব এবং আনন্দময়ী কালিবাড়ি নামের ৩ টি মন্দির, যেগুলাতে এককালে রাজকীয় ভাবে পূজা – আর্চনার আয়োজন করা হত।

আর নাটোর শহর থেকে রিক্সা বা টেম্পু ভাড়া করে সরাসরি রাণী ভবানী রাজবাড়ী ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন। তাই নাটোর ভ্রমনকালে মাছ খাওয়ার এই সুযোগ মিস করা মোটেও ঠিক হবে না। ট্রেনে ঢাকা থেকে নাটোরঢাকা থেকে নিলসাগর এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, চিলাহাটি এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, কুরিগ্রাম এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো নাটোর স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিয়ে গন্তব্যের পথে এগিয়ে যায়।

বড় তরফ অংশের মূল কমপ্লেক্সটিই রানী ভবানীর রাজ প্রসাদ হিসাবে ব্যবহৃত হত। এক্ষেত্রে জনপ্রতি ট্রেনের টিকেটের ভাড়া শোভন চেয়ার ৪২০ টাকা, স্নিগ্ধা ৮০৫ টাকা, এসি ৯৬৬ টাকা ও এসি বার্থ ১,৪৪৯ টাকা। নিজের পছন্দ মত যেকোন রেস্তোরাঁে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার খেতে পারবেন।

নাটোরে কি খাবেনউদরপূর্তির জন্য নাটোরে বেশকিছু নানা মানের রেস্তোরাঁ রয়েছে। বাসভেদে জনপ্রতি টিকেটের মূল্য নন-এসি ৫৯০ টাকা এবং এসি ৮০০-১৩০০ টাকা। কিছুটা মতভেদ থাকলেও নিশ্চিত ভাবে বলা যায় ১৭০৬ থেকে ১৭১০ সালের মধ্যে নাটোরের রানী ভবানী রাজবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছিল।

নাটোরের আরও কিছু দর্শনীয় জায়গানাটোর জেলার জনপ্রিয় ভ্রমণ জায়গা গুলো হলো, উত্তরা গণভবন, দয়ারামপুর জমিদার বাড়ি, চলন বিল, চলনবিল জাদুঘর, হালতি বিল, লালপুরের পদ্মার চর, বুধপাড়া কালীমন্দির ও ধরাইল জমিদার বাড়ি।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে নাটোর পৌঁছানো যায়।

আর নাটোর শহর থেকে রিক্সা বা টেম্পু ভাড়া করে সরাসরি রাণী ভবানী রাজবাড়ী ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন।

কোথায় থাকবেন?

নাটোরে মুটামুটি মানের কতগুলো আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। হোটেল ভি.আই.পি এবং হোটেল রুখসানায় সিংগেল কেবিন ২৫০ থেকে ৩০০ ও ডাবল কেবিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা ভাড়ায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন।

কোথায় খাবেন?

উদরপূর্তির জন্য নাটোরে বেশকিছু নানা মানের রেস্তোরাঁ রয়েছে। নিজের পছন্দ মত যেকোন রেস্তোরাঁে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার খেতে পারবেন। তাই নাটোর ভ্রমনকালে মাছ খাওয়ার এই সুযোগ মিস করা মোটেও ঠিক হবে না। পুরো বাংলাদেশে চলনবিল এবং রানী ভবানী সুস্বাদু মাছের সুনাম ছড়িয়ে আছে। সাথে নাটোরের সুপরিচিত কাঁচাগোল্লা খেয়ে সাথে করে নিয়েও আসতে পারেন। নাটোরের আরও কিছু দর্শনীয় জায়গানাটোর জেলার জনপ্রিয় ভ্রমণ জায়গা গুলো হলো, উত্তরা গণভবন, দয়ারামপুর জমিদার বাড়ি, চলন বিল, চলনবিল জাদুঘর, হালতি বিল, লালপুরের পদ্মার চর, বুধপাড়া কালীমন্দির ও ধরাইল জমিদার বাড়ি।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

রাণী ভবানী নাটোর রাজবাড়ী কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সড়ক ও রেলপথে নাটোর পৌঁছানো যায়। আর নাটোর শহর থেকে রিক্সা বা টেম্পু ভাড়া করে সরাসরি রাণী ভবানী রাজবাড়ী ভ্রমণ করার সুযোগ পাবেন।

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

নাটোরে মুটামুটি মানের কতগুলো আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। হোটেল ভি.আই.পি এবং হোটেল রুখসানায় সিংগেল কেবিন ২৫০ থেকে ৩০০ ও ডাবল কেবিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা ভাড়ায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন।

রাণী ভবানী নাটোর রাজবাড়ী সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

প্রাচীন জনপদ নাটোর জেলায় সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত রাণী ভবানী রাজবাড়ী (Rani Bhawani Rajbari) কে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৬ সালে রাণী ভবানী কেন্দ্রীয় পার্ক হিসাবে ঘোষনা করে। তৎকালীন পুঠিয়ার রাজা দর্পনারায়ণের কাছ থেকে ১৮০ বিঘা আয়তনের একটা বিল রাজা রাম জীবন দান হিসাবে গ্রহন করে এই রাজবাড়ী ও অন্যান্য স্থাপ

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.