- অবস্থান: হারুয়া, কিশোরগঞ্জ শহর
- প্রতিষ্ঠা: আনুমানিক ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দ
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- যাওয়ার সময়: সারা বছর, নামাজের সময় ছাড়া
- দূরত্ব: ঢাকা থেকে ৯০ কিমি
পাগলা মসজিদের অদ্ভুত রহস্য
নাম শুনে অবাক হওয়ারই কথা। কিশোরগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্রে নরসুন্দা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে আছে পাগলা মসজিদ — বাংলাদেশের সবচেয়ে রহস্যময় মসজিদগুলোর একটি। প্রায় আড়াইশ বছর আগে নির্মিত এই মসজিদের বিশেষত্ব হলো এর বিশাল দান বাক্স। বছরে মাত্র চারবার খোলা হয় সেই বাক্স — আর প্রতিবারই বেরিয়ে আসে কোটি কোটি টাকা, সোনা-রূপার গহনা, বিদেশি মুদ্রা।
কীভাবে যাবেন
সায়েদাবাদ বা মহাখালী থেকে অনন্যা, জলসিঁড়ি বা শ্যামলী পরিবহনে কিশোরগঞ্জ। ভাড়া ১৫০–২০০৳। ট্রেনে এগারসিন্দুর প্রভাতি বা কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেসে।
কিশোরগঞ্জ বাস বা রেলস্টেশন থেকে রিকশায় পাগলা মসজিদ ১৫–২০ মিনিট, ভাড়া ৩০–৫০৳।
মসজিদের ইতিহাস ও স্থাপত্য
মসজিদটির প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে নানা মত আছে। স্থানীয়রা বলেন, এক পাগল সাধু এখানে নামাজ পড়তেন — সেই থেকেই নাম পাগলা মসজিদ। তিন গম্বুজের এই মসজিদে একসাথে কয়েক হাজার মুসল্লি নামাজ পড়তে পারেন। মসজিদ কমিটি প্রতি বছর দানের অর্থ দিয়ে বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে থাকে।
কোথায় থাকবেন
হোটেল রিভার ভিউ
সিঙ্গেল ৫০০–৮০০৳
হোটেল শেরাটন (স্থানীয়)
সিঙ্গেল ৬০০–১,০০০৳
হোটেল নিরালা
সিঙ্গেল ৪০০–৭০০৳
কোথায় খাবেন
কিশোরগঞ্জ শহরে গাংচিল, তাজ, ধানসিঁড়ি, রিভার ভিউ কিচেন ও পানসী রেস্টুরেন্টে দেশীয় খাবার পাবেন। হাওর অঞ্চলের তাজা মাছের ভর্তা ও ভাজি মিস করবেন না।
বাজেট পরিকল্পনা
পাগলা মসজিদের দান বাক্স খোলার সময় (সাধারণত রমজান, ঈদ ও বিশেষ উপলক্ষে) গেলে অনন্য অভিজ্ঞতা পাবেন।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
পাগলা মসজিদে প্রবেশ ফি কত?
প্রবেশ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। তবে ইচ্ছামতো দান করতে পারেন।
দান বাক্স বছরে কতবার খোলা হয়?
সাধারণত বছরে তিন থেকে চারবার খোলা হয় — রমজান মাসে, দুই ঈদের পর এবং বিশেষ উপলক্ষে।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ যেতে কত সময় লাগে?
বাসে ২–২.৫ ঘণ্টা, ট্রেনে ২ ঘণ্টা।