গুটিয়া মসজিদ (Guthia Mosque) এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম জামে মসজিদ, যা বরিশাল বিভাগে উজিরপুর থানার গুটিয়া ইউনিয়নের চাংগুরিয়া গ্রামে রয়েছে। ঢাকার সদরঘাট থেকে বেশিরভাগ লঞ্চ রাত ৮ টা থেকে রাত ৯ টার মধ্যে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

গুটিয়া মসজিদ সম্পর্কে
এসব বাসে বরিশাল যেতে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ভাড়া লাগে। আবাসিক হোটেলের মধ্যে আছে হোটেল গ্রান্ড প্ল্যাজা, রিচমার্ট রেস্ট হাউজ, হোটেল রোদেলা, হোটেল এথেনা উল্লেখযোগ্য। বরিশাল থেকে সিএনজি কিংবা অটোরিক্সা যোগে ১১ কিলোমিটার দূরত্বের গুটিয়া মসজিদে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বাসগুলো বরিশাল শহরের নতুল্লাবাদ বাস স্ট্যান্ডে এসে থামে। বাসে ঢাকা থেকে বরিশালসড়ক পথে ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে প্রায় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সময় লাগে।
কীভাবে যাবেন
মসজিদটি দেখতে হলে প্রথমে বিভাগীয় শহর বরিশাল আসতে হবে। ২০০৬ সালে গুটিয়া মসজিদ ও ঈদগাহ্ কমপ্লেক্সের নির্মাণ শেষ হয়। ঢাকা থেকে বরিশাল রুটে চলাচলকারী বাসগুলোর মধ্যে হানিফ পরিবহন, লাবিবা এন্টারপ্রাইজ, ইম্পেরিয়াল ক্লাসিক, এনা ট্রান্সপোর্ট, দিগন্ত পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, ঈগল পরিবহন, শাকুরা পরিবহন অন্যতম।
এই মসজিদটিতে মহিলাদের পৃথক নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। গুটিয়া মসজিদ কমপ্লেক্সের ভেতরে রয়েছে একটা মসজিদ, সুদৃশ্য মিনার, ২০ হাজার লোকের ধারণক্ষমতার ঈদগাহ্ ময়দান, একটা ডাকবাংলো, এতিমখানা, গাড়ি পার্কিং, পুকুর, লেক এবং ফুলের বাগান। লঞ্চে ঢাকা থেকে বরিশালঢাকা বরিশাল রুটে চলাচকারী লঞ্চ গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো; এম ভি মানামী, কুয়াকাটা ২, কীর্তনখোলা ১০, এডভেঞ্চার ১, এডভেঞ্চার ৯, চমৎকারবন ৯, চমৎকারবন ১০, সুরভী ৭, সুরভী ৮, পারাবত ৯, পারাবত ১১, গ্রিন লাইন সহ আরও কিছু লঞ্চ ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচল করে।
গুটিয়া মসজিদটির তত্ত্বাবধানে ৩০ জন কর্মচারী সর্বদা নিয়োজিত রয়েছে। রাতে যাত্রা করা লঞ্চগুলো ভোর ৫ টার দিকে বরিশাল পৌঁছায়।
কোথায় খাবেন
গুটিয়ার সন্দেশ সুপরিচিত, মিষ্টি পছন্দ হলে খেয়ে দেখবেন অবশ্যই। মসজিদটিতে উন্নমানের কাঁচ, ফ্রেম, এবং বোস স্পিকার ব্যবহার করা হয়েছে। বরিশাল যেতে এসি এবং নন-এসি বাসের ভাড়া ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা।
ঢাকার গাবতলি বাস টার্মিনাল থেকে ভোর ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত নিয়মিত ভাবে বাস বরিশালের পথে পদ্মা সেতু হয়ে যাত্রা করে। অনন্য এই গুটিয়া মসজিদ দেখতে এবং নামায আদায় করতে প্রত্যেক দিন হাজারো দর্শণার্থীর আগমন ঘটে। এছাড়া জায়গাীয় রেস্তোরাঁে দেশী ও জায়গাীয় খাবার পাওয়া যায়।
ঘরোয়া হোটেলে বিচিত্র আইটেমের খাবার পাওয়া যায়। এই রুটে বেশ কিছু লোকাল বাস চলাচল করে সময় বাঁচাতে এসব বাস এড়িয়ে চলাই উত্তম। এসব লঞ্চের ডেকের ভাড়া ২০০-২৫০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ভাড়া ১০০০-১৪০০ টাকা, ডাবল কেবিনের ভাড়া ২০০০-২৫০০ টাকা এবং ভিআইপি কেবিন ভাড়া ৪৫০০-৮০০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
বরিশালে বেশ কিছু উন্নত মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে, যেগুলোতে অনায়াসে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। বরিশাল শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে ১৪ একর জমির উপর বিশাল এই মসজিদটি গড়ে তোলা হয়েছে। এছাড়াও মসজিদ কমপ্লেক্সে কাবা শরীফ, জমজম কূপের পানি, আরাফার ময়দান, জাবালে রহমত, জাবালে নৃর, নবীজীর জন্মজায়গা, মা হাওয়া এর কবর জায়গা, খলিফাদের কবরজায়গা, অন্যান্ন সুপরিচিত মসজিদ এবং সুপরিচিত জায়গার মাটি সংরক্ষন করা আছে, যা ভ্রমণকারীরা দেখতে পারেন।
আর সকালে যেতে চাইলে গ্রিনলাইন লঞ্চে পৌঁছাতে পারবেন। মসজিদটি নির্মাণে খরচ হয়েছে প্রায় ২১ কোটি টাকা এবং মসজিদের নির্মাণশৈলীতে ইউরোপ, এশিয়া এবং মধ্য প্রাচ্যের নামকরা মসজিদের ছাপ লক্ষ করা যায়। বরিশাল শহরের সকাল সন্ধ্যা হোটেলের লুচি সবজি ও সরমালাই জনপ্রিয়।
মসজিদটিতে এক সঙ্গে প্রায় ১৫০০ মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারে এবং মসজিদটির মিনারের উচ্চতা প্রায় ১৯৩ ফুট। ২০০৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর গুঠিয়া ইউনিয়নের এস. সরফুদ্দিন আহম্মেদ সান্টু গুঠিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ এবং ঈদগাহ্ কমপ্লেক্সের নির্মাণ শুরু করেন। গুটিয়া মসজিদ নামে পরিচিতি পেলেও এর নাম বাইতুল আমান।
আরও পড়ুনবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বেগনী মসজিদশেখ মাহমুদ শাহ মসজিদসুরা মসজিদ
কীভাবে যাবেন?
মসজিদটি দেখতে হলে প্রথমে বিভাগীয় শহর বরিশাল আসতে হবে।
বরিশাল থেকে সিএনজি কিংবা অটোরিক্সা যোগে ১১ কিলোমিটার দূরত্বের গুটিয়া মসজিদে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
বরিশালে বেশ কিছু উন্নত মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে, যেগুলোতে অনায়াসে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। আবাসিক হোটেলের মধ্যে আছে হোটেল গ্রান্ড প্ল্যাজা, রিচমার্ট রেস্ট হাউজ, হোটেল রোদেলা, হোটেল এথেনা উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
গুটিয়ার সন্দেশ সুপরিচিত, মিষ্টি পছন্দ হলে খেয়ে দেখবেন অবশ্যই। এছাড়া জায়গাীয় রেস্তোরাঁে দেশী ও জায়গাীয় খাবার পাওয়া যায়। ঘরোয়া হোটেলে বিচিত্র আইটেমের খাবার পাওয়া যায়। বরিশাল শহরের সকাল সন্ধ্যা হোটেলের লুচি সবজি ও সরমালাই জনপ্রিয়। আরও পড়ুনবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বেগনী মসজিদশেখ মাহমুদ শাহ মসজিদসুরা মসজিদ
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
গুটিয়া মসজিদ কীভাবে যাবেন?
মসজিদটি দেখতে হলে প্রথমে বিভাগীয় শহর বরিশাল আসতে হবে। বরিশাল থেকে সিএনজি কিংবা অটোরিক্সা যোগে ১১ কিলোমিটার দূরত্বের গুটিয়া মসজিদে যেতে পারবেন।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
বরিশালে বেশ কিছু উন্নত মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে, যেগুলোতে অনায়াসে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। আবাসিক হোটেলের মধ্যে আছে হোটেল গ্রান্ড প্ল্যাজা, রিচমার্ট রেস্ট হাউজ, হোটেল রোদেলা, হোটেল এথেনা উল্লেখযোগ্য।
গুটিয়া মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
গুটিয়া মসজিদ (Guthia Mosque) এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম জামে মসজিদ, যা বরিশাল বিভাগে উজিরপুর থানার গুটিয়া ইউনিয়নের চাংগুরিয়া গ্রামে রয়েছে। ঢাকার সদরঘাট থেকে বেশিরভাগ লঞ্চ রাত ৮ টা থেকে রাত ৯ টার মধ্যে বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এসব বাসে বরিশাল যেতে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা ভাড়া লাগে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
