ঝিনাইদহ জেলা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে হরিশংকরপুরে নবগঙ্গা নদীর তীরে জগদ্সুপরিচিত গণিতবিদ কে পি বসুর বাড়ি রয়েছে। কোথায় খাবেনঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরের কাছে রয়েছে ক্যাফে কাশফুল, কস্তুরি হোটেল,অজয় কিচেন, লিজা ফাস্ট ফুড, ইং কিং চাইনিজ, রূপসী বাংলা রেস্তোরা, সুইট হোটেল ও আহার রেস্তোরাঁ অন্যতম।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

কে পি বসুর বাড়ি সম্পর্কে
ঝিনাইদহ জেলা থেকে জায়গাীয় যানবাহনে কে পি বসুর বাড়ি যেতে পারবেন। কোথায় থাকবেনঝিনাইদহ শহরে হোটেল রাতুল, হোটেল রেডিয়েশন, হোটেল জামান, নয়ন হোটেল, হোটেল ড্রিম ইন ও ক্ষণিকা প্রভৃতি আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে। তাছাড়া তিনি কলকাতায় কে.পি বসু পাবলিশিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
কে. পি বসুকে প্রথম আধুনিক বীজগণিতের সূত্র আবিষ্কারক বলা হয়। সুপরিচিত এই গণিত বিদের স্মৃতিতে ঝিনাইদহ জেলায় একটা সড়কও তৈরি করা হয়েছে। ১৯০৭ সালে কে পি বসু হরিশংকরপুরে ১৭ কক্ষ বিশিষ্ট প্রাসাদাকার দ্বিতল ভবনটি নির্মাণ করেন।
পরবর্তীতে ১৮৯২ সালে তিনি ঢাকা কলেজে গনিত শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার পিতা মহিমা চরণ বসু হরিশংকরপুরের রেজিস্ট্রি অফিসের একজন কর্মচারী ছিলেন। ১৯২৪ সালে পার্নিসাস ম্যালেরিয়া জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
গ্রামের স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে তিনি লর্ড রিপন কলেজে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে গণিত শাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। কে পি বসুর পরিচিতিকে পি বসুর অর্থাৎ কালীপদ বসু ১৮৬৫ সালে ঝিনাইদহ সদরের হরিশংকরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকাল থেকে গণিতের মতো জটিল বিষয়ে কে.পি বসুর পাণ্ডিত্য লক্ষ্য করার সুযোগ রয়েছে।
তিনি গনিত শাস্ত্রের বৃদ্ধি ও উৎকর্ষ সাধনের জন্য আলজেব্রা ও জ্যামিতির উপর নানা গবেষণা করেন এবং অসংখ্য বই রচনা করেন। এখন বাড়িটি অরক্ষিতভাবে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকলেও এক সময়ের দৃষ্টিনন্দন বাড়িটি দেখতে বহু ভ্রমণকারীর আগমন ঘটে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলী থেকে রয়েল, সোনার তরী, এসবি পরিবহণ, জেআর পরিবহণ, চুয়াডাঙ্গা, হানিফ, দর্শনা ও পূর্বাশা ডিলাক্স বাসে ঝিনাইদহ পৌঁছানো যায়। ঝিনাইদহ জেলার দর্শনীয় জায়গাঝিনাইদহের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে বারোবাজার, নলডাঙ্গা রাজবাড়ী রিসোর্ট, মিয়ার দালান ও জোহান ড্রিম ভ্যালী পার্ক উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী থেকে রয়েল, সোনার তরী, এসবি পরিবহণ, জেআর পরিবহণ, চুয়াডাঙ্গা, হানিফ, দর্শনা ও পূর্বাশা ডিলাক্স বাসে ঝিনাইদহ পৌঁছানো যায়।
ঝিনাইদহ জেলা থেকে জায়গাীয় যানবাহনে কে পি বসুর বাড়ি যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ঝিনাইদহ শহরে হোটেল রাতুল, হোটেল রেডিয়েশন, হোটেল জামান, নয়ন হোটেল, হোটেল ড্রিম ইন ও ক্ষণিকা প্রভৃতি আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরের কাছে রয়েছে ক্যাফে কাশফুল, কস্তুরি হোটেল,অজয় কিচেন, লিজা ফাস্ট ফুড, ইং কিং চাইনিজ, রূপসী বাংলা রেস্তোরা, সুইট হোটেল ও আহার রেস্তোরাঁ অন্যতম।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কে পি বসুর বাড়ি কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী থেকে রয়েল, সোনার তরী, এসবি পরিবহণ, জেআর পরিবহণ, চুয়াডাঙ্গা, হানিফ, দর্শনা ও পূর্বাশা ডিলাক্স বাসে ঝিনাইদহ পৌঁছানো যায়। ঝিনাইদহ জেলা থেকে জায়গাীয় যানবাহনে কে পি বসুর বাড়ি যেতে পারবেন।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঝিনাইদহ শহরে হোটেল রাতুল, হোটেল রেডিয়েশন, হোটেল জামান, নয়ন হোটেল, হোটেল ড্রিম ইন ও ক্ষণিকা প্রভৃতি আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউজ রয়েছে।
কে পি বসুর বাড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ঝিনাইদহ জেলা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে হরিশংকরপুরে নবগঙ্গা নদীর তীরে জগদ্সুপরিচিত গণিতবিদ কে পি বসুর বাড়ি রয়েছে। কোথায় খাবেনঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরের কাছে রয়েছে ক্যাফে কাশফুল, কস্তুরি হোটেল,অজয় কিচেন, লিজা ফাস্ট ফুড, ইং কিং চাইনিজ, রূপসী বাংলা রেস্তোরা, সুইট হোটেল ও আহার রেস্তোরাঁ অন্যতম। ঝিনাই
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
