bangladesh · Editorial

মতিরহাট সৈকত

অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য লক্ষ্মীপুরের মতিরহাট সৈকত (Motirhat Beach) ইতিমধ্যে দর্শনার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। কমলনগরের মেঘনা নদীর তীরে মতিরহাট সৈকতের

Photograph · Collected for Tripzao Journal

অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য লক্ষ্মীপুরের মতিরহাট সৈকত (Motirhat Beach) ইতিমধ্যে দর্শনার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। লক্ষিপুর শহরে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে মধ্যে সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল আবেহায়াত, হোটেল রোজ কিংবা স্টার গেস্ট হাউজ অন্যতম।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

মতিরহাট সৈকত

মতিরহাট সৈকত সম্পর্কে

আর জায়গাীয় খাবারের হোটেল থেকে প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন। খাবার খেতে পৌঁছাতে পারবেন হোটেল রাজমহল, কুটুম বাড়ি, আব্বাস আলী রেস্তোরাঁ, মোহাম্মদীয়া হোটেল অথবা ফুড গার্ডেন রেস্তোরাঁে। রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্যান্ড এক্সপ্রেস, আলবারাকা, আলম, রয়েল, ইকোনো এবং ঢাকা এক্সপ্রেস সহ বেশ কিছু পরিবহণের বাস লক্ষ্মীপুর যায়।

কোথায় খাবেন

তরতাজা এবং ফরমালিন মুক্ত ইলিশ, সামুদ্রিক মাছ অথবা খাটিঁ মহিষের দুধ ও দই কেনার জন্য লক্ষ্মীপুরের মতিরহাট মাছ ঘাট এক অনন্য জায়গা।

কোথায় থাকবেন

মতিরহাটে থাকার কোন ব্যবস্থা এখনো গড়ে উঠেনি। এরপর বাস, সিএনজি বা পিকআপে করে কমলনগরের তোরাবগঞ্জ বাজারে পৌঁছে অন্য সিএনজি দিয়ে মতিরহাট নদীর পাড়ে যেতে পারবেন। এছাড়া নদীতে গোসল করতে চাইলেও কোন মানা নেই মতিরহাট সৈকতে।

আর বেলাভূমি ধরে হেটে যাওয়া যায় বহুটা পথ। তাই তাজা ইলিশ মাছ কিংবা মহিষের দুধের তৈরী দই অবশ্যই খেয়ে দেখবেন। মেঘনার ভাঙন থেকে ভূমি বাঁচাতে তৈরি করা মতিরহাট বাজার রক্ষা বাঁধ নির্মাণের ফলে প্রকৃতির ভাবে প্রায় দুই কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত অপুর্ব এক বেলাভূমির জন্ম হয়।

কীভাবে যাবেন

দেশের যেকোন প্রান্তে আপনার অবজায়গা হোক না কেন সেখান থেকে লক্ষ্মীপুর শহরের ঝুমুর ইলিশ স্কয়ার চলে আসুন। কমলনগরের মেঘনা নদীর তীরে মতিরহাট সৈকতের অবজায়গা। একপাশে সৈকত এবং অন্যপাশের বেড়িবাঁধ যেন একে অন্যের পরিপূরক।

ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর (Lakshmipur) যেতে বাস ভাড়া লাগবে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা। বেলাভূমির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বহুেই একে ‘মতির হাট মেঘনা সৈকত’ ও ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে আখ্যায়িত করেছেন। লক্ষ্মীপুর শহরে নানা মানের হোটেল, ফাস্টফুড শপ এবং চাইনিজ রেস্তোরাঁ রয়েছে।

ঢাকা থেকে বাসে করে লক্ষ্মীপুর যেতে ৪/৫ ঘন্টা সময় লাগে। নদী তীরের বৈচিত্র্যময় দৃশ্য, সুবিশাল নারিকেল ও সুপারি বাগান এবং ইলিশের হাট আপনাকে দেবে অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে লক্ষ্মীপুরের আবাসিক হোটেলে থাকতে পারবেন।

সূর্যাস্থ দেখতে দেখতে বাঁধ ধরে হেঁটে বেড়ালে বহুটা কুয়াকাটা কিংবা কক্সবাজারের মতই এই বেলাভুমির সৌন্দর্যকে উপভোগ করা যায়। নদীতে ঘুরে বেড়াতে চাইলে ভাড়ায় নৌকা নিয়ে চলে পৌঁছাতে পারবেন বিশাল মেঘনার বুকে ভাসমান কোন চরে। আবার ঝুমুর থেকে সরাসরি মতিরহাট নদী পাড়ে যাওয়ার সিএনজি রিজার্ভ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনচট্টগ্রামের কাছে ৬টি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণসৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন – সময়সূচী, টিকেট মূল্য ও প্রয়োজনীয় তথ্যপাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকত

কীভাবে যাবেন?

দেশের যেকোন প্রান্তে আপনার অবজায়গা হোক না কেন সেখান থেকে লক্ষ্মীপুর শহরের ঝুমুর ইলিশ স্কয়ার চলে আসুন।

আবার ঝুমুর থেকে সরাসরি মতিরহাট নদী পাড়ে যাওয়ার সিএনজি রিজার্ভ পাওয়া যায়।

ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর (Lakshmipur) যেতে বাস ভাড়া লাগবে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা।

রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্যান্ড এক্সপ্রেস, আলবারাকা, আলম, রয়েল, ইকোনো এবং ঢাকা এক্সপ্রেস সহ বেশ কিছু পরিবহণের বাস লক্ষ্মীপুর যায়।

এরপর বাস, সিএনজি বা পিকআপে করে কমলনগরের তোরাবগঞ্জ বাজারে পৌঁছে অন্য সিএনজি দিয়ে মতিরহাট নদীর পাড়ে যেতে পারবেন।

ঢাকা থেকে বাসে করে লক্ষ্মীপুর যেতে ৪/৫ ঘন্টা সময় লাগে।

কোথায় থাকবেন?

মতিরহাটে থাকার কোন ব্যবস্থা এখনো গড়ে উঠেনি। লক্ষিপুর শহরে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে মধ্যে সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল আবেহায়াত, হোটেল রোজ কিংবা স্টার গেস্ট হাউজ অন্যতম। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে লক্ষ্মীপুরের আবাসিক হোটেলে থাকতে পারবেন। আরও পড়ুনচট্টগ্রামের কাছে ৬টি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণসৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন – সময়সূচী, টিকেট মূল্য ও প্রয়োজনীয় তথ্যপাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকত

কোথায় খাবেন?

তরতাজা এবং ফরমালিন মুক্ত ইলিশ, সামুদ্রিক মাছ অথবা খাটিঁ মহিষের দুধ ও দই কেনার জন্য লক্ষ্মীপুরের মতিরহাট মাছ ঘাট এক অনন্য জায়গা। লক্ষ্মীপুর শহরে নানা মানের হোটেল, ফাস্টফুড শপ এবং চাইনিজ রেস্তোরাঁ রয়েছে। আর জায়গাীয় খাবারের হোটেল থেকে প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন। তাই তাজা ইলিশ মাছ কিংবা মহিষের দুধের তৈরী দই অবশ্যই খেয়ে দেখবেন। খাবার খেতে পৌঁছাতে পারবেন হোটেল রাজমহল, কুটুম বাড়ি, আব্বাস আলী রেস্তোরাঁ, মোহাম্মদীয়া হোটেল অথবা ফুড গার্ডেন রেস্তোরাঁে।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

মতিরহাট সৈকত কীভাবে যাবেন?

দেশের যেকোন প্রান্তে আপনার অবজায়গা হোক না কেন সেখান থেকে লক্ষ্মীপুর শহরের ঝুমুর ইলিশ স্কয়ার চলে আসুন। আবার ঝুমুর থেকে সরাসরি মতিরহাট নদী পাড়ে যাওয়ার সিএনজি রিজার্ভ পাওয়া যায়। ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর (Lakshmipur) যেতে বাস ভাড়া লাগবে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা। রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্য

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

মতিরহাটে থাকার কোন ব্যবস্থা এখনো গড়ে উঠেনি। লক্ষিপুর শহরে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে মধ্যে সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল আবেহায়াত, হোটেল রোজ কিংবা স্টার গেস্ট হাউজ অন্যতম। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চাইলে লক্ষ্মীপুরের আবাসিক হোটেলে থাকতে পারবেন। আরও পড়ুনচট্টগ্রামের কাছে ৬টি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ

মতিরহাট সৈকত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যের জন্য লক্ষ্মীপুরের মতিরহাট সৈকত (Motirhat Beach) ইতিমধ্যে দর্শনার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। লক্ষিপুর শহরে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে মধ্যে সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল আবেহায়াত, হোটেল রোজ কিংবা স্টার গেস্ট হাউজ অন্যতম। আর জায়গাীয় খাবারের হোটেল থেকে প্রয়োজনীয় খাবার খেতে প

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.