bangladesh · Editorial

খোয়াসাগর দীঘি

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার অঞ্চলর লক্ষ্মীপুর রায়পুর সড়কের পূর্ব পাশে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো বিশাল আয়তনের খোয়াসাগর দীঘি (Khoa Sagor Dighi)

Photograph · Collected for Tripzao Journal

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার অঞ্চলর লক্ষ্মীপুর রায়পুর সড়কের পূর্ব পাশে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো বিশাল আয়তনের খোয়াসাগর দীঘি (Khoa Sagor Dighi) রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী খোয়াসাগর দীঘি লক্ষ্মীপুরের একটা দর্শনীয় জায়গা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

খোয়াসাগর দীঘি

খোয়াসাগর দীঘি সম্পর্কে

এ কারণে লক্ষ্মীপুরের জায়গাীয় ভাষায় দীঘিটিকে খোয়া বা কুয়াশাময় দীঘি বলা হয়। প্রায় ২৫ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত দীঘির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দিকে তাকালে কুয়শায় ঢেকে আছে বলে মনে হয়। কিন্তু যখন নববধূ পানি পান করতে দীঘির পাড়ে নামে তখন দীঘির নিচে অদ্ভূত কোন কিছু বধুর পা ধরে টেনে গভীর পানিতে নিয়ে যায়।

মানসম্মত বাঙ্গালী খাবারের জন্য তৃপ্তি হোটেল, হোটেল রাজ মহল, নিউ লক্ষ্মী, গ্র্যান্ড হোটেল, কুটুম বাড়ি, আব্বাস আলী রেস্তোরাঁ, মোহাম্মদীয়া হোটেল বা ফুড গার্ডেন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। সন্ধ্যা নামলে যখন দীঘির পশ্চিম ও পূর্ব পাশ আলোকিত হয়ে উঠে সেই দৃশ্য আরও মনোহর লাগে। জায়গাীয়দের মতে, প্রায় দুই শতাধিক বছর পূর্বে দালাল বাজারের জমিদার ব্রজবল্লভ রায় আনুমানিক ১৭৫৫ সালে এই দীঘিটি খনন করেন।

কীভাবে যাবেন

রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্যান্ড এক্সপ্রেস, রয়েল কোচ, হিমাচল এক্সপ্রেস, ইকোনো, মিয়ামি, আল বারাকা, জোনাকি সার্ভিস বা ঢাকা এক্সপ্রেসের বাসে লক্ষ্মীপুর জেলায় পৌঁছানো যায়। শোভাবর্ধনের জন্য দীঘির পাড়ে লাগানো হয়েছে অসংখ্য গাছ। কথিত আছে, কোন এক বরযাত্রী নববধূকে নিয়ে দীঘির পার দিয়ে যাচ্ছিল।

কোথায় খাবেনলক্ষ্মীপুর শহরের মেইন রোডের কাছে নানা মানের রেস্তোরাঁ ও ফাস্টফুড শপ রয়েছে। পরবর্তীতে জমিদার রাজা গৌড় কিশোর রায় দীঘিটির সংস্কার করেন। কোথায় থাকবেনলক্ষ্মীপুরের রয়েছে আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউসের মধ্যে সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল ফিরোজ ইন্টারন্যাশনাল, ভিআইপি গেস্ট হাউস এন্ড ট্যুরিজম, হোটেল ইউনিক, হোটেল নূর, হোটেল আব-ই-হায়াত ও স্টার গেস্ট হাউজ অন্যতম।

খোয়াসাগর দীঘির পাশে কোদাল ধোয়া দীঘি নামে আরও একটা দীঘি এবং দালাল বাজার মঠ রয়েছে। প্রাচীন এই দীঘির সাথে জড়িয়ে আছে বিচিত্র কল্পকাহিনী। লক্ষ্মীপুর জেলা বাস টার্মিনাল হতে রিকশা বা সিএনজি নিয়ে ৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে খোয়াসাগর দীঘি দেখতে যেতে পারবেন।

দীঘির স্বচ্ছ পানি ও মনোমুগ্ধকর আবহের কারণে প্রত্যেক দিন অসংখ্য বিনোদনপ্রেমীরা দৃষ্টিনন্দন এই দীঘির পাড়ে ঘুরতে আসে। সেই সময় বরযাত্রীদের পানির পিপাসা পেলে তারা দীঘির পাশে পানি পান করার জন্য নামে। জায়গাীয়রা বিশ্বাস করেন এই ঘটনার পর পুকুরের এমন গভীর গর্ত হয়ে হয়েছে যে প্রচণ্ড খরায়ও গর্তটি শুকিয়ে যায় না।

তাছাড়া ঢাকা সদরঘাট থেকে লঞ্চে চড়ে লক্ষ্মীপুর মজু চৌধুরীর ঘাটে যেতে পারবেন। লক্ষ্মীপুরের দর্শনীয় জায়গালক্ষ্মীপুরের দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে মতিরহাট সৈকত, জ্বীনের মসজিদ, চর আলেকজান্ডার ও দালাল বাজার জমিদার বাড়ি অন্যতম।

কীভাবে যাবেন?

রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্যান্ড এক্সপ্রেস, রয়েল কোচ, হিমাচল এক্সপ্রেস, ইকোনো, মিয়ামি, আল বারাকা, জোনাকি সার্ভিস বা ঢাকা এক্সপ্রেসের বাসে লক্ষ্মীপুর জেলায় পৌঁছানো যায়।

তাছাড়া ঢাকা সদরঘাট থেকে লঞ্চে চড়ে লক্ষ্মীপুর মজু চৌধুরীর ঘাটে যেতে পারবেন।

লক্ষ্মীপুর জেলা বাস টার্মিনাল হতে রিকশা বা সিএনজি নিয়ে ৩ কিলোমিটার দূরে রয়েছে খোয়াসাগর দীঘি দেখতে যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন?

লক্ষ্মীপুরের রয়েছে আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউসের মধ্যে সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল ফিরোজ ইন্টারন্যাশনাল, ভিআইপি গেস্ট হাউস এন্ড ট্যুরিজম, হোটেল ইউনিক, হোটেল নূর, হোটেল আব-ই-হায়াত ও স্টার গেস্ট হাউজ অন্যতম।

কোথায় খাবেন?

লক্ষ্মীপুর শহরের মেইন রোডের কাছে নানা মানের রেস্তোরাঁ ও ফাস্টফুড শপ রয়েছে। মানসম্মত বাঙ্গালী খাবারের জন্য তৃপ্তি হোটেল, হোটেল রাজ মহল, নিউ লক্ষ্মী, গ্র্যান্ড হোটেল, কুটুম বাড়ি, আব্বাস আলী রেস্তোরাঁ, মোহাম্মদীয়া হোটেল বা ফুড গার্ডেন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

খোয়াসাগর দীঘি কীভাবে যাবেন?

রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গ্রীনল্যান্ড এক্সপ্রেস, রয়েল কোচ, হিমাচল এক্সপ্রেস, ইকোনো, মিয়ামি, আল বারাকা, জোনাকি সার্ভিস বা ঢাকা এক্সপ্রেসের বাসে লক্ষ্মীপুর জেলায় পৌঁছানো যায়। তাছাড়া ঢাকা সদরঘাট থেকে লঞ্চে চড়ে লক্ষ্মীপুর মজু চৌধুরীর ঘাটে যেতে পারবেন। লক্ষ্মীপুর জেলা বাস টার্মিনাল

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

লক্ষ্মীপুরের রয়েছে আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউসের মধ্যে সোনার বাংলা গেস্ট হাউজ, হোটেল ফিরোজ ইন্টারন্যাশনাল, ভিআইপি গেস্ট হাউস এন্ড ট্যুরিজম, হোটেল ইউনিক, হোটেল নূর, হোটেল আব-ই-হায়াত ও স্টার গেস্ট হাউজ অন্যতম।

খোয়াসাগর দীঘি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দালাল বাজার অঞ্চলর লক্ষ্মীপুর রায়পুর সড়কের পূর্ব পাশে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো বিশাল আয়তনের খোয়াসাগর দীঘি (Khoa Sagor Dighi) রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী খোয়াসাগর দীঘি লক্ষ্মীপুরের একটা দর্শনীয় জায়গা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। এ কারণে লক্ষ্মীপুরের জায়গাীয় ভাষায় দীঘিটিকে খোয়া বা ক

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.