bangladesh · Editorial

কালভৈরব মন্দির

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় রয়েছে কালভৈরব মন্দির (Sri Sri Kal Bhairab Temple) এক ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনার নাম। তিতাস নদীর কূল ঘেঁষা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া শহরের মেড্ডা

Photograph · Collected for Tripzao Journal

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় রয়েছে কালভৈরব মন্দির (Sri Sri Kal Bhairab Temple) এক ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনার নাম। পরবর্তীতে ড. মহানামব্রত ব্রহ্মচারী মহারাজ ও জায়গাীয় মানুষের সহযোগিতায় আবারো ২৮ ফুট উঁচু শ্রী শ্রী কালভৈরব মূর্তি ও মন্দির পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

কালভৈরব মন্দির

কালভৈরব মন্দির সম্পর্কে

সবচেয়ে ভালো হয় ঢাকা হতে চট্টগ্রামগামী ট্রেনে সরাসরি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলওয়ে ষ্টেশনে চলে আসা। শ্রী শ্রী কালভৈরব মন্দিরের বাম পাশে আলাদা ভবনে ১০৫ বছরের পুরনো ১১ কেজি ওজনের কষ্টি পাথরের শ্রী শ্রী কৈলাশ্বেশ্বর শিবলিঙ্গ রয়েছে। শ্রী শ্রী কালভৈরবের আবির্ভাবের পর জায়গাীয় দূর্গাচরণ আচার্য স্বপ্নে প্রাপ্ত নির্দেশ অনুসারে মাটি দিয়ে বিশালাকার কালভৈরবের বিগ্রহ (মূর্তি) তৈরী করেন।

প্রতিবছর বাংলা সালের ফাল্গুনী শুক্লা সপ্তমী তিথিতে এখানে ৪ দিনব্যাপী পূজা, হোমযজ্ঞ, মেলা সহ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় কালভৈরবের বিগ্রহটি পাক হানাদার বাহিনী কতৃক ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য উন্নত মানের হোটেলের সন্ধান পেতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরে আসতে হবে।

প্রচলিত আছে, কাশীশ্বর দেবাদিদেব মহাদেব নিজ শরীরের অংশ থেকে কালভৈরবের সৃষ্টি করে তাকে কাশীধাম রক্ষার ভার প্রদান করেন।

কোথায় খাবেন

কালভৈরব মন্দির অঞ্চলয় তেমন ভাল খাবারের ব্যবস্থা নেই। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলওয়ে ষ্টেশন হতে মন্দিরে যাওয়ার লোকাল পরিবহণ পাবেন। বিশালাকার মূর্তির ডান দিকে কালী এবং বাম দিকে দেবী পার্বতীর প্রতিমা রয়েছে।

তখন শ্রীলঙ্কা, ভারত, মালদ্বীপ, চীন সহ বিশ্বের নানা দেশ থেকে পূজারী, ভক্ত এবং ভ্রমণকারীদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠে কালভৈরব মন্দির প্রাঙ্গণ। তিতাস নদীর কূল ঘেঁষা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া শহরের মেড্ডা অঞ্চলয় ৩০০ বছরের পুরনো হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম এই তীর্থক্ষেত্রের অবজায়গা। সরাইল বিশ্বরোড এসে রিকশা বা সিএনজির মত জায়গাীয় পরিবহণে মেড্ডা অঞ্চলর রয়েছে কালভৈরব মন্দির যেতে পারবেন।

শ্রেণিভেদে ট্রেনের টিকেটের ভাড়া লাগবে জনপ্রতি ১৪৫ থেকে ৪৮৯ টাকা। সরাইলের সুপরিচিত জমিদার নূর মোহাম্মদ কালভৈরব মন্দিরের জমি দান করেন।

কীভাবে যাবেন

ঢাকার সায়েদাবাদ কিংবা যাত্রাবাড়ি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটে চলাচলকারী বাসে চড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলাস্থ বিশ্বরোড আসা যায়। এছাড়া নাসিরনগরে ডাক বাংলোতেও রাতে থাকার সুযোগ রয়েছে। যদিও ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে নানা মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ পাবেন।

নির্মাণের পর থেকে জায়গাীয় ভক্তবৃন্দের সহায়তায় ১৯৭১ সাল পর্যন্ত নিয়মিতভাবে পূজা-অর্চনা হয়ে আসছিল। শ্রী শ্রী কালভৈরব বিগ্রহ পাশাপাশি প্রাচীনতম এই মন্দিরে আরো আছে দেবী পার্বতী, শ্রী শ্রী কৈলাশ্বেশ্বর শিবলিঙ্গ, কালী মূর্তি, দূর্গামন্দির, সরস্বতী দেবী, শ্রী শ্রী কালভৈরব নাটমন্দির এবং দুইটি মঠ। ১৯০৫ সালে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ২৮ ফুট উচ্চতার কালভৈরব বা শিব মূর্তি ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বাধিক উচ্চতার মূর্তি হিসেবে গণ্য করা হয়।

হিন্দু দেবতা শ্রী শ্রী কালভৈরবের মূর্তি এই মন্দিরের প্রধান আকর্ষণ।

কোথায় থাকবেন

ঢাকা হতে চাইলে দিনে গিয়ে রাতের মধ্যে ধরন্তি হাওর দেখে ফিরে আসতে পারবেন। আর সরাইল বিশ্বরোডে সাধারণ মানের আবাসন সুবিধা রয়েছে।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকার সায়েদাবাদ কিংবা যাত্রাবাড়ি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটে চলাচলকারী বাসে চড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলাস্থ বিশ্বরোড আসা যায়।

সরাইল বিশ্বরোড এসে রিকশা বা সিএনজির মত জায়গাীয় পরিবহণে মেড্ডা অঞ্চলর রয়েছে কালভৈরব মন্দির যেতে পারবেন।

শ্রেণিভেদে ট্রেনের টিকেটের ভাড়া লাগবে জনপ্রতি ১৪৫ থেকে ৪৮৯ টাকা।

সবচেয়ে ভালো হয় ঢাকা হতে চট্টগ্রামগামী ট্রেনে সরাসরি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলওয়ে ষ্টেশনে চলে আসা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলওয়ে ষ্টেশন হতে মন্দিরে যাওয়ার লোকাল পরিবহণ পাবেন।

কোথায় থাকবেন?

ঢাকা হতে চাইলে দিনে গিয়ে রাতের মধ্যে ধরন্তি হাওর দেখে ফিরে আসতে পারবেন। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য উন্নত মানের হোটেলের সন্ধান পেতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরে আসতে হবে। এছাড়া নাসিরনগরে ডাক বাংলোতেও রাতে থাকার সুযোগ রয়েছে। আর সরাইল বিশ্বরোডে সাধারণ মানের আবাসন সুবিধা রয়েছে।

কোথায় খাবেন?

কালভৈরব মন্দির অঞ্চলয় তেমন ভাল খাবারের ব্যবস্থা নেই। যদিও ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে নানা মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ পাবেন।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

কালভৈরব মন্দির কীভাবে যাবেন?

ঢাকার সায়েদাবাদ কিংবা যাত্রাবাড়ি থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রুটে চলাচলকারী বাসে চড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলাস্থ বিশ্বরোড আসা যায়। সরাইল বিশ্বরোড এসে রিকশা বা সিএনজির মত জায়গাীয় পরিবহণে মেড্ডা অঞ্চলর রয়েছে কালভৈরব মন্দির যেতে পারবেন। শ্রেণিভেদে ট্রেনের টিকেটের ভাড়া লাগবে জনপ্রতি ১৪৫ থেকে ৪৮৯ টাকা। স

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

ঢাকা হতে চাইলে দিনে গিয়ে রাতের মধ্যে ধরন্তি হাওর দেখে ফিরে আসতে পারবেন। প্রয়োজনে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য উন্নত মানের হোটেলের সন্ধান পেতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরে আসতে হবে। এছাড়া নাসিরনগরে ডাক বাংলোতেও রাতে থাকার সুযোগ রয়েছে। আর সরাইল বিশ্বরোডে সাধারণ মানের আবাসন সুবিধা রয়েছে।

কালভৈরব মন্দির সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় রয়েছে কালভৈরব মন্দির (Sri Sri Kal Bhairab Temple) এক ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনার নাম। পরবর্তীতে ড. মহানামব্রত ব্রহ্মচারী মহারাজ ও জায়গাীয় মানুষের সহযোগিতায় আবারো ২৮ ফুট উঁচু শ্রী শ্রী কালভৈরব মূর্তি ও মন্দির পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। সবচেয়ে ভালো হয় ঢাকা হতে চট্টগ্রামগামী ট্রেনে সরাসর

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.