ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় রয়েছে বাংলাদেশ-ভারত বর্ডার হাট (Bangladesh-India Border Haat) দুই দেশের যৌথ মালিকানার ভিত্তিতে পরিচালিত একটা আন্তঃসীমান্ত বানিজ্য অঞ্চল। পাশাপাশি কসবা উপজেলায় খাওয়ার জন্য উন্নত মানের বেশ কিছু রেস্তোরা রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

বর্ডার হাট, কসবা সম্পর্কে
ঢাকা থেকে এক দিনের ট্যুরে কসবা বর্ডার হাট ঘুরে দেখে কাছেই রয়েছে আখাউরা ইন্ট্রিগ্রেট্রেড চেক পোস্টে চলে পৌঁছাতে পারবেন। কোথায় খাবেনবর্ডার হাটে যাওয়ার পথে খুচরা চা নাস্তার দোকান নজরে পড়বে। হাটে প্রবেশের জন্য বিজিবি সীমানায় নাম নিবন্ধন করে পরিচয় পত্র বা টোকেন নিতে ৩০ টাকা দিয়ে টিকেট কাটতে হয়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সোহাগ, তিশা, তিতাস, রয়েল কোচ, বিআরটিসি কিংবা সোহাগ পরিবহণের বাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌঁছানো যায়। সপ্তাহের একদিন নানা পণ্য কেনা-বেচার পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের জন্য একটা মিলন মেলা হিসেবে পরিচিত এই বর্ডার হাট। বর্ডার হাটে দোকানগুলোতে কসমেটিকস, কাপড়-চোপড়, শাক সবজি, ফলমূল, মশলা জাতীয় পণ্য, বনজ ও কুটির শিল্পে উৎপাদিত দ্রব্য, কৃষি পণ্য, চা, অ্যালুমিনিয়াম সামগ্রী, চকলেট, শুকনো খাবারসহ নানা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়বিক্রয় করা হয়।
উপস্থিত দর্শকদের প্যারেড দেখার জন্য বসার সু-ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রতি ছয় মাসে এই হাট থেকে প্রায় দুই কোটি থেকে আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় ও বাংলাদেশী পণ্য কেনাবেচা হয়ে থাকে। প্রতি হাটের জন্য শুধু ১০০০ টিকেট বরাদ্দ থাকে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর থেকে বাস/সিএনজি দিয়ে কসবা পৌরশহরে হয়ে পায়ে হেঁটে তাঁরাপুর সীমান্তের বর্ডার হাটে পৌঁছাতে পারবেন। কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘেরা সীমান্তবর্তী এই হাটের খোলা জায়গার একদিকে বাংলাদেশের ২৫টি ও বিপরীত পাশে ভারতের ২৫টি টিন শেডের দোকান রয়েছে। কোথায় থাকবেনব্রাহ্মণবাড়িয়ার সড়ক বাজার ও জগৎ বাজারে হোটেল সাগর, হোটেল সৈকত, হোটেল স্টার, আশিক প্লাজা, অবকাশ আবাসিক হোটেল, রহমান আবাসিক, চন্দ্রিমা প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
বর্ডার হাটে ভিসা বা পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্তবর্তী ৫ কিলোমিটার অঞ্চলর মানুষের প্রবেশের অনুমতি থাকলেও আশেপাশের নানা জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা ভারতীয় পণ্য ক্রয় করে থাকে। বর্ডার হাট সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শঅক্টোবর-মার্চ মাস প্রতি রবিবার এবং এপ্রিল-সেপ্টেবর মাস প্রতি মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বর্ডার হাট চালু থাকে। ২০১৫ সালে ১১ই জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তের ২০৩৯ নং পীলার সংলগ্ন তারাপুর-কমলাসাগর সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলয় বর্ডার হাটের উদ্বোধন করা হয়।
টিকেট সংগ্রহের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি বা জন্ম নিবন্ধন কার্ড প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ঢাকা বা কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনে কসবা রেলষ্টেশনে নেমে কয়েক মিনিট পায়ে হেঁটেই তারাপুর-কমলা সাগর সীমান্ত হাট যেতে পারবেন। বেলা ১১ টার আগে সীমান্ত হাট, উপজেলা পরিষদ ও বিজিবি ক্যাম্প থেকে টিকেট পাওয়ার সুযোগ আছে।
এখানে বিকেল বেলা দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মনোমুগ্ধকর প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। তাই সকাল সকাল টিকেট সংগ্রহ করার চেষ্টা করুন। মূলত বর্ডার হাটে বাংলাদেশের ১৫টি ও ভারতের ১৬টি নানা ধরণের পণ্যের কেনা-বেচা হয়।
বর্ডার হাটে সরকারী ভাবে দুইশত ডলার পর্যন্ত পণ্য কেনার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দর্শনীয় জায়গাব্রাহ্মণবাড়িয়ার দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে কালভৈরব মন্দির, কেল্লা জামে মাজার, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি, ধরন্তি হাওর, হরিপুর জমিদার বাড়ি ও ঘাগুটিয়ার পদ্মবিল অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সোহাগ, তিশা, তিতাস, রয়েল কোচ, বিআরটিসি কিংবা সোহাগ পরিবহণের বাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌঁছানো যায়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর থেকে বাস/সিএনজি দিয়ে কসবা পৌরশহরে হয়ে পায়ে হেঁটে তাঁরাপুর সীমান্তের বর্ডার হাটে পৌঁছাতে পারবেন।
তাছাড়া ঢাকা বা কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনে কসবা রেলষ্টেশনে নেমে কয়েক মিনিট পায়ে হেঁটেই তারাপুর-কমলা সাগর সীমান্ত হাট যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সড়ক বাজার ও জগৎ বাজারে হোটেল সাগর, হোটেল সৈকত, হোটেল স্টার, আশিক প্লাজা, অবকাশ আবাসিক হোটেল, রহমান আবাসিক, চন্দ্রিমা প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
বর্ডার হাটে যাওয়ার পথে খুচরা চা নাস্তার দোকান নজরে পড়বে। পাশাপাশি কসবা উপজেলায় খাওয়ার জন্য উন্নত মানের বেশ কিছু রেস্তোরা রয়েছে।
ট্রাভেল টিপস
অক্টোবর-মার্চ মাস প্রতি রবিবার এবং এপ্রিল-সেপ্টেবর মাস প্রতি মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বর্ডার হাট চালু থাকে। তাই সকাল সকাল টিকেট সংগ্রহ করার চেষ্টা করুন। ঢাকা থেকে এক দিনের ট্যুরে কসবা বর্ডার হাট ঘুরে দেখে কাছেই রয়েছে আখাউরা ইন্ট্রিগ্রেট্রেড চেক পোস্টে চলে পৌঁছাতে পারবেন। বেলা ১১ টার আগে সীমান্ত হাট, উপজেলা পরিষদ ও বিজিবি ক্যাম্প থেকে টিকেট পাওয়ার সুযোগ আছে। এখানে বিকেল বেলা দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মনোমুগ্ধকর প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। হাটে প্রবেশের জন্য বিজিবি সীমানায় নাম নিবন্ধন করে পরিচয় পত্র বা টোকেন নিতে ৩০ টাকা দিয়ে টিকেট কাটতে হয়। টিকেট সংগ্রহের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বর্ডার হাট, কসবা কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সোহাগ, তিশা, তিতাস, রয়েল কোচ, বিআরটিসি কিংবা সোহাগ পরিবহণের বাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌঁছানো যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহর থেকে বাস/সিএনজি দিয়ে কসবা পৌরশহরে হয়ে পায়ে হেঁটে তাঁরাপুর সীমান্তের বর্ডার হাটে পৌঁছাতে পারবেন। তাছাড়া ঢাকা বা কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনে কসবা রেলষ্টেশনে ন
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সড়ক বাজার ও জগৎ বাজারে হোটেল সাগর, হোটেল সৈকত, হোটেল স্টার, আশিক প্লাজা, অবকাশ আবাসিক হোটেল, রহমান আবাসিক, চন্দ্রিমা প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
বর্ডার হাট, কসবা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলায় রয়েছে বাংলাদেশ-ভারত বর্ডার হাট (Bangladesh-India Border Haat) দুই দেশের যৌথ মালিকানার ভিত্তিতে পরিচালিত একটা আন্তঃসীমান্ত বানিজ্য অঞ্চল। পাশাপাশি কসবা উপজেলায় খাওয়ার জন্য উন্নত মানের বেশ কিছু রেস্তোরা রয়েছে। ঢাকা থেকে এক দিনের ট্যুরে কসবা বর্ডার হাট ঘুরে দেখে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
