bangladesh · Editorial

রানী ময়নামতির প্রাসাদ

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পূর্ব পাশে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দূরে সৌন্দর্যমন্ডিত রানী ময়নামতির

Photograph · Collected for Tripzao Journal

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পূর্ব পাশে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দূরে সৌন্দর্যমন্ডিত রানী ময়নামতির প্রাসাদ (Palace of Queen Mainamati) রয়েছে। ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে কুমিল্লা যেতে পারবেন।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

রানী ময়নামতির প্রাসাদ

রানী ময়নামতির প্রাসাদ সম্পর্কে

ধারণা করা হয়, ময়নামতি ইউনিয়নের প্রত্নতাত্ত্বিক এই নিদর্শনটি ৮ম থেকে ১২শ শতকের এক প্রাচীন কীর্তি। এদের মধ্যে হোটেল সোনালী, হোটেল ভিক্টোরিয়া আবাসিক, আমানিয়া রেস্ট হাউজ, হোটেল ড্রিম ল্যান্ড, মাসুম রেস্ট হাউজ, হোটেল মেলোডি, হোটেল নূর অন্যতম। কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, উপকূল এক্সপ্রেস, তূর্ণা ও পাহারিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে কুমিল্লা পৌঁছানো যায় শ্রেণী ভেদে ঢাকা থেকে কুমিল্লা জনপ্রতি ভাড়া ১৭০-৭০২ টাকা।

কোথায় খাবেনরানী ময়নামতির প্রাসাদ যাওয়ার পথে মিয়ামি রিসোর্ট, জমজম হোটেল, হক ইন রেস্তোরাঁ ও পিসি রেস্তোরার মতো বেশকিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। বাস থেকে কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড বা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট গেইট নেমে অটোরিকশা দিয়ে ময়নামতি সাহেব বাজার অঞ্চলর কাছে রয়েছে রানী ময়নামতির প্রাসাদ যেতে পারবেন।

কীভাবে যাবেন

রানী ময়নামতির প্রাসাদে যেতে হলে প্রথমেই কুমিল্লা শহর আসতে হবে। বাসভেদে ভাড়া লাগবে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা। রাজধানীর সায়েদাবাদ বা কমলাপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে রয়্যাল কোচ, এশিয়া এয়ারকন, বিআরটিসি, প্রিন্স, এশিয়া লাইন, তৃষার মতো নন এসি বা এসি বাসে ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে পারবেন।

প্রতিবছর ৭ বৈশাখ এখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাসব্যাপী বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। যদিও অবশ্যই কুমিল্লার মনোহরপুরের মাতৃভাণ্ডারের সুপরিচিত রসমালাই ও রসগোল্লা, ভগবতীর পেড়া, মিঠাই এর মালাই চপ ও মাতৃভূমির মালাইকারির স্বাদ নিতে ভুলবেন না। কোথায় থাকবেনকুমিল্লার কান্দিরপাড়, শাসনগাছা ও ষ্টেশন রোড অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল রয়েছে।

প্রায় ১০ একর জায়গা জুড়ে লালমাই-ময়নামতি পাহাড়ের উত্তর প্রান্তে সমতল থেকে ১৫.২৪ মিটার উচ্চতায় একটা বিচ্ছিন্ন পাহাড়ের চূড়ার উপর রানী ময়নামতির প্রাসাদের অবজায়গা। দূর দূরান্ত থেকে অসংখ্য ভ্রমণকারী এই মেলায় ভিড় করেন। অথবা চট্টগ্রাম বা ফেনীগামী নানা বাসে কুমিল্লা যাওয়া যায়।

জায়গাীয়দের মতে, এই জায়গাতে একটা ক্রুশাকৃতির মন্দির ছিল, যা পরবর্তীতে সংস্কার করে ২য়, ৩য় ও ৪র্থ যুগে ক্রমান্বয়ে ছোট আকারের একটা পূর্বমুখী মন্দির বানানো হয়। দশম শতাব্দীতে চন্দ্র বংশীয় রাজা মানিক চন্দ্রের স্ত্রী ময়নামতির আরাম আয়েশের জন্য এই প্রাসাদ নির্মাণ করেন। তাছাড়া প্রাথমিকভাবে এখান থেকে নির্মাণ যুগের ৪টি স্থাপত্য, ৫১০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৫০০ ফুট আয়তনের বেষ্টনী প্রাচীর, পোড়ামাটির ফলক, মূল্যবান প্রত্নবস্তু ও অলংকৃত ইট আবিষ্কৃত হয়েছে।

১৯৮৮ সালে ভূমি সমতল থেকে ৩ মিটার গভীরে প্রাপ্ত একটা সুড়ঙ্গ পথের সামনে খননের মাধ্যমে এই প্রাসাদের সন্ধান পাওয়ার সুযোগ আছে। পাশাপাশি কুমিল্লা শহরে ইরিশ হিল হাইওয়ে হোটেল, সৌদিয়া হোটেল, ঝাল বাংলা রেস্তোরা, হোটেল ময়নামতি, উজান হাইওয়ে, আনোয়ার হোটেল, সাকিব হোটেল এবং লিজা হোটেল সহ নানা মানের অসংখ্য রেঁস্তোরা আছে। কুমিল্লার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা : কুমিল্লার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে ময়নামতির ওয়ার সিমেট্রি, শালবন বিহার, আনন্দ বিহার ও বার্ড উল্লেখযোগ্য।

কীভাবে যাবেন?

রানী ময়নামতির প্রাসাদে যেতে হলে প্রথমেই কুমিল্লা শহর আসতে হবে।

রাজধানীর সায়েদাবাদ বা কমলাপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে রয়্যাল কোচ, এশিয়া এয়ারকন, বিআরটিসি, প্রিন্স, এশিয়া লাইন, তৃষার মতো নন এসি বা এসি বাসে ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে পারবেন।

অথবা চট্টগ্রাম বা ফেনীগামী নানা বাসে কুমিল্লা যাওয়া যায়।

বাসভেদে ভাড়া লাগবে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা।

ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে কুমিল্লা যেতে পারবেন।

কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, উপকূল এক্সপ্রেস, তূর্ণা ও পাহারিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে কুমিল্লা পৌঁছানো যায় শ্রেণী ভেদে ঢাকা থেকে কুমিল্লা জনপ্রতি ভাড়া ১৭০-৭০২ টাকা।

কোথায় থাকবেন?

কুমিল্লার কান্দিরপাড়, শাসনগাছা ও ষ্টেশন রোড অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল সোনালী, হোটেল ভিক্টোরিয়া আবাসিক, আমানিয়া রেস্ট হাউজ, হোটেল ড্রিম ল্যান্ড, মাসুম রেস্ট হাউজ, হোটেল মেলোডি, হোটেল নূর অন্যতম।

কোথায় খাবেন?

রানী ময়নামতির প্রাসাদ যাওয়ার পথে মিয়ামি রিসোর্ট, জমজম হোটেল, হক ইন রেস্তোরাঁ ও পিসি রেস্তোরার মতো বেশকিছু রেস্তোরাঁ রয়েছে। পাশাপাশি কুমিল্লা শহরে ইরিশ হিল হাইওয়ে হোটেল, সৌদিয়া হোটেল, ঝাল বাংলা রেস্তোরা, হোটেল ময়নামতি, উজান হাইওয়ে, আনোয়ার হোটেল, সাকিব হোটেল এবং লিজা হোটেল সহ নানা মানের অসংখ্য রেঁস্তোরা আছে। যদিও অবশ্যই কুমিল্লার মনোহরপুরের মাতৃভাণ্ডারের সুপরিচিত রসমালাই ও রসগোল্লা, ভগবতীর পেড়া, মিঠাই এর মালাই চপ ও মাতৃভূমির মালাইকারির স্বাদ নিতে ভুলবেন না। কুমিল্লার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা : কুমিল্লার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে ময়নামতির ওয়ার সিমেট্রি, শালবন বিহার, আনন্দ বিহার ও বার্ড উল্লেখযোগ্য।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

রানী ময়নামতির প্রাসাদ কীভাবে যাবেন?

রানী ময়নামতির প্রাসাদে যেতে হলে প্রথমেই কুমিল্লা শহর আসতে হবে। রাজধানীর সায়েদাবাদ বা কমলাপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে রয়্যাল কোচ, এশিয়া এয়ারকন, বিআরটিসি, প্রিন্স, এশিয়া লাইন, তৃষার মতো নন এসি বা এসি বাসে ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে পারবেন। অথবা চট্টগ্রাম বা ফেনীগামী নানা বাসে কুমিল্লা যাওয়া যায়। বাসভেদ

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

কুমিল্লার কান্দিরপাড়, শাসনগাছা ও ষ্টেশন রোড অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল সোনালী, হোটেল ভিক্টোরিয়া আবাসিক, আমানিয়া রেস্ট হাউজ, হোটেল ড্রিম ল্যান্ড, মাসুম রেস্ট হাউজ, হোটেল মেলোডি, হোটেল নূর অন্যতম।

রানী ময়নামতির প্রাসাদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলায় কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের পূর্ব পাশে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দূরে সৌন্দর্যমন্ডিত রানী ময়নামতির প্রাসাদ (Palace of Queen Mainamati) রয়েছে। ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে কুমিল্লা যেতে পারবেন। ধারণা করা হয়, ময়নামতি ইউনিয়নের প্রত্নতাত্ত্বিক এই নিদর্শনট

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.