বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও রাজনীতির সাথে যে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত — সেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস শুধু পড়াশোনার জায়গা নয়, ঢাকায় আসলে এটি অবশ্যই দেখার তালিকায় থাকা উচিত।
- জেলা: ঢাকা
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ
- অবস্থান: শাহবাগ, রমনা এলাকা
- প্রবেশ: সাধারণত উন্মুক্ত
- আয়তন: প্রায় ৬০০ একর
- ধরন: ঐতিহাসিক ক্যাম্পাস / স্থাপত্য
কেন যাবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের প্রতিটি জাতীয় আন্দোলনের সূতিকাগার। ক্যাম্পাসে রয়েছে ঐতিহাসিক কার্জন হল, শহীদ মিনার, অপরাজেয় বাংলা, তিন নেতার মাজার, মুসা খান মসজিদ ও গুরুদুয়ারা নানকশাহী।
কীভাবে যাবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
মেট্রোরেলে শাহবাগ বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে নামুন — ক্যাম্পাস হেঁটেই যাওয়া যায়।
ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শাহবাগগামী বাসে আসুন। শাহবাগ থেকে ক্যাম্পাস হেঁটে বা রিকশায়।
Uber বা Pathao তে Dhaka University, Shahbag লিখুন।
কী দেখবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
কার্জন হলের লাল ইটের ইন্দো-সারাসেনিক স্থাপত্য, শহীদ মিনারের গৌরবময় উপস্থিতি, অপরাজেয় বাংলার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গুরুদুয়ারা নানকশাহীর ধর্মীয় ঐতিহ্য — সব মিলিয়ে পুরো ক্যাম্পাসটি একটি উন্মুক্ত জাদুঘর। মধুর ক্যান্টিনের আড্ডা ও টিএসসির পরিবেশও আলাদা আকর্ষণ।
কোথায় খাবেন
মধুর ক্যান্টিন, টিএসসি ক্যাফেটেরিয়া, ডাকসু ভবন ও হাকিম চত্বরের চায়ের দোকানে সাশ্রয়ী মূল্যে ভালো খাবার পাবেন। শাহবাগ এলাকায়ও বিভিন্ন মানের রেস্তোরাঁ আছে।
কোথায় থাকবেন
শাহবাগ / নিউমার্কেট হোটেল
৳৮০০–৳২,৫০০/রাত
পান্থপথ / ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকা
৳২,০০০–৳৮,০০০/রাত
বাজেট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো ক্যাম্পাস একদিনে ঘুরতে সকালে বের হন। কার্জন হল → শহীদ মিনার → অপরাজেয় বাংলা → মুসা খান মসজিদ → তিন নেতার মাজার — এই রুটেই সব হয়ে যায়।
সস্তায় ঢাকা যাওয়ার ফ্লাইট খুঁজতে Tripzao এ সার্চ করুন — multi-city route এ আরও সাশ্রয় হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল কি দেখা যায়?
হ্যাঁ — কার্জন হলের বাইরের অংশ সবার জন্য উন্মুক্ত। ভেতরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রবেশাধিকার থাকে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কতগুলো ঐতিহাসিক স্থাপনা আছে?
কার্জন হল, শহীদ মিনার, অপরাজেয় বাংলা, মুসা খান মসজিদ, তিন নেতার মাজার, গুরুদুয়ারা নানকশাহী সহ অনেক।
মধুর ক্যান্টিন কি সবার জন্য উন্মুক্ত?
হ্যাঁ — মধুর ক্যান্টিন বাইরের দর্শনার্থীদের জন্যও উন্মুক্ত। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এই ক্যান্টিনে একবার চা খেয়ে দেখুন।