পাহাড়ী সৌন্দর্যের শহর খাগড়াছড়ি জেলার জিরো পয়েন্ট থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে নির্মিত সবুজ বেষ্টনীতে ঘেরা মনোমুগ্ধকর চমৎকার আবহে হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্ক (Horticulture Heritage Park) শহরের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে সুপরিচিত। খাগড়াছড়ি শহর পৌঁছে রিকশা নিয়ে হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্কে পৌঁছানো যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। পার্কে জনপ্রতি প্রবেশ টিকেট মূল্য ৪০ টাকা।

হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্ক সম্পর্কে
কোথায় খাবেনহর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্কের ভিতরের ফুড জোনে ঐতিহ্যবাহী বিচিত্র ধরনের খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে। পার্কের লেকের পাড়ে গড়ে উঠেছে পাহাড়ি উপজাতিদের হাতে তৈরি নানা জিনিসের দোকান। তাছাড়া খাগড়াছড়ির শাপলা চত্বর, বাস স্ট্যান্ড ও পান্থাই পাড়ায় কয়েকটি খাবারের রেস্তোরাঁ আছে।
পার্কে জনপ্রতি প্রবেশ টিকেট মূল্য ৪০ টাকা। হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্কের অভ্যন্তরে আছে চমৎকার ঝুলন্ত সেতু, সুইমিং পুল, কৃত্রিম হৃদ, দোলনা, টয় ট্রেন, কিডস জোন, বোট রাইডিং, হর্স রাইডিং এবং বসার ব্যবস্থা সহ নানা প্রজাতির গাছ-গাছালীতে ঘেরা ফুলের বাগান। কোথায় থাকবেনখাগড়াছড়িতে পর্যটন মোটেল, হোটেল ইকো ছড়ি ইন, শৈল সুবর্ন, হোটেল হিল টাচ, হোটেল মাউন্ট ইন, হোটেল নূর, গাংচিল আবাসিক ও অরণ্য বিলাসের মতো ভালমানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে।
প্রায় ২২ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত পার্কের কটেজ ও গেটসহ প্রতিটি স্থাপনার বর্ণিল নকশা ভ্রমণকারীদের আকৃষ্ট করে। সুযোগ থাকলে অবশ্যই খাগড়াছড়ির পরিচিত হাঁসের কালাভুনা, বাশকুড়ুল সহ ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ী খাবারের স্বাদ নিতে ভুলবেন না। খাগড়াছড়ি জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাহর্টিকালচার পার্কের পাশেই রয়েছে অপরাজিতা বৌদ্ধ বিহার।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলী, সায়েদাবাদ, উত্তরা এবং আরামবাগ থেকে সেন্টমার্টিন হুন্দাই, শান্তি, শ্যামলী, হানিফ, ইকোনো, রিলেক্স এবং ঈগল পরিবহনের নানা বাস খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে চলাচল করে। তাছাড়া আরও আছে পিকনিক স্পট, গেস্ট হাউজ, বার্ডস পার্ক ও অবজারভেশন টাওয়ার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের উন্মুক্ত মঞ্চ। প্রবেশমূল্য ও সময়সূচীহর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
আবার চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে শান্তি বা অন্যান্য খাগড়াছড়িগামী বাসে সরাসরি হর্টিকালচার পার্কের সামনে নামা যায়। খাগড়াছড়ির সিস্টেম রেস্তোরা, পেডা টিং টিং, গাং সাবারং, পাজন ও চিম্বাল রেস্তোরাঁের খাবার বেশ পরিচিত। ছুটির দিনে পরিবার বা বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে সময় কাটাতে অসংখ্য বিনোদনপ্রেমী এখানে ছুটে আসেন।
তাছাড়া খাগড়াছড়ির অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে রিসাং ঝর্ণা, আলুটিলা গুহা, হাতিমাথা ও নিউজিল্যান্ড পাড়া উল্লেখযোগ্য।
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। পার্কে জনপ্রতি প্রবেশ টিকেট মূল্য ৪০ টাকা।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী, সায়েদাবাদ, উত্তরা এবং আরামবাগ থেকে সেন্টমার্টিন হুন্দাই, শান্তি, শ্যামলী, হানিফ, ইকোনো, রিলেক্স এবং ঈগল পরিবহনের নানা বাস খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে চলাচল করে।
খাগড়াছড়ি শহর পৌঁছে রিকশা নিয়ে হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্কে পৌঁছানো যায়।
আবার চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে শান্তি বা অন্যান্য খাগড়াছড়িগামী বাসে সরাসরি হর্টিকালচার পার্কের সামনে নামা যায়।
কোথায় থাকবেন?
খাগড়াছড়িতে পর্যটন মোটেল, হোটেল ইকো ছড়ি ইন, শৈল সুবর্ন, হোটেল হিল টাচ, হোটেল মাউন্ট ইন, হোটেল নূর, গাংচিল আবাসিক ও অরণ্য বিলাসের মতো ভালমানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্কের ভিতরের ফুড জোনে ঐতিহ্যবাহী বিচিত্র ধরনের খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে। খাগড়াছড়ির সিস্টেম রেস্তোরা, পেডা টিং টিং, গাং সাবারং, পাজন ও চিম্বাল রেস্তোরাঁের খাবার বেশ পরিচিত। তাছাড়া খাগড়াছড়ির শাপলা চত্বর, বাস স্ট্যান্ড ও পান্থাই পাড়ায় কয়েকটি খাবারের রেস্তোরাঁ আছে। সুযোগ থাকলে অবশ্যই খাগড়াছড়ির পরিচিত হাঁসের কালাভুনা, বাশকুড়ুল সহ ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ী খাবারের স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্ক-এ প্রবেশ মূল্য কত?
হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। পার্কে জনপ্রতি প্রবেশ টিকেট মূল্য ৪০ টাকা।
হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্ক কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী, সায়েদাবাদ, উত্তরা এবং আরামবাগ থেকে সেন্টমার্টিন হুন্দাই, শান্তি, শ্যামলী, হানিফ, ইকোনো, রিলেক্স এবং ঈগল পরিবহনের নানা বাস খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে চলাচল করে। খাগড়াছড়ি শহর পৌঁছে রিকশা নিয়ে হর্টিকালচার হ্যারিটেজ পার্কে পৌঁছানো যায়। আবার চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে শান্তি বা অন্য
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
খাগড়াছড়িতে পর্যটন মোটেল, হোটেল ইকো ছড়ি ইন, শৈল সুবর্ন, হোটেল হিল টাচ, হোটেল মাউন্ট ইন, হোটেল নূর, গাংচিল আবাসিক ও অরণ্য বিলাসের মতো ভালমানের আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
