স্বর্ণ মন্দির বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে বালাঘাটা অঞ্চলয় রয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা পর আর মন্দিরে ঢোকা যায় না।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

স্বর্ণ মন্দির সম্পর্কে
এই প্যাগোডার নির্মাণশৈলী মায়ানমার, চীন ও থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ টেম্পল গুলোর অনুকরণে তৈরী। সিজন (ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারী) ও সরকারি ছুটির দিনে দর্শনার্থীের সমাগম বেশি হয় বলে ভাড়া কম বেশি হতে পারে। পরামর্শবিকেল বেলা স্বর্ণমন্দির ভ্রমণের উপযুক্ত সময়।
হোটেল হিলটন: বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর কাছেই। এই মন্দিরটি প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। প্যাগোডাটি পূজারীদের জন্য সারাদিন খোলা থাকে।
শুধু স্বর্ণমন্দির যাওয়া আসার জন্যে ৩০০-৭০০ টাকা নিবে। শহর থেকে ৪ কি:মি: দুরে মেঘলায় রয়েছে। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা।
ট্রেনে যেতে চাইলে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম গামী সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর গোধূলি এইসব ট্রেনে করে চট্রগ্রাম যেতে পারবেন। মন্দিরের অভ্যন্তরে জুতা নিয়ে ঢোকা নিষেধ। রিভার ভিউ: শহরের সাঙ্গু নদীর তীর ঘেষে হোটেলটির অবজায়গা।
কোথায় থাকবেন
বান্দরবানে অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটেল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে। শ্রেনীভেদে ভাড়া ৪০৫ থেকে ১৩৯৮ টাকা। যেগুলোতে ৬০০ থেকে ৩০০০ টাকায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া যথাক্রমে নন এসি ৮০০-৯০০ টাকা ও এসি ১২০০-১৮০০ টাকা। চট্টগ্রামের বদ্দারহাট থেকে পূবালী ও পূর্বানী নামের দুটি বাদ বান্দারবানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবান যেতে সময় লাগে ৮-১০ ঘন্টা।
ভাড়া ৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা। গৌতমবুদ্ধের সমসাময়িক কালে নির্মিত বৌদ্ধ মুর্তির একটা এখানে স্থাপন করা হয়েছে। তাই ভ্রমন করার সময় বিষয়টি মনে রাখুন।
দাম ঠিক করার আগে কি দেখবেন কোথায় যাবেন ভালো করে বলে নিবেন আর দরদাম করে নিবেন।
কোথায় খাবেন
দর্শনার্থীদের খাবার জন্য বান্দরবান শহরে মাঝারি মানের বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। নীলাচল, মেঘলা, স্বর্ণমন্দির এই গুলো ঘুরে দেখার জন্যে জীপ (৬-৮ সিট) ভাড়া নিবে ১০০০-১২০০ টাকা, চান্দের গাড়ি ভাড়া নিবে ১২০০-১৫০০টাকা, সিএনজি ভাড়া নিবে ৫০০-৮০০ টাকা। হোটেল হিল ভিউ: বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই।
প্রতিবছর নির্দৃষ্ট সময়ে এখানে মেলা বসে। স্বর্ণমন্দির নাম হলেও এখানে স্বর্ণ দিয়ে তৈরি কোন স্থাপনা নেই। পর্যটন মোটেল: পাহাড় ও লেকের পাশেই রয়েছে।
এই প্যাগোডা দক্ষিন পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য বৌদ্ধ স্থাপনার মধ্যে অন্যতম উপাশনালয়। বান্দরবান থেকে স্বর্ণ মন্দির যাবার উপায় বান্দরবান থেকে সিএনজি অটোরিক্সা বা চান্দেরগাড়ী/জীপ ভাড়া করে স্বর্ণমন্দির যেতে পারবেন। গাড়ি নিয়ে স্বর্ণমন্দির যেতে রাস্তায় আপনাকে ২০-৩০ টাকা টোল দিতে হবে, আর স্বর্ণমন্দিরে ভেতরে যেতে জনপ্রতি ২০ টাকা ফি লাগবে।
এই প্যাগোডা আধুনিক ধর্মীয় স্থাপত্যের এক উজ্জ্বল নিদর্শন। দেশ বিদেশ থেকে অসংখ্য বৌদ্ধ ধর্মালম্বী এই স্বর্ণমন্দির দেখতে এবং প্রার্থনা করতে আসেন। সেগুলো থেকে নিজের পছন্দ মত হোটেলে তিন বেলার খাবার খেয়ে নিতে পারেন।
এছাড়া ঢাকা থেকে আকাশ পথে সরাসরি চট্রগ্রাম আসতে পারবেন। চট্রগ্রামের ধামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে ২০০-৩০০ টাকা ভাড়ায় বাসে করে বান্দরবান আসতে পারবেন। অফসিজনে গেলে ২০-৫০% ডিসকাউন্ট থাকে।
স্বর্ণ মন্দির ভিডিও
কীভাবে যাবেন
ঢাকার আব্দুল্লাহপুর, আরামবাগ, কল্যাণপুর, গাবতলী ও সায়েদাবাদ থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। পাহাড়ের চূড়ায় তৈরী এ সুদৃশ্য প্যাগোডা বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের পবিত্র একটা তীর্থজায়গা। তবুও মন্দিরে সোনালি রঙের আধিক্যের জন্য এটি স্বর্ণমন্দির হিসাবে পরিচিত।
এই স্বর্ণ মন্দিরটি মহাসুখ মন্দির বা বৌদ্ধ ধাতু জাদী নামেও সমানভাবে পরিচিত। শর্ট প্যান্ট বা লুঙ্গি পড়ে মন্দিরে প্রবেশ নিষেধ। কিছুদিন আগে ভ্রমণকারীদের জন্যে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এখন ভ্রমণকারীদের জন্যে স্বর্ণমন্দির উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
হোটেল প্লাজা: বাস স্ট্যান্ড থেকে ৫মিনিট হাঁটা দূরত্বে। মনে রাখা ভালো কোন সময়ে যাচ্ছেন তার উপর ভাড়া নির্ভর করবে। পাহাড়ের উপর দেবতা পুকুর নামে একটা পানি সম্বলিত ছোট পুকুর আছে।
এ দুটি বাসে জনপ্রতি ২২০ টাকা ভাড়া লাগে। ভাড়া ৬০০ থেকে ২০০০ টাকা। তার মধ্যে তাজিং ডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্তোরাঁ, রুপসী বাংলা রেস্তোরাঁ, রী সং সং, কলাপাতা রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।
স্বর্ণমন্দিরটি এখন বান্দরবান জেলার অন্যতম পর্যটন জায়গা হিসাবে জায়গা করে নিয়েছে। যদিও প্রায়ই দর্শনার্থীগন বান্দরবানের আশেপাশে আরও দর্শনীয় জায়গা যেমন নীলগিরি, নীলাচল, চিম্বুক, শৈলপ্রপাত, মেঘলা ইত্যাদি এইসব জায়গা দেখা সহ গাড়ি রিজার্ভ নেয়। আপনি আপনার সময় ও কি কি দেখবেন সেই ইচ্ছে অনুযায়ী ভ্রমণ পরিকল্পনা করে পছন্দমত গাড়ি রিজার্ভ করে নিতে পারবেন।
বিকেলের সূর্যের আলোতে মন্দির অদ্ভুত চমৎকার রূপ ধারন করে। ভাড়া ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা। আর আপনি সিজন ও ছুটির দিনে যান তাহলে ঝামেলা এড়াতে আগে থেকেই হোটেল রুম বুকিং করে রাখতে পারেন।
ভাড়া ৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা। এছাড়া অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে যেগুলোতে ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় সহজেই রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। মন্দিরে প্রবেশের আগে ও পরে ভিক্ষুদের আদব কায়দা মেনে চলুন।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার আব্দুল্লাহপুর, আরামবাগ, কল্যাণপুর, গাবতলী ও সায়েদাবাদ থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
বান্দরবান থেকে স্বর্ণ মন্দির যাবার উপায় বান্দরবান থেকে সিএনজি অটোরিক্সা বা চান্দেরগাড়ী/জীপ ভাড়া করে স্বর্ণমন্দির যেতে পারবেন।
ট্রেনে যেতে চাইলে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম গামী সোনার বাংলা, সুবর্ণ এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশিতা, মহানগর গোধূলি এইসব ট্রেনে করে চট্রগ্রাম যেতে পারবেন।
যদিও প্রায়ই দর্শনার্থীগন বান্দরবানের আশেপাশে আরও দর্শনীয় জায়গা যেমন নীলগিরি, নীলাচল, চিম্বুক, শৈলপ্রপাত, মেঘলা ইত্যাদি এইসব জায়গা দেখা সহ গাড়ি রিজার্ভ নেয়।
এছাড়া ঢাকা থেকে আকাশ পথে সরাসরি চট্রগ্রাম আসতে পারবেন।
আপনি আপনার সময় ও কি কি দেখবেন সেই ইচ্ছে অনুযায়ী ভ্রমণ পরিকল্পনা করে পছন্দমত গাড়ি রিজার্ভ করে নিতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
বান্দরবানে অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটেল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে। হোটেল হিল ভিউ: বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই। রিভার ভিউ: শহরের সাঙ্গু নদীর তীর ঘেষে হোটেলটির অবজায়গা। যেগুলোতে ৬০০ থেকে ৩০০০ টাকায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। পর্যটন মোটেল: পাহাড় ও লেকের পাশেই রয়েছে। মনে রাখা ভালো কোন সময়ে যাচ্ছেন তার উপর ভাড়া নির্ভর করবে। ভাড়া ৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা। ভাড়া ৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা। আর আপনি সিজন ও ছুটির দিনে যান তাহলে ঝামেলা এড়াতে আগে থেকেই হোটেল রুম বুকিং করে রাখতে পারেন। অফসিজনে গেলে ২০-৫০% ডিসকাউন্ট থাকে। হোটেল প্লাজা: বাস স্ট্যান্ড থেকে ৫মিনিট হাঁটা দূরত্বে। ভাড়া ৬০০ থেকে ২০০০ টাকা। হোটেল হিলটন: বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর কাছেই। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা। ভাড়া ৮০০ থেকে ২৫০০ টাকা। শহর থেকে ৪ কি:মি: দুরে মেঘলায় রয়েছে। সিজন (ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারী) ও সরকারি ছুটির দিনে দর্শনার্থীের সমাগম বেশি হয় বলে ভাড়া কম বেশি হতে পারে। এছাড়া অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে যেগুলোতে ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় সহজেই রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
দর্শনার্থীদের খাবার জন্য বান্দরবান শহরে মাঝারি মানের বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। সেগুলো থেকে নিজের পছন্দ মত হোটেলে তিন বেলার খাবার খেয়ে নিতে পারেন। তার মধ্যে তাজিং ডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্তোরাঁ, রুপসী বাংলা রেস্তোরাঁ, রী সং সং, কলাপাতা রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।
ট্রাভেল টিপস
বিকেল বেলা স্বর্ণমন্দির ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। শর্ট প্যান্ট বা লুঙ্গি পড়ে মন্দিরে প্রবেশ নিষেধ। সন্ধ্যা ৬টা পর আর মন্দিরে ঢোকা যায় না। মন্দিরের অভ্যন্তরে জুতা নিয়ে ঢোকা নিষেধ। বিকেলের সূর্যের আলোতে মন্দির অদ্ভুত চমৎকার রূপ ধারন করে। তাই ভ্রমন করার সময় বিষয়টি মনে রাখুন। মন্দিরে প্রবেশের আগে ও পরে ভিক্ষুদের আদব কায়দা মেনে চলুন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
স্বর্ণ মন্দির কীভাবে যাবেন?
ঢাকার আব্দুল্লাহপুর, আরামবাগ, কল্যাণপুর, গাবতলী ও সায়েদাবাদ থেকে এস. আলম, সৌদিয়া, সেন্টমার্টিন পরিবহন, ইউনিক, হানিফ, শ্যামলি, ডলফিন ইত্যাদি পরিবহনের বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বান্দরবান থেকে স্বর্ণ মন্দির যাবার উপায় বান্দরবান থেকে সিএনজি অটোরিক্সা বা চান্দেরগাড়ী/জীপ ভাড়া করে স্বর্ণমন্দির য
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
বান্দরবানে অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, মোটেল এবং রেস্টহাউজ রয়েছে। হোটেল হিল ভিউ: বান্দরবান শহরের বাস স্ট্যান্ড এর পাশেই। রিভার ভিউ: শহরের সাঙ্গু নদীর তীর ঘেষে হোটেলটির অবজায়গা। যেগুলোতে ৬০০ থেকে ৩০০০ টাকায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। পর্যটন মোটেল: পাহাড় ও লেকের পাশেই রয়েছে। মনে রাখা ভালো কোন
স্বর্ণ মন্দির সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
স্বর্ণ মন্দির বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে বালাঘাটা অঞ্চলয় রয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা পর আর মন্দিরে ঢোকা যায় না। এই প্যাগোডার নির্মাণশৈলী মায়ানমার, চীন ও থাইল্যান্ডের বৌদ্ধ টেম্পল গুলোর অনুকরণে তৈরী।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

