নীলগিরি (Nilgiri) কে বলা হয় বাংলার দার্জিলিং। আপনার ঘুরে বেড়ানোকে সহজ ও আনন্দময় করে তোলার জন্যেই পড়ুন নীলগিরি নিয়ে সকল তথ্যের এই ভ্রমণ গাইড।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

নীলগিরি সম্পর্কে
নীলগিরি প্রবেশ টিকেটনীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ টিকেট মূল্য জনপ্রতি ১০০ টাকা। শৈল প্রপাত ঝর্ণায় নামার সময় সাবধান থাকুক, পাথুরে পথ বহু পিচ্ছিল। থানচি বাস স্ট্যান্ড থেকে ১ ঘন্টা পর পর থানচির উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যায়, ভাড়া ১২০ টাকা।
সে এক দেখার মত দৃশ্য। শীতে কুয়াশার চাদরে মুড়ে থাকে চারপাশ। যদিও বর্ষায় অতি বৃষ্টি হলে পাহাড় ধ্বসের আশংকা থাকে তখন বহু সময় নীলগিরি যাবার রাস্তা বন্ধ থাকে।
আদীবাসিদের অসম্মান হয় এমন কিছু দয়া করে করবেন না। চান্দের গাড়িতে ছাঁদে চড়বেন না। আগেই চমৎকার করে প্ল্যান করে নিলে নীলগিরির পাশাপাশি এই জায়গা গুলোও ঘুরে দেখতে পারেন।
ভ্রমণ পরিকল্পনানীলগিরি যাবার পথেই মিলনছড়ি ভিউ পয়েন্ট, শৈল প্রপাত ঝর্ণা, সাইরু হিল রিসোর্ট, চিম্বুক পর্যটন কেন্দ্র, টাইটানিক ভিউ পয়েন্ট, ডাবল হ্যান্ড ভিউ পয়েন্ট পার হয়ে রওনা দিতে হবে। আরও জানতে পড়ুনঃ বান্দরবানের সেরা হোটেল ও রিসোর্টমনে রাখা ভালো হোটেল ও রিসোর্ট গুলোর ভাড়া কোন সময়ে যাচ্ছেন তার উপর ভাড়া নির্ভর করবে। তাই মেঘ দেখার ইচ্ছে থাকলে সকালে সরাসরি নীলগিরি গিয়ে আগে ঘুরে নিয়ে তারপর ফিরে আসার পথে বাকি স্পট গুলোতে সময় দিতে পারেন।
যদি দিনে গিয়ে দিনে ফিরে আসতে চান তাহলে বান্দরবান জীপ স্টেশন থেকে নানা গাড়ি অনুযায়ী ৩৭০০-৫০০০ টাকা ভাড়ায় যাওয়া আসা সহ গাড়ি ঠিক করে নিতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় রিজার্ভ গাড়ি নিয়ে গেলে। সদস্য সংখ্যা কম হলে কিংবা কম খরচে যেতে চাইলে লোকাল বাসে পৌঁছাতে পারবেন, যদিও এতে সময় লাগবে বেশি।
আবার উল্টোটাও করতে পারেন যদি প্ল্যান থাকে বিকেল বেলা নীলগিরিতে সময় কাটাবেন তাহলে যাবার পথেই শৈলপ্রপাত ঝর্ণা ও চিম্বুক পর্যটন কেন্দ্রে কিছু সময় পার করে তারপর নীলগিরি যাবেন। প্রয়োজনে দরদাম করে নিবেন। মেঘ ভালো দেখা যায় খুব সকালে, আর সেটা নীলগিরি থেকে খুব ভালো দেখা যায়।
যদি সম্ভব হয় নীলগিরিতে এক রাত থাকবেন, আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নীলগিরিতে যদি মেঘের দেখা পেতে চান তাহলে আপনাকে খুব ভোরে রওনা দিতে হবে, যেন ৭-৮ টার ভিতর নীলগিরি থাকতে পারেন। ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারী ও সরকারি ছুটির দিনে দর্শনার্থীের সমাগম বেশি হয় বলে ভাড়া কম বেশি হতে পারে।
সকালে মেঘের ভেলার খেলা, সূর্যোদয়ের আলোর খেলা। নীলগিরি হিল রিসোর্ট সবার কাছে আকর্ষনীয় হওয়ায় প্রায়ই মাসখানেক আগে বুকিং না দিলে রুম পাওয়া যায় না, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে পূর্ব বুকিং ছাড়া রুম পাওয়া প্রায় অসম্ভব। নীলগিরি যাওয়ার পথে নিরাপত্তার জনিত কারণে সেনা চেকপোষ্টে দর্শনার্থীদের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ করতে হয়।
ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবান যেতে সময় লাগে প্রায় ৮-১০ ঘন্টা। যদিও আপনি চাইলে অন্য কোন গ্রুপ নীলগিরি যাবে তাদের সাথে যোগ হয়ে পৌঁছাতে পারবেন ভাড়া শেয়ার করে। শরৎ আর হেমন্তের মেঘ আর নীল আকাশ মিলেমিশে একাকার হয়ে থাকে।
বাসে জনপ্রতি ১৮০ টাকা ভাড়া লাগে। চিম্বুক পাহাড়শৈল প্রপাতমেঘলা পর্যটন কেন্দ্রনীলাচলডাবল হ্যান্ড ভিউটাইটানিক ভিউ পয়েন্টনীল দিগন্তে ভিউ পয়েন্টস্বর্ণমন্দিরবগালেকথানচিতমা তুঙ্গীতিন্দুরেমাক্রিনীলগিরি ভ্রমণ টিপসগাড়ি ঠিক করার জন্যে সরাসরি জীপ স্ট্যান্ডে কথা বলবেন। অযথা কোন ঝুঁকি নিতে যাবেন না।
হোটেল খরচ কমাতে অফসিজনে গেলে ভাড়া গুলোর উপর ২০-৫০% ডিসকাউন্ট পাবেন। এছাড়া প্রাইভেট কারে যেতে পারবেন বান্দরবান। রুম গুলোর ভাড়া ৩০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।
একেক সময়ে একেক রূপের আঁধার নীলগিরি। যেহেতু সেদিকে খাওয়ার সুযোগ কম তাই সাথে কিছু শুকনো খাবার রাখতে পারেন। অথবা ফিরে এসে বান্দরবান শহরে খেয়ে নিতে হবে।
চট্টগ্রামের বদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে বান্দারবান যাওয়ার বাস পাওয়া যায়। বান্দরবানে থাকার জন্যে বেশ কিছু হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। প্রায়ই বিকেল ৫ টার পর থেকে নীলগিরির উদ্দেশে আর কোন গাড়ীকে যেতে দেয়া হয় না তাই ভ্রমণের পূর্বে সময়ের দিকে খেয়াল রাখুন।
তাই নীলগিরি যেতে পারবেন যে কোন সময়ই। চাঁন্দের গাড়ী গুলোতে ১২-১৪ জন যেতে পারবেন, ল্যান্ডক্রুজার টাইপ জীপ গুলোতে ৭-৮ জন যেতে পারবেন, ছোট জীপ আছে সেগুলোতে ৪-৫ জন থেকে পারবেন আর অটোরিকশায় ৩-৪ জন। বান্দরবান শহর ও তার আশেপাশেই হোটেল ও রিসোর্ট গুলোর অবজায়গা।
বেশি মানুষ হলে আগেই অর্ডার করতে হবে। এছাড়া চিম্বুকের সামনে কিছু ছোট রেস্তোরাঁ আছে, সেখানে খাওয়ার সুযোগ আছে। রাস্তায় কোন সমস্যা না থাকলে বান্দরবান থেকে সরাসরি নীলগিরি যেতে সময় লাগবে দুই ঘন্টার মত।
বেশ কয়েকটি নানা মানের কটেজ রুম আছে। যদি সমুদ্র পৃষ্ট থেকে ২২০০ ফুট উচ্চতায় মেঘ ছোঁয়ার ইচ্ছে থাকে তাহলে নীলগিরি আপনার সেই ইচ্ছে পূরণ করবে। আর এই জন্যে নীলগিরিতে খুব সকালে রওনা দিতে হবে।
বান্দরবান শহরের কাছে জনপ্রিয় টুরিস্ট প্লেস গুলো কীভাবে ঘুরে দেখবেন তার জন্যে পড়ুন বান্দরবান ট্যুর প্ল্যান গাইড। যোগাযোগ: 01769-299999এছাড়া বেশীরভাগ দর্শনার্থী বান্দরবান থেকে নীলগিরি দিনে গিয়ে দিনেই বান্দরবান ফিরে আসেন। গাড়ির ধরণ অনুযায়ী পার্কিং ফি ৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত।
চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান রওনা দিতে হবে। বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে নীলগিরি অবজায়গা। এতে করে আপনি আশেপাশের আরও কিছু জায়গায় ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে।
কোথায় থাকবেন
নীলগিরিতে বাংলাদেশ সেনবাহিনী নিয়ন্ত্রিত নীলগিরি রিসোর্টে রাতে আবাসন সুবিধা আছে।
কোথায় খাবেন
নীলগিরিতে একটা রেস্তোরাঁ রয়েছে, খিদে পেলে পেট ভরে সেখান থেকে খেয়ে নিতে পারেন। এখানে দীগন্ত জুড়ে সবুজ পাহাড় আর মেঘের লুকোচুরি যে কাউকে এর রূপ দিয়ে বিমোহিত করে রাখবে। সাথে করে জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি রাখুন সবসময়।
প্রায়ই বর্ষা, শরৎ ও হেমন্তে মেঘের ভেলার লুকোচুরি খেলা প্রত্যক্ষ করা যায় চমৎকার করে। ট্রেনে যেতে চাইলে ঢাকা ট্রেনে করে চট্রগ্রাম যেতে পারবেন। যদিও সেখানে খেতে হলে আগে থেকে অর্ডার করে রাখতে হবে, জনপ্রতি ১৫০-৫০০ টাকায় খেতে পারবেন।
শৈল প্রপাত বা চিম্বুকে আদিবাসীদের তৈরি জিনিস পত্র কিনতে পারবেন কম দামে। নীলগিরি থেকে চারপাশে চোখ মেলে তাকালে সারি সারি মেঘের পাহাড়ে আছড়ে পড়া ও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য্য আপনাকে বিমোহিত করবে। গাড়ি ঠিক করার সময় আগে থেকেই বলে রাখবেন।
নীলগিরির আশেপাশের দর্শনীয় জায়গানীলগিরি দেখার পাশাপাশি কাছাকাছি রয়েছে আরও বেশ কিছু দর্শনীয় জায়গা রয়েছে। রিজার্ভ গাড়ি নিলে এই স্পট গুলোতে নেমে কিছু সময় অতিবাহিত করার সুযোগ পাবেন। নীলগিরির চূড়া থেকে পাহাড়ের সারির পাশাপাশি আকাশ পরিস্কার থাকলে আপনার চোখে পড়বে বগালেক, বাংলাদেশের পঞ্চম সর্বোচ্চ পাহাড় চূড়া কেওক্রাডং, কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত এবং চট্টগ্রাম বন্দর ও সাঙ্গু নদী।
নীলগিরিতে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে কোন বিভ্রান্তির কারণ নেই তাই পরিবার নিয়ে অনায়াসেই পরিদর্শন করতে পারবেন বাংলার দার্জিলিং খ্যাত নীলগিরি। আরও পড়ুনঃ বান্দরবান যাওয়ার উপায়বান্দরবান থেকে নীলগিরিবান্দরবান থেকে নীলগিরি যেতে পারবেন জীপ/চান্দের গাড়ি/মহেন্দ্র/সিএনজি অথবা লোকাল বাস দিয়ে। এছাড়াও নীলগিরির কাছের আদিবাসী গ্রাম থেকে পরিচিত হতে পারেন তাদের কৃষ্টি ও সংস্কৃতির সাথে।
গাড়ির জন্য আলাদা পার্কিং চার্জ দিতে হবে। বান্দরবান শহরে খাওয়ার জন্যে রয়েছে বেশি কিছু রেস্তোরা, তার মধ্যে তাজিং ডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্তোরাঁ, রুপসী বাংলা রেস্তোরাঁ, রী সং সং, কলাপাতা রেস্তোরাঁ ইত্যাদি। বিকেলের সূর্যাস্ত কিংবা জ্যোৎস্না রাতের মায়াময় চারপাশ আপনাকে মুগ্ধ হতে বাধ্য করবেই।
শ্রেনীভেদে ভাড়া ৪০৫ থেকে ১৩৯৮ টাকা। চট্রগ্রামের দামপাড়া বাস স্ট্যান্ড থেকে ২০০-৩০০ টাকা ভাড়ায় বাসে করে বান্দরবান আসতে পারবেন। নীলগিরি যাবার উপায়ঢাকার আব্দুল্লাহপুর, আরামবাগ, কল্যাণপুর, গাবতলী ও সায়েদাবাদ থেকে থেকে নানা পরিবহনের বাস বান্দারবানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
এছাড়া ঢাকা থেকে আকাশ পথে সরাসরি চট্রগ্রাম আসতে পারবেন। বান্দরবান শহরে থাকার হোটেল ও রিসোর্ট এর মধ্যে আছে হোটেল হিল ভিউ, হোটেল হিলটন, হোটেল প্লাজা, রিভার ভিউ, পর্যটন মোটেল। নীলগিরি পাহাড় চূড়াতেই রয়েছে সেনাবাহিনী পরিচালিত বাংলাদেশের সবচেয়ে চমৎকার দর্শনার্থী কেন্দ্র গুলোর একটা নীলগিরি দর্শনার্থী কেন্দ্র।
বান্দরবান থেকে নীলগিরি পুরো পথ পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, ভ্রমণে সাবধান হোন। জনপ্রতি এসব বাসের ভাড়া যথাক্রমে নন এসি ৮০০-৯০০ টাকা ও এসি ১২০০-১৮০০ টাকা। কখন যাবেননীলগিরি তার রূপের পসরা সারাবছরই মেলে ধরে রাখে।
কম খরচে নীলগিরি ভ্রমণ করতে দলগত ভাবে ভ্রমণ করতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
নীলগিরি তার রূপের পসরা সারাবছরই মেলে ধরে রাখে।
বিকেলের সূর্যাস্ত কিংবা জ্যোৎস্না রাতের মায়াময় চারপাশ আপনাকে মুগ্ধ হতে বাধ্য করবেই।
আর এই জন্যে নীলগিরিতে খুব সকালে রওনা দিতে হবে।
তাই নীলগিরি যেতে পারবেন যে কোন সময়ই।
সকালে মেঘের ভেলার খেলা, সূর্যোদয়ের আলোর খেলা।
শীতে কুয়াশার চাদরে মুড়ে থাকে চারপাশ।
কোথায় থাকবেন?
নীলগিরিতে বাংলাদেশ সেনবাহিনী নিয়ন্ত্রিত নীলগিরি রিসোর্টে রাতে আবাসন সুবিধা আছে। বান্দরবান শহরে থাকার হোটেল ও রিসোর্ট এর মধ্যে আছে হোটেল হিল ভিউ, হোটেল হিলটন, হোটেল প্লাজা, রিভার ভিউ, পর্যটন মোটেল। যোগাযোগ: 01769-299999 এছাড়া বেশীরভাগ দর্শনার্থী বান্দরবান থেকে নীলগিরি দিনে গিয়ে দিনেই বান্দরবান ফিরে আসেন। ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারী ও সরকারি ছুটির দিনে দর্শনার্থীের সমাগম বেশি হয় বলে ভাড়া কম বেশি হতে পারে। বান্দরবানে থাকার জন্যে বেশ কিছু হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। রুম গুলোর ভাড়া ৩০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত। বেশ কয়েকটি নানা মানের কটেজ রুম আছে। নীলগিরি হিল রিসোর্ট সবার কাছে আকর্ষনীয় হওয়ায় প্রায়ই মাসখানেক আগে বুকিং না দিলে রুম পাওয়া যায় না, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে পূর্ব বুকিং ছাড়া রুম পাওয়া প্রায় অসম্ভব। বান্দরবান শহর ও তার আশেপাশেই হোটেল ও রিসোর্ট গুলোর অবজায়গা। আরও জানতে পড়ুনঃ বান্দরবানের সেরা হোটেল ও রিসোর্ট মনে রাখা ভালো হোটেল ও রিসোর্ট গুলোর ভাড়া কোন সময়ে যাচ্ছেন তার উপর ভাড়া নির্ভর করবে। হোটেল খরচ কমাতে অফসিজনে গেলে ভাড়া গুলোর উপর ২০-৫০% ডিসকাউন্ট পাবেন।
কোথায় খাবেন?
নীলগিরিতে একটা রেস্তোরাঁ রয়েছে, খিদে পেলে পেট ভরে সেখান থেকে খেয়ে নিতে পারেন। বেশি মানুষ হলে আগেই অর্ডার করতে হবে। এছাড়া চিম্বুকের সামনে কিছু ছোট রেস্তোরাঁ আছে, সেখানে খাওয়ার সুযোগ আছে। যেহেতু সেদিকে খাওয়ার সুযোগ কম তাই সাথে কিছু শুকনো খাবার রাখতে পারেন। যদিও সেখানে খেতে হলে আগে থেকে অর্ডার করে রাখতে হবে, জনপ্রতি ১৫০-৫০০ টাকায় খেতে পারবেন। অথবা ফিরে এসে বান্দরবান শহরে খেয়ে নিতে হবে। বান্দরবান শহরে খাওয়ার জন্যে রয়েছে বেশি কিছু রেস্তোরা, তার মধ্যে তাজিং ডং ক্যাফে, মেঘদূত ক্যাফে, ফুড প্লেস রেস্তোরাঁ, রুপসী বাংলা রেস্তোরাঁ, রী সং সং, কলাপাতা রেস্তোরাঁ ইত্যাদি।
ট্রাভেল টিপস
গাড়ি ঠিক করার জন্যে সরাসরি জীপ স্ট্যান্ডে কথা বলবেন। সাথে করে জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি রাখুন সবসময়। বান্দরবান থেকে নীলগিরি পুরো পথ পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, ভ্রমণে সাবধান হোন। যদি সম্ভব হয় নীলগিরিতে এক রাত থাকবেন, আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আদীবাসিদের অসম্মান হয় এমন কিছু দয়া করে করবেন না। চান্দের গাড়িতে ছাঁদে চড়বেন না। অযথা কোন ঝুঁকি নিতে যাবেন না। শৈল প্রপাত বা চিম্বুকে আদিবাসীদের তৈরি জিনিস পত্র কিনতে পারবেন কম দামে। প্রয়োজনে দরদাম করে নিবেন। শৈল প্রপাত ঝর্ণায় নামার সময় সাবধান থাকুক, পাথুরে পথ বহু পিচ্ছিল। কম খরচে নীলগিরি ভ্রমণ করতে দলগত ভাবে ভ্রমণ করতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
নীলগিরি কীভাবে যাবেন?
নীলগিরি তার রূপের পসরা সারাবছরই মেলে ধরে রাখে। বিকেলের সূর্যাস্ত কিংবা জ্যোৎস্না রাতের মায়াময় চারপাশ আপনাকে মুগ্ধ হতে বাধ্য করবেই। আর এই জন্যে নীলগিরিতে খুব সকালে রওনা দিতে হবে। তাই নীলগিরি যেতে পারবেন যে কোন সময়ই। সকালে মেঘের ভেলার খেলা, সূর্যোদয়ের আলোর খেলা। শীতে কুয়াশার চাদরে মুড়ে থাকে চারপাশ। সে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
নীলগিরিতে বাংলাদেশ সেনবাহিনী নিয়ন্ত্রিত নীলগিরি রিসোর্টে রাতে আবাসন সুবিধা আছে। বান্দরবান শহরে থাকার হোটেল ও রিসোর্ট এর মধ্যে আছে হোটেল হিল ভিউ, হোটেল হিলটন, হোটেল প্লাজা, রিভার ভিউ, পর্যটন মোটেল। যোগাযোগ: 01769-299999 এছাড়া বেশীরভাগ দর্শনার্থী বান্দরবান থেকে নীলগিরি দিনে গিয়ে দিনেই বান্দরবান ফিরে আ
নীলগিরি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
নীলগিরি (Nilgiri) কে বলা হয় বাংলার দার্জিলিং। আপনার ঘুরে বেড়ানোকে সহজ ও আনন্দময় করে তোলার জন্যেই পড়ুন নীলগিরি নিয়ে সকল তথ্যের এই ভ্রমণ গাইড। নীলগিরি প্রবেশ টিকেটনীলগিরি পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশ টিকেট মূল্য জনপ্রতি ১০০ টাকা।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

