চন্দ্রনাথ পাহাড় (Chandranath Hill) হিন্দু ধর্মালম্বীদের তীর্থজায়গা আর সুবিশাল সমুদ্র অপরূপ প্রকৃতির সৌর্ন্দয্যের লীলাভূমি সীতাকুণ্ডকে করেছে অনন্য। আপনার কত সময় আছে, সেই হিসেব করে পরিকল্পনা করে নিতে পারেন কি কি দেখবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির সম্পর্কে
আর বাসে করে যেতে চাইলে আপনাকে চট্টগ্রাম নগরীর অলংকার, এ কে খান মোড় অথবা কদমতলী রওনা দিতে হবে। প্রায়ই পাহাড়ি পথ দিয়ে উপরে উঠা তুলনামুলক সহজ আর সিঁড়ির পথে নামাতে সহজ হয়। ডান দিকের পথটির পুরোটাতেই পাহাড়ে উঠার জন্য সিঁড়ি তৈরি করা আর বাম পাশের পথটি সম্পূর্নই পাহাড়ি।
পাহাড়টি সীতাকুণ্ড ইকো পার্কের আশপাশের এলাকাের অংশ হওয়ায় এখানে ঝর্ণা, পাহাড়ি ট্রেইল, ঘন সবুজ বন ও বিচিত্রন প্রজাতির পাখির দেখা মেলে। চন্দ্রনাথ পাহাড় চূড়াতেই চন্দ্রনাথ মন্দির (Chandranath Temple) রয়েছে। এসি বাসের মধ্যে গ্রিনলাইন, সৌদিয়া, সোহাগ, টি আর এইসব বাস ভাড়া ৮৫০ থেকে ১,২০০ টাকা।
ঢাকা থেকে বাসে সীতাকুন্ড : ঢাকার সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল, মহাখালি যে কোন বাস স্ট্যান্ড থেকে চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে করেই যেতে পারবেন সীতাকুন্ড।
কোথায় খাবেন
সীতাকুণ্ডে সাধারণ মানের হোটেলের মধ্যে ভোজ রেস্তোরাঁ, অতিথি রেস্তোরাঁ, হোটেল কিছুক্ষণ এবং আল আমিন উল্লেখ্যযোগ্য। ভৌগোলিকভাবে চন্দ্রনাথ পাহাড়কে হিমালয় পর্বতমালার একটা বিচ্ছিন্ন অংশের পূর্বপ্রান্তীয় শৃঙ্গ হিসেবে ধরা হয় এবং এটি সীতাকুণ্ড অঞ্চলর বিস্তৃত প্রকৃতির বনভূমির সঙ্গে সংযুক্ত। ঢাকা থেকে ট্রেনে সীতাকুন্ড : ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম গামী যে কোন আন্তঃনগর ট্রেনে এসে ফেনী স্টেশনে নামতে হবে।
এছাড়া এখানে টেলি-কমিউনিকেশনের অধীনস্থ একটা ডাকবাংলো আছে। তাই যে জায়গা থেকেই চন্দ্রনাথ পাহাড় দেখতে চান আপনাকে প্রথমে সীতাকুণ্ডে আসতে হবে। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের মাঝামাঝি দূরত্বে এবং চূড়ায় মন্দিরের কাছে ছোট টং দোকান আছে সেগুলিতে হালকা খাবার এবং পূজা দেয়ার উপকরণ পাওয়া যায়, যদিও ভালো হয় উঠার সময় সাথে পর্যাপ্ত পানি ও কিছু শুকনো খাবার সাথে রাখলে।
চন্দ্রনাথ পাহাড়ের অবজায়গা সীতাকুণ্ড বাজার থেকে কেবল ৪ কিলোমিটার পূর্বে দিকে। ভালো কোথাও থাকতে চাইলে চট্টগ্রাম অলংকার মোড়ে মোটামুটি মানের ৬০০-১৫০০ টাকায় হোটেলে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। সীতাকুণ্ড বাজার থেকে পায়ে হেঁটে কিংবা রিক্সায় করে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে নিচের গেটের কাছে যাওয়া যায়।
কাছাকাছি হওয়ায় চাইলে দিনে দিনে বহু গুলো জায়গাই ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে। এছাড়াও পাহাড়ের একটু গভীরে গেলে চোখে পড়বে জুমক্ষেত এবং বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চাষ করা ফুলের বাগান। পাহাড় সংলগ্ন অঞ্চলয় সহস্রধারা ও সৃতাধারা নামে পরিচিত কয়েকটি জলপ্রপাতও রয়েছে, যা বিশেষ করে বর্ষা ও গ্রীষ্ম মৌসুমে দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।
যদিও পায়ে হেঁটে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাবার পথে হিন্দুদের বেশ কিছু ধর্মীয় স্থাপনা ও অধিবাসীদের জীবন যাত্রার চিত্র দেখে যেতে পারবেন। এছাড়া স্টেশন রোড, নিউমার্কেট, জিইসি মোড়ের আশেপাশে নানা মানের আবাসিক হোটেলে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উপরেই চন্দ্রনাথ মন্দির রয়েছে।
এই ঝর্ণার কাছ থেকে পাহাড়ে উঠার পথ দুই দিকে চলে গেছে। হেঁটে উঠতে একটু পরিশ্রমের কাজ হলেও আপনার হাঁটার উপর নির্ভর করবে কতক্ষণ লাগবে। চন্দ্রনাথ পাহাড় ট্রেইল ও মন্দির চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির দেখতে
কীভাবে যাবেন
চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্রগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় রয়েছে। চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাবার পথে ছোট একটা ঝর্ণা দেখাঁ যায়। এস আলম, শ্যামলি, সৌদিয়া, ইউনিক, হানিফ, ঈগল, এনা প্রভৃতি পরিবহনের নন এসি বাস ভাড়া ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা।
চন্দ্রনাথ পাহাড়ের উচ্চতা ১১৫২ ফুট। সেখান থেকে লোকাল বাসে ৮০-১০০ টাকা ভাড়ায় সীতাকুন্ড যেতে পারবেন। লোকাল বাসে সীতাকুণ্ড যেতে পারবেন ৫০- ৮০ টাকা ভাড়ায়।
সীতাকুণ্ড থেকে জনপ্রতি ৭০ টাকা সিএনজি ভাড়ায় চলে যেতে পারবেন চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাদদেশে। চূড়ায় পৌঁছালে একদিকে যেমন সমুদ্রের বিস্তৃত দৃশ্য উপভোগ করা যায়, আবার পাহাড়ি প্রকৃতির আবহ ভ্রমণকারীদের ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা দেয়। অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চেষ্টা করতে পারেন।
প্রতি বছর মহাশিবরাত্রি উপলক্ষ্যে প্রচুর হিন্দুধর্মালম্বী চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দিরে পুণ্যযাত্রায় আসেন। চট্টগ্রাম থেকে সীতাকুন্ডচট্টগ্রাম থেকে সিএনজি রিজার্ভ নিয়ে সীতাকুণ্ডে আসতে ভাড়া লাগবে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। প্রায়ই ১ ঘন্টা ৩০ মিনিটের মত সময় লাগবে আসতে ধীরে উঠলে।
সীতাকুন্ডের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাসীতাকুণ্ডে ঘুরে বেড়ানোর জন্যে বহু জায়গাই আছে। ফেনী স্টেশন থেকে ৪০ টাকা রিক্সা/অটো দিয়ে ফেনী মহিপাল বাস স্ট্যান্ড রওনা দিতে হবে। যদিও ভাল খাবার আবহনায় এখানে আল আমিনের বেশ সুনাম রয়েছে।
কোথায় থাকবেন
সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য হোটেল সৌদিয়া, হোটেল কমফোর্ট জোন, হোটেল সিরাজ আবাসিক, সাইমুন আবাসিক সহ সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। শ্রেনী ভেদে ট্রেন ভাড়া জন প্রতি ৩৩০-১,১৮৩ টাকা। এক রাত থেকে দুইদিনের জন্যে ঘুরতে গেলে প্রায় সবগুলো জায়গাই ঘুরে দেখা সম্ভব।
সীতাকুণ্ডে জনপ্রিয় ভ্রমণ স্পট গুলো হলোঃসীতাকুণ্ড ইকো পার্কগুলিয়াখালি বীচবাঁশবাড়িয়া বীচঝরঝরি ঝর্ণাকুমিরা সন্দ্বীপ ফেরী ঘাটনাপিত্তাছড়া ঝর্ণা ও ট্রেইলকমলদহ ঝর্ণাআরও পড়ুনআগুন পাহাড়ফুরমোন পাহাড়
কীভাবে যাবেন?
চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্রগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় রয়েছে।
এসি বাসের মধ্যে গ্রিনলাইন, সৌদিয়া, সোহাগ, টি আর এইসব বাস ভাড়া ৮৫০ থেকে ১,২০০ টাকা।
চট্টগ্রাম থেকে সীতাকুন্ডচট্টগ্রাম থেকে সিএনজি রিজার্ভ নিয়ে সীতাকুণ্ডে আসতে ভাড়া লাগবে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা।
ঢাকা থেকে বাসে সীতাকুন্ড : ঢাকার সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল, মহাখালি যে কোন বাস স্ট্যান্ড থেকে চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে করেই যেতে পারবেন সীতাকুন্ড।
সীতাকুণ্ড থেকে জনপ্রতি ৭০ টাকা সিএনজি ভাড়ায় চলে যেতে পারবেন চন্দ্রনাথ পাহাড়ের পাদদেশে।
তাই যে জায়গা থেকেই চন্দ্রনাথ পাহাড় দেখতে চান আপনাকে প্রথমে সীতাকুণ্ডে আসতে হবে।
কোথায় থাকবেন?
সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য হোটেল সৌদিয়া, হোটেল কমফোর্ট জোন, হোটেল সিরাজ আবাসিক, সাইমুন আবাসিক সহ সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। এছাড়া এখানে টেলি-কমিউনিকেশনের অধীনস্থ একটা ডাকবাংলো আছে। ভালো কোথাও থাকতে চাইলে চট্টগ্রাম অলংকার মোড়ে মোটামুটি মানের ৬০০-১৫০০ টাকায় হোটেলে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চেষ্টা করতে পারেন। এছাড়া স্টেশন রোড, নিউমার্কেট, জিইসি মোড়ের আশেপাশে নানা মানের আবাসিক হোটেলে রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
সীতাকুণ্ডে সাধারণ মানের হোটেলের মধ্যে ভোজ রেস্তোরাঁ, অতিথি রেস্তোরাঁ, হোটেল কিছুক্ষণ এবং আল আমিন উল্লেখ্যযোগ্য। যদিও ভাল খাবার আবহনায় এখানে আল আমিনের বেশ সুনাম রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির কীভাবে যাবেন?
চন্দ্রনাথ পাহাড় চট্রগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় রয়েছে। এসি বাসের মধ্যে গ্রিনলাইন, সৌদিয়া, সোহাগ, টি আর এইসব বাস ভাড়া ৮৫০ থেকে ১,২০০ টাকা। চট্টগ্রাম থেকে সীতাকুন্ডচট্টগ্রাম থেকে সিএনজি রিজার্ভ নিয়ে সীতাকুণ্ডে আসতে ভাড়া লাগবে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। ঢাকা থেকে বাসে সীতাকুন্ড : ঢাকার সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল,
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য হোটেল সৌদিয়া, হোটেল কমফোর্ট জোন, হোটেল সিরাজ আবাসিক, সাইমুন আবাসিক সহ সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। এছাড়া এখানে টেলি-কমিউনিকেশনের অধীনস্থ একটা ডাকবাংলো আছে। ভালো কোথাও থাকতে চাইলে চট্টগ্রাম অলংকার মোড়ে মোটামুটি মানের ৬০০-১৫০০ টাকায় হোটেলে রাত্রি যাপন কর
চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চন্দ্রনাথ পাহাড় (Chandranath Hill) হিন্দু ধর্মালম্বীদের তীর্থজায়গা আর সুবিশাল সমুদ্র অপরূপ প্রকৃতির সৌর্ন্দয্যের লীলাভূমি সীতাকুণ্ডকে করেছে অনন্য। আপনার কত সময় আছে, সেই হিসেব করে পরিকল্পনা করে নিতে পারেন কি কি দেখবেন। আর বাসে করে যেতে চাইলে আপনাকে চট্টগ্রাম নগরীর অলংকার, এ কে খান মোড় অথবা কদমতলী র
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
