bangladesh · Editorial

লেবুর চর

পটুয়াখালী জেলার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে ৫ কিলোমিটার পূর্বে লেবুর চর (Lebur Char) রয়েছে। জায়গাীয়দের কাছে লেবুর চর নেম্বুর চর

Photograph · Collected for Tripzao Journal

পটুয়াখালী জেলার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে ৫ কিলোমিটার পূর্বে লেবুর চর (Lebur Char) রয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা বহু কম সময়ে এবং সহজে পৌঁছানো যায়।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

লেবুর চর

লেবুর চর সম্পর্কে

লেবুর চরের শেষ প্রান্তে দাঁড়ালে চমৎকারবনের সবুজ গাছের সারি দেখতে পাওয়া যায়। ঢাকা থেকে কুয়াকাটা নন-এসি বাসের ভাড়া ৭৫০-৯০০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ১১০০-১৬০০ টাকা। জায়গাীয়দের কাছে লেবুর চর নেম্বুর চর হিসেবেও পরিচিত।

প্রকৃতির অপরূপ রূপবেষ্টিত লেবুর চর দর্শনার্থীদের জন্য একটা আকর্ষণীর জায়গা হিসেবে পরিচিত। ১০০০ একর আয়তনের লেবুর চরে কেওড়া, গেওয়া, গোরান, কড়ই, গোলপাতাসহ নানা প্রজাতির গাছ আছে। তাছাড়া বেসরকারী আবাসনের মধ্যে সাগর কন্যা পর্যটন হলিডে হোমস, ইয়ুথ ইন হোটেল, হোটেল গ্রেভার ইন, সি ভিউ হোটেল, সিকদার রিসোর্ট, কুয়াকাটা গ্র্যান্ড হোটেল, ম্যানগ্রোভ হোটেল, পর্যটন মোটেল, হোটেল বীচ হ্যাভেন ও সিগার্ল প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।

সূর্যাস্তের সময় বিস্তীর্ণ চরে আছড়ে পড়া সূর্যের সোনালি আভা চারপাশে এক মনোমুগ্ধকর অপার্থিব দৃশ্যের অবতারণ করে। সাধারনত সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত এই লঞ্চগুলো কুয়াকাটার উদ্দ্যেশ্যে ছেড়ে যায়। অতীতে এটি চমৎকারবনের অংশ হিসাবে থাকলেও এখন এই চর চমৎকারবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

ঢাকার সায়েদাবাদ, আবদুল্লাপুর, আরামবাগ অথবা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে সাকুরা পরিবহন, শ্যামলী, গ্রীনলাইন, ইউরো কোচ, হানিফ, টি আর ট্রাভেলস সহ আরও বহু পরিবহনের বাস সরাসরি পদ্মা সেতু হয়ে কুয়াকাটা যায়। কোথায় থাকবেনকুয়াকাটায় থাকার জন্য সরকারী আবাসনের মধ্যে রয়েছে এলজিইডি এবং সড়ক ও জনপথের রেস্ট হাউজ, রাখাইন কালচার একাডেমীর রেস্ট হাউজ। আর লেবুর চরে যাওয়ার ক্ষেত্রে কুয়াকাটা হতে সকাল সকাল রওনা দিলে বিকেলের মধ্যে ঘুরে দেখে কুয়াকাটায় ফিরে আসতে পারবেন।

কীভাবে যাবেন

নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা পৌঁছানো যায়। এছাড়া ঢাকার সদরঘাট নৌ টার্মিনাল থেকে নানা কোম্পানির লঞ্চ পটুয়াখালী বা বরিশাল হয়ে কুয়াকাটায় গমন করে। কুয়াকাটা থেকে সাইকেল ও ভ্যানে লেবুর চর যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

কুয়াকাটায় জিরো পয়েন্টে জয়, হোটেল সানরাইজ, বার্মা হোটেল, রামজান রেস্তোরা, অতিথি ও বৈশাখী সহ বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ আছে। কোথায় খাবেনলেবুর চরের পাশে গড়ে উঠা ছোট ছোট ফুড শপ গুলোতে নানা ধরণের তাজা সামুদ্রিক মাছ ও কাঁকড়া ভাজি পাওয়ার সুযোগ আছে। বাসে যেতে সময় লাগবে প্রায় ৬-৭ ঘন্টা।

ঢাকা থেকে কুয়াকাটার দূরত্ব প্রায় ২৯৪ কিলোমিটার। পটুয়াখালী জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাপটুয়াখালীর অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, পানি জাদুঘর, সোনারচর ও ফাতরার চর উল্লেখযোগ্য।

কীভাবে যাবেন?

নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা পৌঁছানো যায়।

ঢাকা থেকে কুয়াকাটা নন-এসি বাসের ভাড়া ৭৫০-৯০০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ১১০০-১৬০০ টাকা।

এছাড়া ঢাকার সদরঘাট নৌ টার্মিনাল থেকে নানা কোম্পানির লঞ্চ পটুয়াখালী বা বরিশাল হয়ে কুয়াকাটায় গমন করে।

সাধারনত সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত এই লঞ্চগুলো কুয়াকাটার উদ্দ্যেশ্যে ছেড়ে যায়।

পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা বহু কম সময়ে এবং সহজে পৌঁছানো যায়।

ঢাকার সায়েদাবাদ, আবদুল্লাপুর, আরামবাগ অথবা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে সাকুরা পরিবহন, শ্যামলী, গ্রীনলাইন, ইউরো কোচ, হানিফ, টি আর ট্রাভেলস সহ আরও বহু পরিবহনের বাস সরাসরি পদ্মা সেতু হয়ে কুয়াকাটা যায়।

কোথায় থাকবেন?

কুয়াকাটায় থাকার জন্য সরকারী আবাসনের মধ্যে রয়েছে এলজিইডি এবং সড়ক ও জনপথের রেস্ট হাউজ, রাখাইন কালচার একাডেমীর রেস্ট হাউজ। তাছাড়া বেসরকারী আবাসনের মধ্যে সাগর কন্যা পর্যটন হলিডে হোমস, ইয়ুথ ইন হোটেল, হোটেল গ্রেভার ইন, সি ভিউ হোটেল, সিকদার রিসোর্ট, কুয়াকাটা গ্র্যান্ড হোটেল, ম্যানগ্রোভ হোটেল, পর্যটন মোটেল, হোটেল বীচ হ্যাভেন ও সিগার্ল প্রভৃতি আবাসিক হোটেল রয়েছে।

কোথায় খাবেন?

লেবুর চরের পাশে গড়ে উঠা ছোট ছোট ফুড শপ গুলোতে নানা ধরণের তাজা সামুদ্রিক মাছ ও কাঁকড়া ভাজি পাওয়ার সুযোগ আছে। কুয়াকাটায় জিরো পয়েন্টে জয়, হোটেল সানরাইজ, বার্মা হোটেল, রামজান রেস্তোরা, অতিথি ও বৈশাখী সহ বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁ আছে।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

লেবুর চর কীভাবে যাবেন?

নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা পৌঁছানো যায়। ঢাকা থেকে কুয়াকাটা নন-এসি বাসের ভাড়া ৭৫০-৯০০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ১১০০-১৬০০ টাকা। এছাড়া ঢাকার সদরঘাট নৌ টার্মিনাল থেকে নানা কোম্পানির লঞ্চ পটুয়াখালী বা বরিশাল হয়ে কুয়াকাটায় গমন করে। সাধারনত সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত এই লঞ্চগুলো কুয়াকাটার

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

কুয়াকাটায় থাকার জন্য সরকারী আবাসনের মধ্যে রয়েছে এলজিইডি এবং সড়ক ও জনপথের রেস্ট হাউজ, রাখাইন কালচার একাডেমীর রেস্ট হাউজ। তাছাড়া বেসরকারী আবাসনের মধ্যে সাগর কন্যা পর্যটন হলিডে হোমস, ইয়ুথ ইন হোটেল, হোটেল গ্রেভার ইন, সি ভিউ হোটেল, সিকদার রিসোর্ট, কুয়াকাটা গ্র্যান্ড হোটেল, ম্যানগ্রোভ হোটেল, পর্যটন

লেবুর চর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

পটুয়াখালী জেলার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে ৫ কিলোমিটার পূর্বে লেবুর চর (Lebur Char) রয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা বহু কম সময়ে এবং সহজে পৌঁছানো যায়। লেবুর চরের শেষ প্রান্তে দাঁড়ালে চমৎকারবনের সবুজ গাছের সারি দেখতে পাওয়া যায়।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh barisal guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.