ঝিনাইদহ জেলার পাগলা কানাই ইউনিয়নে রাজা মুকুট রায়ের এক ঐতিহ্যবাহী মহাকীর্তির নাম ঢোল সমুদ্র দীঘি (Dhol Samudra Dighi)। পূজার উদ্দ্যেশ্যে রানী পুকুরের তলদেশে নামার পর মুহূর্তেই পুকুরের তলা থেকে প্রবল বেগে পানি উপরে উঠা শুরু করলো।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

ঢোল সমুদ্র দীঘি সম্পর্কে
এদিকে জল উঠার আনন্দে ও প্রজাদের ঢোল, বাঁশি ও সানাইয়ের শব্দে পুকুরের দিকে কারো খেয়াল ছিল না। এসি/নন এসি এসব বাসে ভাড়া লাগবে ৬৫০ থেকে ১৩০০ টাকা। পরবর্তীতে আকারে বড় হবার কারণে রানীর স্মৃতিতে এই দীঘি জায়গাীয়দের কাছে “ঢোল সমুদ্র দীঘি” হিসেবে পরিচিতি পায়।
রাজার স্বপ্নের কথা শুনে প্রজাদের স্বার্থে রানী স্বাচ্ছন্দ্যে পুকুরে নেমে পূজা করতে রাজি হলেন। রাজার নির্দেশে রাত দিন পরিশ্রম করে গভীর ও প্রশস্ত পুকুর খনন করা হলেও পুকুরে পানি উঠলো না। ঢোলের শব্দই রানীর জীবনের কাল হয়ে দাঁড়াল।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলী থেকে রয়েল, সোনার তরী, এসবি, জেআর, চুয়াডাঙ্গা, হানিফ, দর্শনা বা পূর্বাশা ডিলাক্স প্রভৃতি বাসে ঝিনাইদহ পৌঁছানো যায়। ঝিনাইদহের পায়রা চত্বর থেকে অটো বা ইজিবাইকে ঢোল সমুদ্র দীঘি পৌঁছাতে পারবেন। ঢোল সমুদ্র দীঘির পাড়ে সারি সারি গাছ দীঘির সৌন্দর্যকে অসংখ্যগুণ বাড়িয়ে তুলেছে।
হতাশ রাজা একদিন রাতে স্বপ্নে দেখলেন, যদি রানী পুকুরে নেমে পূজা দেন তাহলে পুকুরে জল ভরে উঠবে। ছুটির দিনে ঢোল সমুদ্র দীঘির পাড়ে ঝিনাইদহ শহরের মানুষেরা পরিবার পরিজনদের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই রানী পুকুরের পানিতে তলিয়ে মারা যায়।
শহর থেকে কেবল ৪ কিলোমিটার পশ্চিমে রয়েছে ঝিনাইদহের সর্ববৃহৎ এবং শতবর্ষ পুরনো এই দীঘির প্রায় ৫২ বিঘা জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। কোথায় থাকবেনঝিনাইদহ শহরে হোটেল রাতুল, হোটেল রেডিয়েশন, হোটেল জামান, নয়ন হোটেল, হোটেল ড্রিম ইন ও ক্ষণিকা রেস্ট হাউজের মতো বেসরকারি আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। কথিত আছে, ঝিনাইদহে প্রতাপশালী রাজা মুকুট রায়ের রাজত্ব কালে প্রজাদের মধ্যে ভীষণ জলকষ্ট দেখতে পাওয়া যায়।
ধূমধাম করে দিন ক্ষণ ঠিক করে ঢোল, সানাই, বাঁশি বাজিয়ে রানীর পূজা দেওয়ার জন্য পুকুরের পাড়ে প্রজারা সমবেত হল। কোথায় খাবেনঝিনাইদহ জেলা শহরের পায়রা চত্বরে ভাল মানের বেশকিছু হোটেল ও রেস্তোরা আছে। কিন্তু রানী যখন পুকুরের তলদেশ থেকে উপরে উঠে আসতে চাইলেন তখন পানির বেগ আরও বেড়ে গেল।
ঝিনাইদহের দর্শনীয় জায়গাঝিনাইদহে বারোবাজার, নলডাঙ্গা রাজবাড়ী রিসোর্ট, মিয়ার দালান ও জোহান ড্রিম ভ্যালী পার্কের মতো বেশ কিছু দর্শনীয় জায়গা রয়েছে।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী থেকে রয়েল, সোনার তরী, এসবি, জেআর, চুয়াডাঙ্গা, হানিফ, দর্শনা বা পূর্বাশা ডিলাক্স প্রভৃতি বাসে ঝিনাইদহ পৌঁছানো যায়।
এসি/নন এসি এসব বাসে ভাড়া লাগবে ৬৫০ থেকে ১৩০০ টাকা।
ঝিনাইদহের পায়রা চত্বর থেকে অটো বা ইজিবাইকে ঢোল সমুদ্র দীঘি পৌঁছাতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ঝিনাইদহ শহরে হোটেল রাতুল, হোটেল রেডিয়েশন, হোটেল জামান, নয়ন হোটেল, হোটেল ড্রিম ইন ও ক্ষণিকা রেস্ট হাউজের মতো বেসরকারি আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
ঝিনাইদহ জেলা শহরের পায়রা চত্বরে ভাল মানের বেশকিছু হোটেল ও রেস্তোরা আছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢোল সমুদ্র দীঘি কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী থেকে রয়েল, সোনার তরী, এসবি, জেআর, চুয়াডাঙ্গা, হানিফ, দর্শনা বা পূর্বাশা ডিলাক্স প্রভৃতি বাসে ঝিনাইদহ পৌঁছানো যায়। এসি/নন এসি এসব বাসে ভাড়া লাগবে ৬৫০ থেকে ১৩০০ টাকা। ঝিনাইদহের পায়রা চত্বর থেকে অটো বা ইজিবাইকে ঢোল সমুদ্র দীঘি পৌঁছাতে পারবেন।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঝিনাইদহ শহরে হোটেল রাতুল, হোটেল রেডিয়েশন, হোটেল জামান, নয়ন হোটেল, হোটেল ড্রিম ইন ও ক্ষণিকা রেস্ট হাউজের মতো বেসরকারি আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।
ঢোল সমুদ্র দীঘি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ঝিনাইদহ জেলার পাগলা কানাই ইউনিয়নে রাজা মুকুট রায়ের এক ঐতিহ্যবাহী মহাকীর্তির নাম ঢোল সমুদ্র দীঘি (Dhol Samudra Dighi)। পূজার উদ্দ্যেশ্যে রানী পুকুরের তলদেশে নামার পর মুহূর্তেই পুকুরের তলা থেকে প্রবল বেগে পানি উপরে উঠা শুরু করলো। এদিকে জল উঠার আনন্দে ও প্রজাদের ঢোল, বাঁশি ও সানাইয়ের শব্দে পুকুরের দ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide


