bangladesh · Editorial

কমলদহ ঝর্ণা

সীতাকুন্ডের পরিচিত ঝর্ণা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কমলদহ ট্রেইলের ঝর্ণা গুলো। মোটামুটি সহজ ট্রেইল এবং অল্প সময়ে কমলদহ ট্রেইলের ঝর্ণা গুলো দেখে আসা যায় বলে

Photograph · Collected for Tripzao Journal

সীতাকুন্ডের পরিচিত ঝর্ণা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কমলদহ ট্রেইলের ঝর্ণা গুলো। ক্যাসকেডের উপরে উঠে ঝিরিপথে একটু সামনে একটা ছোট ঝর্ণার দেখা পাবেন।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

কমলদহ ঝর্ণা

কমলদহ ঝর্ণা সম্পর্কে

সামনে একটা ক্যাসকেড পাবেন, ক্যাসকেডের পাশ দিয়ে খুব সাবধানে ক্যাসকেডের উপরে উঠে যান। কিছুটা এগিয়ে গেলেই তুলনামূলক বড় রাস্তায় তিন মোড়ে এসে পড়বেন। এইক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় ফেনীতে নেমে গেলে।

ছাগলকান্দা ঝর্ণা দেখে ফিরার সময় হাতের ডানের ঝিরি কথা বলছিলাম এখন এই ঝিরিপথে এগিয়ে যান। মোটামুটি সহজ ট্রেইল এবং অল্প সময়ে কমলদহ ট্রেইলের ঝর্ণা গুলো দেখে আসা যায় বলে ভ্রমণপিয়াসু মানুষের কাছে জনপ্রিয় জায়গা হয়ে উঠেছে। চট্টগ্রাম থেকে ৮০ টাকা ভাড়ায় চয়েসে বাসে পৌঁছাতে পারবেন।

যদিও এটাকে বহুেই ক্যাসকেড বলে থাকে। একটু সামনেই ঝরঝরি ঝর্ণা দেখার সুযোগ পাবেন। ( মনে রাখবেন যখন পাথরভাঙ্গা ঝর্ণা দেখতে গিয়েছিলেন তখন হাতের ডান দিকে ছিল পাহাড়ি রাস্তাটি)পাহাড়ে উঠে দেখার সুযোগ পাবেন রাস্তা আবারো দুভাগ হয়ে গেছে।

এটাই মূলত কমলদহের ঝিরি শুরু। যদি সব গুলো ঝর্ণা দেখতে চান যদিও ইট খোলা দিয়ে প্রবেশ করে ফটিকছড়ি-বারৈয়াঢালা রুট হয়ে নারায়ন আশ্রম হয়ে বড় দারোগারহাটে বের হবেন। প্রথমে হাতের বাম দিকের ঝিরি পথ ধরে এগিয়ে যান।

এখানে সরকারী ডাকবাংলা আছে, থাকার জন্য চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এদের মধ্যে আল আমীন হোটেলের খাবার মুটামুটি উন্নত মানের। থাকা ও খাওয়াকোথায় থাকবেনঃ মিরসরাইতে দর্শনার্থীদের থাকার জন্য তেমন কোন আবাসিক হোটেল এখনো গড়ে উঠেনি তাই আপনাকে সীতাকুন্ডে থাকতে হবে।

চট্রগ্রাম থেকে চট্রগ্রামের অলংকার মোড় থেকেও বাসে করে সীতাকুণ্ড আসা যায়। এখানে সিঙ্গেল রুম নন এসি ৬০০ টাকা ও দুই বিছানার এসি রুম ১২০০ টাকায় পাওয়া যায়। হোটেলটিতে ৮০০ থেকে ১৬০০ টাকায় কয়েক ধরণের রুম পাওয়া যায়।

যদিও সীতাকুন্ড বাজারের ভিতরে সাধারণ মানের কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। অতি সম্প্রতি সীতাকুণ্ড পৌরসভার ডি টি রোডে হোটেল সৌদিয়া নামে একটা আবাসিক হোটেল চালু হয়েছে। ফেনী স্টেশন থেকে লোকাল বাসে করে বড় দারোগাহাট বাজারে চলে আসতে পারবেন।

তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সীতাকুণ্ড পার্ক, চন্দ্রনাথ মন্দির, বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত, গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত, কুমিরা ফেরী ঘাট, ঝরঝরি ঝর্ণা ট্রেইল ইত্যাদি। সামনে আবারো দুটি ঝিরিপথ পাবেন আর দু ঝিরিপথের শেষে আছে দুটি চমৎকার ঝর্ণা। কমলদহ ট্রেইলকমলদহ ঝর্ণার উপরে উঠে ছোট একটা ক্যাসকেড পার হয়ে ঝিরি পথে কিছুটা এগিয়ে গেলে সামনে দেখার সুযোগ পাবেন ঝিরিপথ দুভাগ হয়ে ডান ও বাম দিকে চলে গেছে।

ঐখান থেকে ফিরে কমলদহ ঝর্ণার কাছে প্রথম যেখানে ঝিরিপথ দুভাগ হয়ে ছিল সেখানে ফিরে আসুন। কমলদহ ট্রেইলে বহু গুলো ঝর্ণা আছে। এই ঝিরি ধরে আগালে কমলদহ ঝর্ণার দেখা পাওয়া যাবে।

তখন পাহাড়ের উপরেরর দিকে যেই রাস্তা গেছে ঐ রাস্তায় এগিয়ে যান। ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ড বাস ভাড়া মানভেদে ৮০০ টাকা।

কোথায় খাবেন

ঃ সীতাকুন্ডে খাবার জন্য বেশ কয়েকটি হোটেল আছে। ঝিরি পথ দিয়ে আগালেই দেখা মিলবে ছোট বড় ঝর্ণা আর ক্যাসকেডের। হাল না ছেড়ে ২মিনিট হাটা পরই পাথরভাঙ্গা ঝর্ণার দেখা পাবেন।

সামনে এগিয়ে গেলে পাবেন পাকা রাস্তা। বড় দারোগার হাট বাজার থেকে ঢাকার দিকে আগালে একটা ইট খোলার দেখা পাওয়া যাবে। এই ঝিরিপথে গেলে কিছুটা দূর গেলে আবারো হাতের ডানদিকে আরেকটি ঝিরি পথ পাবেন (এইটায় এখোনি যাবেন না)।

বুকিং দিতে ফোন করতে পারেন 01991-787979, 01816-518119 নাম্বারে। সোজা ঝিরিপথে একটু এগুলেই ছাগলকান্দা ঝর্ণা দেখার সুযোগ পাবেন (এটার উপরে উঠতে চাইলে পাশের পাহাড়ে দিয়ে উঠার রাস্তা খুঁজে নিন)। ঢাকা থেকে গেলে চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে করে যেতে পারবেন।

কীভাবে যাবেন

বাসযেখান থেকেই যান আপনাকে প্রথমেই রওনা দিতে হবে চট্রগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার বড় দারোগাহাট বাজারে। এই পাকা রাস্তা দিয়ে নায়নআশ্রম, ফরেস্ট অফিস হয়ে সোজা বড়দারোগারহাট স্টেশনে আসতে পারবেন। এই ট্রেইলের উপরের দিকে ডানে বায়ে ঝিরি পথ ভাগ হয়ে গেছে।

এই ঝর্নার পাশের পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে উপরে উঠে ঝিরিপথ পাবেন, আরেকটু এগিয়ে আরেকটি ক্যাসকেড পাবেন। এবার ঝিরি পথে এগিয়ে একটা ঝর্ণা পাবেন।

যোগাযোগ

ঃ ০১৮২৭৩৩৪০৮২, ০১৮২৫১২৮৭৬৭। এখানে না থেমে ছোট ঝর্ণাটির পাথর বেয়ে উপরে উঠলে মনে হবে আপনি অন্ধকার কোন সুরঙ্গে আছেন। তাছাড়া বারৈয়ারহাটে গোল্ডেন নামে একটা আবাসিক হোটেল ও জাহেদ নামে একটা আবাসিক বোর্ডিং চালু আছে।

এই ঝর্ণা পার হয়ে ঝিরি ধরে উপরে গেলে এই ট্রেইলের অন্যান্য ঝর্ণার দেখা পাওয়া যাবে। এই ইট খোলা পার হয়ে ডানের মাটির রাস্তা ধরে কিছুদুর গেলে ঝিরি পথের দেখা পাওয়া যাবে। একটু ভাল মানের হোটেলে থাকতে চাইলে ভাটিয়ারীতে দুইটি আবাসিক হোটেল আছে।

যোগাযোগ করতে পারেন হোটেল সাইমুনে, ভাড়া ৩০০-৫০০ টাকা। পাথরভাঙ্গা ঝর্ণার দেখে ব্যাক করে ছোট ঝর্ণার পর ক্যাসকেড পার হওয়ার একটু পরই হাতের বাম দিকে পাহাড়ে উঠার একটা ছোট রাস্তা দেখার সুযোগ পাবেন। এই জন্যে আপনাকে বড় দারোগাহাট নেমে রওনা দিতে হবে।

সীতাকুন্ডের দর্শনীয় জায়গাকমলদহ ঝর্ণা ছাড়াও সীতাকুণ্ডে আছে দেখার মত বহু কিছুই। ট্রেন ঢাকা থেকে চাইলে ট্রেনে করেও যেতে পারবেন (ভাড়া মানভেদে ২৬৫-৯০৯ টাকা)। তখন হাতের ডান দিকের রাস্তা ধরে এগিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাকুমারী ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা

কীভাবে যাবেন?

বাসযেখান থেকেই যান আপনাকে প্রথমেই রওনা দিতে হবে চট্রগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার বড় দারোগাহাট বাজারে।

যদিও এটাকে বহুেই ক্যাসকেড বলে থাকে।

ঢাকা থেকে গেলে চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে করে যেতে পারবেন।

এই ঝিরি ধরে আগালে কমলদহ ঝর্ণার দেখা পাওয়া যাবে।

ফেনী স্টেশন থেকে লোকাল বাসে করে বড় দারোগাহাট বাজারে চলে আসতে পারবেন।

এইক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় ফেনীতে নেমে গেলে।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

কমলদহ ঝর্ণা কীভাবে যাবেন?

বাসযেখান থেকেই যান আপনাকে প্রথমেই রওনা দিতে হবে চট্রগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার বড় দারোগাহাট বাজারে। যদিও এটাকে বহুেই ক্যাসকেড বলে থাকে। ঢাকা থেকে গেলে চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে করে যেতে পারবেন। এই ঝিরি ধরে আগালে কমলদহ ঝর্ণার দেখা পাওয়া যাবে। ফেনী স্টেশন থেকে লোকাল বাসে করে বড় দারোগাহাট বাজারে চল

কমলদহ ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

সীতাকুন্ডের পরিচিত ঝর্ণা গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কমলদহ ট্রেইলের ঝর্ণা গুলো। ক্যাসকেডের উপরে উঠে ঝিরিপথে একটু সামনে একটা ছোট ঝর্ণার দেখা পাবেন। সামনে একটা ক্যাসকেড পাবেন, ক্যাসকেডের পাশ দিয়ে খুব সাবধানে ক্যাসকেডের উপরে উঠে যান।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.