চট্টগ্রাম শহর থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তরে রামগড়-সীতাকুণ্ড বনাঞ্চলের মাঝে প্রায় ৩,০০০ একর জায়গা জুড়ে রয়েছে ফটিকছড়ি হাজারিখিল অভয়ারণ্য (Hazarikhil Wildlife Sanctuary) প্রকৃতির শোভা বর্ধন করে চলেছে। বিরল প্রজাতির বৃক্ষ ও প্রাণীর আবাসস্থলের কারণে ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট এই বনাঞ্চলকে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

হাজারিখিল অভয়ারণ্য সম্পর্কে
চট্টগ্রাম থেকে বাসে ফটিকছড়ি এসে সিএনজি নিয়ে ১৩ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে হাজারিখিল অভয়ারণ্যে পৌঁছাতে পারবেন। ক্যাম্পিংয়ের ক্ষেত্রে গাইডের সাহায্য নিতে পারেন। জোঁক উপদ্রব ঠেকাতে সাথে লবন ও সরিষার তেল নিতে পারেন।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টিআর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন এসি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। কোথায় খাবেনহাজারিখিল অভয়ারণ্যে রয়েছে ভাতঘরে খেতে পারবেন। যদি ক্যাম্পিং করতে না চান তাহলে চট্টগ্রামের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় ও আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল পাবেন।
আবার ইচ্ছে হলে অভয়ারণ্য কাছে রয়েছে বিবির হাটে গিয়েও খাবার খেতে পারেন। তাছাড়া প্রকৃতির মায়াময় রূপ দেখতে চাইলে চা বাগানের অসাধারন হাজারিখিল ট্রেইলে ঢুকে পড়ুন। হাজারিখিল অভয়ারণ্যের শান্ত ও নিরিবিলি আবহে ক্যাম্পিং করার পাশাপাশি চা বাগানের নানা ট্রি এক্টিভিটিসে অংশ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
আর সুযোগ থাকলে চট্টগ্রামের পরিচিত মেজবানি ও কালা ভুনা খেয়ে দেখতে পারেন। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইল ট্রেনেও চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে পারেন। হাজারিখিল অভয়ারণ্যে প্রায় ২৫ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১২৩ প্রজাতির পাখি, ৮ প্রজাতির উভচর, ২৫ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ২৫০ প্রজাতির বিলুপ্ত প্রায় উদ্ভিদ রয়েছে।
কোথায় থাকবেনহাজারিখিল অভয়ারণ্যে ক্যাম্পিং করার সুযোগ আছে। ঝিরিপথ ও ক্যাসকেডের ভিতর দিয়ে অপরূপ সৌন্দর্যের ৭-৮ কিলোমিটার দীর্ঘ হাজারিখিল ট্রেইল কালাপানি ঝর্ণায় গিয়ে শেষ হয়। উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণী ও পাখির মধ্যে আছে বানর, হনুমান, মায়া হরিণ, মেছো বাঘ, বিলুপ্ত প্রায় বনছাগল, হুদহুদ পাখি, নীল কান্ত, বেঘবৌ, আবাবিল, কাউ ধনেশ ইত্যাদি।
কীভাবে যাবেন
হাজারিখিল অভয়ারণ্যে যেতে চাইলে প্রথমে চট্টগ্রাম আসতে হবে। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৪০৫-১৩৯৮ টাকা। এদের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিলটন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা, হোটেল সিলমন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
এছাড়া ঢাকা থেকে বেশকিছু বিমান সংস্থা সরাসরি চট্টগ্রাম যাওয়ার ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। বন্যপ্রাণীর ট্রি এক্টিভিটিসের এন্ট্রি ফি ১০০ টাকা (জনপ্রতি)। প্রতি সীটের জন্য বাস ভাড়া ৬৫০ থেকে ২০০০ টাকা।
হাজারিখিল ভ্রমণ পরামর্শহাজারিখিল ট্রেইলে ঘুরে দেখা ও ট্রি এডভেঞ্চারের ইচ্ছে থাকলে সকাল সকাল হাজারিখিলের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়ুন। ট্রি এক্টিভিটিস করার সময় জ্যাকেট ও হেলমেট পরিধান করুন। হাজারিখিল ট্রেইলের রাস্তা বহু বেশী পিচ্ছিল তাই চলাফেরায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন।
চট্টগ্রামের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাচট্টগ্রামের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি, ফয়েজ লেক, মহামায়া লেক, জাম্বুরি পার্ক, চন্দ্রনাথ পাহাড়, খৈয়াছড়া ঝর্ণা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
হাজারিখিল অভয়ারণ্যে যেতে চাইলে প্রথমে চট্টগ্রাম আসতে হবে।
ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইল ট্রেনেও চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে পারেন।
প্রতি সীটের জন্য বাস ভাড়া ৬৫০ থেকে ২০০০ টাকা।
চট্টগ্রাম থেকে বাসে ফটিকছড়ি এসে সিএনজি নিয়ে ১৩ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে হাজারিখিল অভয়ারণ্যে পৌঁছাতে পারবেন।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টিআর ট্রাভেলস, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী, সোহাগ, এস. আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি নানা পরিবহনের এসি-নন এসি বাস চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৪০৫-১৩৯৮ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
হাজারিখিল অভয়ারণ্যে ক্যাম্পিং করার সুযোগ আছে। যদি ক্যাম্পিং করতে না চান তাহলে চট্টগ্রামের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় ও আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল পাবেন। এদের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিলটন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা, হোটেল সিলমন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
হাজারিখিল অভয়ারণ্যে রয়েছে ভাতঘরে খেতে পারবেন। আবার ইচ্ছে হলে অভয়ারণ্য কাছে রয়েছে বিবির হাটে গিয়েও খাবার খেতে পারেন। আর সুযোগ থাকলে চট্টগ্রামের পরিচিত মেজবানি ও কালা ভুনা খেয়ে দেখতে পারেন।
ট্রাভেল টিপস
হাজারিখিল ট্রেইলে ঘুরে দেখা ও ট্রি এডভেঞ্চারের ইচ্ছে থাকলে সকাল সকাল হাজারিখিলের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়ুন। ক্যাম্পিংয়ের ক্ষেত্রে গাইডের সাহায্য নিতে পারেন। হাজারিখিল ট্রেইলের রাস্তা বহু বেশী পিচ্ছিল তাই চলাফেরায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন। জোঁক উপদ্রব ঠেকাতে সাথে লবন ও সরিষার তেল নিতে পারেন। ট্রি এক্টিভিটিস করার সময় জ্যাকেট ও হেলমেট পরিধান করুন। চট্টগ্রামের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাচট্টগ্রামের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি, ফয়েজ লেক, মহামায়া লেক, জাম্বুরি পার্ক, চন্দ্রনাথ পাহাড়, খৈয়াছড়া ঝর্ণা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
হাজারিখিল অভয়ারণ্য কীভাবে যাবেন?
হাজারিখিল অভয়ারণ্যে যেতে চাইলে প্রথমে চট্টগ্রাম আসতে হবে। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইল ট্রেনেও চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে পারেন। প্রতি সীটের জন্য বাস ভাড়া ৬৫০ থেক
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
হাজারিখিল অভয়ারণ্যে ক্যাম্পিং করার সুযোগ আছে। যদি ক্যাম্পিং করতে না চান তাহলে চট্টগ্রামের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় ও আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল পাবেন। এদের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিলটন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা, হোটেল
হাজারিখিল অভয়ারণ্য সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চট্টগ্রাম শহর থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তরে রামগড়-সীতাকুণ্ড বনাঞ্চলের মাঝে প্রায় ৩,০০০ একর জায়গা জুড়ে রয়েছে ফটিকছড়ি হাজারিখিল অভয়ারণ্য (Hazarikhil Wildlife Sanctuary) প্রকৃতির শোভা বর্ধন করে চলেছে। বিরল প্রজাতির বৃক্ষ ও প্রাণীর আবাসস্থলের কারণে ২০১৪ সালের ৫ আগস্ট এই বনাঞ্চলকে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
