চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলায় মনোমুগ্ধকর প্রকৃতির আবহে উঁচু-নিচু পাহাড়, লেকের স্বচ্ছ পানি ও বনাঞ্চল ঘিরে গড়ে উঠেছে বাঁশখালী ইকোপার্ক (Banshkhali Eco Park)। কোথায় থাকবেনচট্টগ্রামের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় বা আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল খুঁজে পাবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

বাঁশখালী ইকোপার্ক সম্পর্কে
ইকোপার্কের সুউচ্চ পাহাড়ে দাঁড়িয়ে বঙ্গোপসাগরের অথৈ জলরাশি, পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা ঝর্ণাধারা আর বিকাল বেলায় সূর্যাস্তের নয়নাভিরাম দৃশ্য দর্শনার্থীদের মোহিত করে।
কীভাবে যাবেন
চট্টগ্রামের থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে বাঁশখালী ইকোপার্ক রয়েছে। তাছাড়া চট্টগ্রাম শহরে বাঙ্গালি, চাইনিজ বা ফাস্ট ফুডের বেশকিছু ভাল মানের রেস্তোরাঁ আছে। এছাড়া এখানে মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, চিত্রা বিড়াল, বাঘ, মেছো বাঘ ও পাখির প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে।
কোথায় খাবেনবাঁশখালীতে সাধারন মানের বেশ কিছু হোটেল ও মনছুড়িয়া বাজারে খুচরা চা নাস্তার দোকান আছে। ২০০৩ সালে জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বন্য প্রাণীর আবাস্থল উন্নয়ন, ইকো ট্যুরিজম ও চিত্তবিনোদনের উদ্দেশ্যে প্রায় ১,০০০ হেক্টর বনভূমি নিয়ে চট্টগ্রাম শহর থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে সরকারী উদ্যোগে বাঁশখালী ইকোপার্ক নির্মাণ করা হয়। চট্টগ্রামের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা বাঁশখালী উপজেলাতেই রয়েছে বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত, চাঁদপুর বেলগাঁও চা বাগান।
পার্কের উল্লেখযোগ্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে পিকনিক স্পট, দ্বিতল রেস্ট হাউজ, হিলটপ কটেজ, রিফ্রেশমেন্ট কর্ণার, দীর্ঘতম ঝুলন্ত ব্রিজ, ওয়াচ টাওয়ার এবং মিনি চিড়িয়াখানা। প্রকৃতির ভিন্ন ভিন্ন ঋতু বৈচিত্রের সাথে বাঁশখালী ইকোপার্কের সৌন্দর্যও পরিবর্তিত হতে থাকে। আর সুযোগ থাকলে অবশ্যই চট্টগ্রামের পরিচিত মেজবানি খাবার ও কালা ভুনা খেয়ে দেখবেন।
চট্টগ্রাম থেকে বাস বা অটোরিকশায় বাঁশখালী যেতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মতো সময় লাগে। পার্কের দুইটি সুবিশাল লেকে রয়েছে মাছ ধরার যাবতীয় সুব্যবস্থা। প্রকৃতির অপরূপ রূপমণ্ডিত পার্কের ৬৭৪ হেক্টর বনভূমিতে ঝাউ বাগান, ভেষজ উদ্ভিদের বন ও অর্নামেন্টাল গাছ সহ প্রায় ৩১০ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে।
বাঁশখালী ইকোপার্কে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের তথ্য সম্বেলিত একটা তথ্য ও শিক্ষা কেন্দ্র আছে। শীতকালে অতিথি পাখির কলরবে সরব হয়ে উঠে এই ইকোপার্কের সবুজ প্রকৃতি। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য।
চট্টগ্রামের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে ওয়ার সিমেট্রি, ফয়েজ লেক, পতেঙ্গা সৈকত, মহামায়া লেক, জাম্বুরি পার্ক, চন্দ্রনাথ পাহাড়, হাজারিখিল অভয়ারণ্য ছাড়াও বেশকিছু আকর্ষণীয় ঝর্ণা রয়েছে।
কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রামের থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে বাঁশখালী ইকোপার্ক রয়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে বাস বা অটোরিকশায় বাঁশখালী যেতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মতো সময় লাগে।
কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রামের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় বা আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল খুঁজে পাবেন। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
বাঁশখালীতে সাধারন মানের বেশ কিছু হোটেল ও মনছুড়িয়া বাজারে খুচরা চা নাস্তার দোকান আছে। তাছাড়া চট্টগ্রাম শহরে বাঙ্গালি, চাইনিজ বা ফাস্ট ফুডের বেশকিছু ভাল মানের রেস্তোরাঁ আছে। আর সুযোগ থাকলে অবশ্যই চট্টগ্রামের পরিচিত মেজবানি খাবার ও কালা ভুনা খেয়ে দেখবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বাঁশখালী ইকোপার্ক কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রামের থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে বাঁশখালী ইকোপার্ক রয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে বাস বা অটোরিকশায় বাঁশখালী যেতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মতো সময় লাগে।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রামের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় বা আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল খুঁজে পাবেন। আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য।
বাঁশখালী ইকোপার্ক সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলায় মনোমুগ্ধকর প্রকৃতির আবহে উঁচু-নিচু পাহাড়, লেকের স্বচ্ছ পানি ও বনাঞ্চল ঘিরে গড়ে উঠেছে বাঁশখালী ইকোপার্ক (Banshkhali Eco Park)। কোথায় থাকবেনচট্টগ্রামের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় বা আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের হোটেল খুঁজে পাবেন। ইকোপার্কের সুউচ্চ পাহাড়ে দাঁড়িয়ে বঙ্গ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

