বাংলাদেশের বিভাগীয় শহর সিলেটের কেন্দ্রস্থল দিয়ে বয়ে গেছে সুরমা নদী। মাইকেল ক্বীনের স্মরণে ব্রীজটি নির্মাণ এবং নামকরন করা হয়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

ক্বীন ব্রীজ সম্পর্কে
ঢাকা থেকে সবচেয়ে দ্রুত সময়ে ও সাচ্ছন্দে সিলেট যেতে চাইলে আকাশ পথে গমন করতে পারেন। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ের সহযোগিতায় ব্রীজটির বিধ্বস্ত অংশ পুনঃনির্মাণ করা। তখন সুরমা নদীর উপর একটা ব্রীজ নির্মাণর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
এছাড়া সিলেট শহরে নানা মানের রেস্তোরাঁ আছে, আপনার পছন্দ মত যেকোন জায়গায় খেয়ে নিতে পারেন। ১৯৩৬ সালে নির্মিত ক্বীন ব্রিজের দৈর্ঘ্য ৩৫০.৫২ মিটার এবং প্রস্থ ৫.৪ মিটার। চট্টগ্রাম থেকে সিলেটচট্টগ্রাম থেকে বাস, ট্রেন ও আকাশপথে সিলেট যাওয়া যায়।
মাইকেল ক্বীন ১৯৩২ থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত আসামের গভর্ণর ছিলেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সিলেট যেতে কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন আপনার ভ্রমণ সঙ্গী হিসাবে। ট্রেনে শ্রেনীভেদে ভাড়া লাগবে ৩৭৫ থেকে ১২৮৮ টাকা।
চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেট যেতে পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে। ঢাকা থেকে সিলেটঢাকার গাবতলী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সিলেটের বাস ছেড়ে যায়৷ ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি ও এনা পরিবহনের এসি বাস যাতায়াত করে, এগুলোর ভাড়া প্রায়ই ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে। ট্রেনে শ্রেনীভেদে ভাড়া লাগবে ৪৫০ থেকে ১৫৪১ টাকা।
সিলেট শহরের “প্রবেশদ্বার” খ্যাত এই স্থাপনাটি সিলেটের ঐতিহ্যবাহী জায়গা হিসাবে সকলের কাছে অত্যন্ত সুপরিচিত। সিলেট রেলওয়ে স্টেশন হতে ক্বীন ব্রীজ কেবল আধা কিলোমিটার দূরে রয়েছে তাই চাইলে পায়ে হেটেই ক্বীন ব্রীজ থেকে ঘুরে আসতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন
লালা বাজার অঞ্চলয় ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। আর সুরমা নদীর উপর লৌহ নির্মিত সেতুর নাম ক্বীন ব্রীজ (Keane Bridge)। এছাড়াও হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা, কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে সড়ক পথে ক্বীন ব্রীজের দূরত্ব প্রায় ২৩৩ কিলোমিটার এবং রেলপথে দূরত্ব প্রায় ৩১৯ কিলোমিটার। সিলেট শহরের যেকোন জায়গা থেকে সিএনজি, রিকশা বা অটোরিকশা দিয়ে সহজেই ক্বীন ব্রীজ যাওয়া যায়। কি খাবেনসিলেটর জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁের সুলভ মূল্যে পছন্দমত বিচিত্র রকম দেশী খাবার খেতে পারেন।
উনিশ শতকের তিরিশ দশকে আসামের গভর্ণর মাইকেল ক্বীন সিলেট সফরে আসেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী বাহিনী ডায়নামাইট দিয়ে ব্রীজের একাংশ উড়িয়ে দেয়। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এবং ইউএস বাংলার বিমান নিয়মিতভাবে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
এইসব রেস্তোরাঁের বাহারী খাবার দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণ। পাশাপাশি ঢাকা থেকে সিলেট যেতে শ্যামলী, হানিফ, ইউনিক, এনা পরিবহনের নন এসি বাস জনপ্রতি ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়ায় পাবেন। আশেপাশের দর্শনীয় জায়গাসিলেট শহর ও সিলেটের আশেপাশে যে সকল দর্শনীয় জায়গাে ভ্রমণ করতে পারেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পর্যটন জায়গা হলো- হযরত শাহজালালের মাজার, হযরত শাহপরাণের মাজার, মালনীছড়া চা বাগান, জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল, লোভাছড়া, লালাখাল, পান্থুমাই ঝর্ণা, সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা, আলী আমজাদের ঘড়ি, হাকালুকি হাওর, ভোলাগঞ্জ, ড্রিমল্যান্ড পার্ক, জাকারিয়া সিটি ইত্যাদি।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক পথে ক্বীন ব্রীজের দূরত্ব প্রায় ২৩৩ কিলোমিটার এবং রেলপথে দূরত্ব প্রায় ৩১৯ কিলোমিটার।
পাশাপাশি ঢাকা থেকে সিলেট যেতে শ্যামলী, হানিফ, ইউনিক, এনা পরিবহনের নন এসি বাস জনপ্রতি ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়ায় পাবেন।
চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেট যেতে পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে।
ঢাকা থেকে সিলেটঢাকার গাবতলী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সিলেটের বাস ছেড়ে যায়৷ ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি ও এনা পরিবহনের এসি বাস যাতায়াত করে, এগুলোর ভাড়া প্রায়ই ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে।
চট্টগ্রাম থেকে সিলেটচট্টগ্রাম থেকে বাস, ট্রেন ও আকাশপথে সিলেট যাওয়া যায়।
ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সিলেট যেতে কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন আপনার ভ্রমণ সঙ্গী হিসাবে।
কোথায় থাকবেন?
লালা বাজার অঞ্চলয় ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। এছাড়াও হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা, কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন।
কোথায় খাবেন?
সিলেটর জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁের সুলভ মূল্যে পছন্দমত বিচিত্র রকম দেশী খাবার খেতে পারেন। এইসব রেস্তোরাঁের বাহারী খাবার দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণ। এছাড়া সিলেট শহরে নানা মানের রেস্তোরাঁ আছে, আপনার পছন্দ মত যেকোন জায়গায় খেয়ে নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ক্বীন ব্রীজ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে সড়ক পথে ক্বীন ব্রীজের দূরত্ব প্রায় ২৩৩ কিলোমিটার এবং রেলপথে দূরত্ব প্রায় ৩১৯ কিলোমিটার। পাশাপাশি ঢাকা থেকে সিলেট যেতে শ্যামলী, হানিফ, ইউনিক, এনা পরিবহনের নন এসি বাস জনপ্রতি ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়ায় পাবেন। চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেট যেতে পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সপ্তাহে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
লালা বাজার অঞ্চলয় ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। এছাড়াও হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা, কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন।
ক্বীন ব্রীজ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বাংলাদেশের বিভাগীয় শহর সিলেটের কেন্দ্রস্থল দিয়ে বয়ে গেছে সুরমা নদী। মাইকেল ক্বীনের স্মরণে ব্রীজটি নির্মাণ এবং নামকরন করা হয়। ঢাকা থেকে সবচেয়ে দ্রুত সময়ে ও সাচ্ছন্দে সিলেট যেতে চাইলে আকাশ পথে গমন করতে পারেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide


