bangladesh · Editorial

মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র

বাংলা সাহিত্যের পরিচিত মহাকাব্যিক উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু'র রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালের ১৩ ই নভেম্বর কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে তাঁর মামার বাড়িতে

Photograph · Collected for Tripzao Journal

বাংলা সাহিত্যের পরিচিত মহাকাব্যিক উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু’র রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালের ১৩ ই নভেম্বর কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে তাঁর মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলার মুসলিম সমাজে আজো তাঁর এই সাহিত্যকে ধর্মগ্রন্থের মতই গুরুত্বের সাথে পাঠ করা হয়।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র

মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র সম্পর্কে

পদমদী থেকে ২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আনন্দ বাজারে সাধারণ মানের কিছু হোটেল আছে। মীর মশাররফ হোসেনের পিতা মীর মোয়াজ্জ্বেম হোসেন রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে বাস করতেন। তৎকালীন সময়ে ‘জমিদার দর্পন’ নাটকের জন্য তিনি শ্রেষ্ট নাট্যকারের মর্যাদা লাভ করেন।

১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর পদমদীর নিজ গৃহে মীর মশারফ হোসেন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এদের মধ্যে রয়েছে – হোটেল পার্ক, কেনটন চাইনিজ হোটেল ও রেস্তোরা, গুলশান বোডিং, প্রাইম হোটেল, পাংশা ডাকবাংলো, বালিয়াকান্দি ডাক বাংলো, গোয়ালন্দ ডাক বাংলো। নিজ গৃহ হতে শুরু করে মীর মশারফ হোসেনের শিক্ষা জীবন কাটে কুষ্টিয়া, ফরিদপুর এবং কৃষ্ণনগরের নানা বিদ্যালয়ে।

কোথায় খাবেন

মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্রে তেমন কোন খাবারের ব্যবস্থা নেই। প্রায় দুই একর জায়গা জুড়ে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র (Mir Mosharraf Hossain Memorial Museum) ২০০৫ সালে ভ্রমণকারীদের জন্য খুলে দেয়া হয়। পৈতৃক নিবাস থেকেই মীর মশাররফ হোসেন তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গ্রন্থ রচনা করেন।

এখন এই স্মৃতিকেন্দ্রটিতে অসংখ্য ভ্রমণকারী ভ্রমণ করতে আসেন। এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজবাড়ী আসতে পারবেন। বিশুদ্ধ বাংলায় একে একে তিনি লিখে গেছেন নানা কালজয়ী গদ্য, পদ্য, প্রবন্ধ, নাটক এবং উপন্যাস।

কোথায় থাকবেন

রাজবাড়ী (Rajbari) জেলায় কয়েকটি সরকারি ডাক বাংলো এবং বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। যদিও রাজবাড়ীতে নানামানের খাবারের হোটেলে আপনার প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন। মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্রে আছে সংগ্রহশালা, ১০০ আসন বিশিষ্ট সেমিনার কক্ষ, দফতর, গ্রন্থাগার, অতিথি কক্ষ, অভ্যর্থনা কক্ষ, ডাইনিং, কিচেন এবং প্রসাধন কক্ষ।

তাঁর মোট গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় ৩৭টি। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩৪০ থেকে ৭৮২ টাকা। তাঁকে তার স্ত্রী কুলসুমের সমাধির পাশে সমাহিত করা হয়।

মীর মশাররফ হোসেনের সর্বশ্রেষ্ট গ্রন্থ ‘বিষাদ সিন্ধু’ বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। রাজবাড়ী জেলা শহর থেকে অটোরিকশা রিজার্ভ করে সরাসরি মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র যেতে পারবেন। সময়সুচিঃ শুক্র ও শনিবার সহ সকল ধরণের সরকারি ছুটির দিনে মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র ভ্রমণকারীদের জন্য বন্ধ থাকে।

মীর মশারফ হোসেনের স্মৃতি রক্ষার্থে ২০০১ সালে মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

কীভাবে যাবেন

ঢাকার গাবতলি থেকে রাবেয়া, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, রাজবাড়ী পরিবহণ, সপ্তবর্ণা, সাউদিয়া বাসে চড়ে পাদ্মা সেতু পার হয়ে রাজবাড়ী যেতে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া লাগে। জানা যায় মীর মশাররফ হোসেনের পূর্বপুরুষ সৈয়দ সাদুল্লাহ বাগদাদ থেকে প্রথমে দিল্লী এবং পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলার স্যাকরা গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন। এছাড়াও অন্যান্য খাবারের মধ্যে পান বাজারে রয়েছে ভাদু শাহার দোকানের চমচম, রেলগেইটের হৈরা শাহের চপ এবং ঝালাই পট্টির কুলফি মালাই খেয়ে দেখতে পারেন।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকার গাবতলি থেকে রাবেয়া, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, রাজবাড়ী পরিবহণ, সপ্তবর্ণা, সাউদিয়া বাসে চড়ে পাদ্মা সেতু পার হয়ে রাজবাড়ী যেতে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া লাগে।

এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজবাড়ী আসতে পারবেন।

ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩৪০ থেকে ৭৮২ টাকা।

রাজবাড়ী জেলা শহর থেকে অটোরিকশা রিজার্ভ করে সরাসরি মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন?

রাজবাড়ী (Rajbari) জেলায় কয়েকটি সরকারি ডাক বাংলো এবং বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে – হোটেল পার্ক, কেনটন চাইনিজ হোটেল ও রেস্তোরা, গুলশান বোডিং, প্রাইম হোটেল, পাংশা ডাকবাংলো, বালিয়াকান্দি ডাক বাংলো, গোয়ালন্দ ডাক বাংলো।

কোথায় খাবেন?

মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্রে তেমন কোন খাবারের ব্যবস্থা নেই। যদিও রাজবাড়ীতে নানামানের খাবারের হোটেলে আপনার প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন। পদমদী থেকে ২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আনন্দ বাজারে সাধারণ মানের কিছু হোটেল আছে। এছাড়াও অন্যান্য খাবারের মধ্যে পান বাজারে রয়েছে ভাদু শাহার দোকানের চমচম, রেলগেইটের হৈরা শাহের চপ এবং ঝালাই পট্টির কুলফি মালাই খেয়ে দেখতে পারেন।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র কীভাবে যাবেন?

ঢাকার গাবতলি থেকে রাবেয়া, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, রাজবাড়ী পরিবহণ, সপ্তবর্ণা, সাউদিয়া বাসে চড়ে পাদ্মা সেতু পার হয়ে রাজবাড়ী যেতে জনপ্রতি ৫০০ টাকা ভাড়া লাগে। এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে রাজবাড়ী আসতে পারবেন। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগব

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

রাজবাড়ী (Rajbari) জেলায় কয়েকটি সরকারি ডাক বাংলো এবং বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে – হোটেল পার্ক, কেনটন চাইনিজ হোটেল ও রেস্তোরা, গুলশান বোডিং, প্রাইম হোটেল, পাংশা ডাকবাংলো, বালিয়াকান্দি ডাক বাংলো, গোয়ালন্দ ডাক বাংলো।

মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

বাংলা সাহিত্যের পরিচিত মহাকাব্যিক উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু’র রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালের ১৩ ই নভেম্বর কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে তাঁর মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলার মুসলিম সমাজে আজো তাঁর এই সাহিত্যকে ধর্মগ্রন্থের মতই গুরুত্বের সাথে পাঠ করা হয়। পদমদী থেকে ২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আনন্দ বাজা

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh Dhaka guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.