কিশোরগঞ্জ থেকে ২২ কিলোমিটার এবং পাকুন্দিয়া উপজেলা হতে ৮ কিলোমিটার দূরে এগারসিন্দুর গ্রামে ঈশা খাঁর স্মৃতি বিজড়িত এই দুর্গের অবজায়গা। এগারোসিন্ধুর নামের পূর্বে জায়গাটি গঞ্জের হাট নামে পরিচিত ছিল।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

এগারসিন্দুর দুর্গ সম্পর্কে
এছাড়াও এগারসিন্দুরে আরো যেসব স্থাপনা দেখতে পারেন: বেবুদ রাজার খনন করা দীঘি যা বেবুদ রাজার দীঘি নামে পরিচিত। নদী পথে যোগাযোগ সহজ থাকায় তৎকালীন সময়ে এই অঞ্চল দ্রুত ব্যবসা বানিজ্য ও বসবাসের জায়গা হিসেবে পেওসার লাভ করে। ঈসা খাঁর এই মহানুববতায় মান সিংহ পরাজয় মেনে নেন।
১৬৪২ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে ইট দিয়ে তৈরী করা পোড়ামাটির অলঙ্করণে সমৃদ্ধ সাদী মসজিদ। আসনভেদে ট্রেনের টিকেটের মূল্য ১৩৫ থেকে ৩৬৮টাকা। কটিয়াদী থেকে সরাসরি এগারোসিন্দুর যাবার জায়গাীয় যানবাহন পেয়ে যাবেন।
মানিকখালী স্টেশন থেকে ইজিবাইক বা অটোরিকশায় করে আসতে হবে কটিয়াদী। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পের কারণে দুর্গটি প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার মহাখালী বাস স্ট্যান্ড থেকে জলসিঁড়ি ও অনন্যা পরিবহনের বাস পাকুন্দিয়া হয়ে চলাচল করে। ঢাকা থেকে ট্রেনে আসতে হলে আপনাকে আন্তঃনগর ট্রেন এগারোসিন্দুর কিংবা কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেসে চড়ে মানিকখালী স্টেশনে নামতে হবে। মোঘল সেনাপতি রাজা দুর্জন সিংহ এবং ইতিহাস আলোচিত মান সিংহের লড়াই এ জায়গাতেই ঘটেছিল।
ইতিহাসষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত এগারসিন্দুর দুগের্র মূল নির্মাতা হিসাবে রাজা আজাহবা, কোচ হাজং উপজাতি প্রধান বেবুধ রাজা ও রাজা গৌর গোবিন্দ এই তিন জনকে নিয়ে মতভেদ দেখা যায়। থানারঘাট নামক জায়গাতে বাস থেকে নেমে রিক্সা বা ইজিবাইকে খুব সহজেই এগারসিন্দুর যাওয়া যায়। কথিত আছে, ১৫৯৮ সালে ঈশা খাঁ সাথে যুদ্ধে মান সিংহের তলোয়ার ভেঙ্গে যায় তখন নিরস্ত্র মানসিংহকে ঈশা খাঁ করে নতুন অস্ত্র তুলে।
যদিও আশেপাশে বেবুধ রাজার দীঘিসহ নানা স্থাপনার কারণে এ দুর্গের নির্মাতা হিসাবে তাঁর নামই বেশী প্রচলিত। ১১ টি ছোট বড় খাল বা নদী এই গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পরবর্তীতে এই জায়গা এগারসিন্দুর নামে পরিচিতি পায়। সুলতানী আমলের পর এগারসিন্দুর অঞ্চলটি বেবুধ রাজার দখলে চলে যায়।
পরবর্তীতে বাংলার বার ভূঁইয়ার প্রধান ঈশা খাঁ বেবুধ রাজাকে পরাজিত করে এগারসিন্দুর দুর্গটি দখল করেন। এখানে খাওয়া ও থাকার জন্য তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। যদিও দুর্গের ভেতরে উঁচু ঢিবি দেখতে পাওয়া যায়, যেখানে কামান দাগানো হতো বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
১৬০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে নির্মিত বিশাল গম্বুজসমৃদ্ধ শাহ মাহমুদ মসজিদ ও বালাখানা। যদিও পাকুন্দিয়ায় কিছু সাধারণ মানের খাবার হোটেল ও একটা সরকারি ডাকবাংলো আছে।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার মহাখালী বাস স্ট্যান্ড থেকে জলসিঁড়ি ও অনন্যা পরিবহনের বাস পাকুন্দিয়া হয়ে চলাচল করে।
এখানে খাওয়া ও থাকার জন্য তেমন কোন ব্যবস্থা নেই।
আসনভেদে ট্রেনের টিকেটের মূল্য ১৩৫ থেকে ৩৬৮টাকা।
মানিকখালী স্টেশন থেকে ইজিবাইক বা অটোরিকশায় করে আসতে হবে কটিয়াদী।
ঢাকা থেকে ট্রেনে আসতে হলে আপনাকে আন্তঃনগর ট্রেন এগারোসিন্দুর কিংবা কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেসে চড়ে মানিকখালী স্টেশনে নামতে হবে।
কটিয়াদী থেকে সরাসরি এগারোসিন্দুর যাবার জায়গাীয় যানবাহন পেয়ে যাবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
এগারসিন্দুর দুর্গ কীভাবে যাবেন?
ঢাকার মহাখালী বাস স্ট্যান্ড থেকে জলসিঁড়ি ও অনন্যা পরিবহনের বাস পাকুন্দিয়া হয়ে চলাচল করে। এখানে খাওয়া ও থাকার জন্য তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। আসনভেদে ট্রেনের টিকেটের মূল্য ১৩৫ থেকে ৩৬৮টাকা। মানিকখালী স্টেশন থেকে ইজিবাইক বা অটোরিকশায় করে আসতে হবে কটিয়াদী। ঢাকা থেকে ট্রেনে আসতে হলে আপনাকে আন্তঃনগর ট্রেন এ
এগারসিন্দুর দুর্গ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
কিশোরগঞ্জ থেকে ২২ কিলোমিটার এবং পাকুন্দিয়া উপজেলা হতে ৮ কিলোমিটার দূরে এগারসিন্দুর গ্রামে ঈশা খাঁর স্মৃতি বিজড়িত এই দুর্গের অবজায়গা। এগারোসিন্ধুর নামের পূর্বে জায়গাটি গঞ্জের হাট নামে পরিচিত ছিল। এছাড়াও এগারসিন্দুরে আরো যেসব স্থাপনা দেখতে পারেন: বেবুদ রাজার খনন করা দীঘি যা বেবুদ রাজার দীঘি নামে পরি
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

