রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের ওড়াছড়িতে গেলে দেখা মিলে অনিন্দ্য চমৎকার ধুপপানি ঝর্ণা (Dhuppani Waterfall)। কাপ্তাই লঞ্চঘাট থেকে ট্রলার দিয়ে দিয়ে বিলাইছড়ি যেতে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট সময় লাগে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

ধুপপানি ঝর্ণা সম্পর্কে
মোবাইল: 01827-722905, 01553-128673। প্রয়োজনে নিরিবিলি বোর্ডিংয়ের প্রোপাইটর সঞ্জয় তালুকদারের ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। প্রথম দিন বিলাইছড়ি গিয়ে মুপ্পোছড়া ঝর্ণা ও নকাটা ঝর্ণা দেখে বিলাইছড়ি বাজারে ফিরতে হবে।
বিলাইছড়ি যাবার পথে চেকপোস্ট আছে, সেখানে সবারি ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি দিয়ে এন্ট্রি করে নিতে হবে। সেই ক্ষেত্রে বিলাইছড়ি রাতে থাকতে হবে। রাতে থেকে পরের দিন সকাল বেলায় উলুছড়ি হয়ে ধুপপানি ঝর্না দেখে তারপর ফিরতে হবে কাপ্তাই।
ট্রেকিং এর সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন। এছাড়া আছে নীলাদ্রী রিসোর্ট ও উপজেলা রেস্ট হাউজ। নৌকার সাইজ অনুযায়ী ভাড়া লাগবে ৬-৮ হাজার টাকা।
বিলাইছড়ি থেকে উলুছড়ি যাওয়া ও আসার জন্যে নৌকা পাবেন। বিলাইছড়ি থেকে এবার প্রায় ২ ঘন্টা দূরত্বের উলুছড়ি রওনা দিতে হবে। উলুছড়ি থেকে ধুপপানি ঝর্ণায় পৌছাতে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লাগবে।
ধুপপানি ঝর্ণা যাবার উপায়ঢাকা থেকে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই আসার বহু বাস সার্ভিস রয়েছে। আপনি যদি ভেঙ্গে ভেঙ্গে নৌকায় যেতে না চান তাহলে কাপ্তাই লঞ্চঘাট থেকেই বিলাইছড়ি হয়ে উলুছড়ি যাওয়া ও আসা সহ রিজার্ভ নৌকা নিতে পারবেন। আলোচনা সাপেক্ষ্যে গাইড ফি ৫০০ টাকা লাগতে পারে।
ধুপপানি ঝর্ণা দেখতে
কোথায় থাকবেন
বিলাইছড়িতে রাতে থাকার ব্যবস্থাের ব্যবস্থা আছে। ২০০০ সালের দিকে এক বৌদ্ধ ধ্যান সন্ন্যাসী এখানে ধ্যান শুরু করেন, পরবর্তীতে জায়গাীয় মানুষের মাধ্যমে এই ঝর্ণা সকলের কাছে পরিচিতি পায়। এক নৌকায় যাওয়া যাবে ১০-১৫ জন।
ট্রেকিং এর শুরুর পথ কিছুটা সমতল, যদিও বহু কাদাময় থাকতে পারে। ধুপপানি ঝর্ণা দেখতে যাওয়ার কিছু পরামর্শধুপপানি ঝর্না দেখতে যাওয়ার সেরা সময় জুলাই থেকে অক্টোবর মাস। রাতে থাকতে চাইলে বিলাইছড়ি বাজারে কটেজ আছে থাকার।
ধুপপানি ঝর্ণায় যাওয়ার সময় কিছু শুকনো খাবার সাথে করে নিয়ে যান। ট্রলার রিজার্ভ নিলে ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা লাগবে। আপনাকে অবশ্যই সন্ধ্যার মধ্যে কাপ্তাই ফিরতে হবে।
তারপর পাহাড়ে উঠা নামার ট্রেকিং পথ। এই বোর্ডিং এ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় সিঙ্গেল এবং ডাবল বেডের রুম পাবেন। আবহের ক্ষতিহয় এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন।
তাই জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধনের সনদ, স্টুডেন্ট আইডি কার্ড অথবা যেকোন প্রতিষ্টানের ফটো আইডি কার্ড সাথে রাখুন। ভরা বর্ষায় গেলে উলুছড়ি থেকে একটা খাল ছোট নৌকা দিয়ে পার হয়ে তারপর শুরু হবে ট্রেকিং। বিলাইছড়ি বাজারে পৌছে চাইলে খাবার খেয়ে নিতে পারেন।
আর লোকাল ট্রলারে করে যেতে চাইলে কাপ্তাইঘাট থেকে সকাল ৮ টা ৩০ মিনিট, দুপুর ১ টা এবং ১ টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে যাওয়া ট্রলারে জনপ্রতি ৮০ টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন। উলুছড়ি থেকে বাধ্যতামূলক একজন গাইড নিতে হবে। ট্যুর প্ল্যান (ধুপপানি, মুপ্পোছড়া ও নকাটা ঝর্ণা)বিলাইছড়ির কাছেই রয়েছে আরও কিছু ঝর্ণা।
জায়গাীয় মানুষদের সাথে ভদ্র ও মার্জিত আচরণ করুন। জায়গাীয় খাবার যেমন বাঁশ কোড়ল এর বিচিত্র পদ, কাপ্তাই লেকের মাছ সহ দেশীয় বহু খাবার পাবেন। রাঙ্গামাটি জেলার অন্যান্য ভ্রমণ জায়গারাঙ্গামাটি জেলার উল্লেখযোগ্য ভ্রমণ জায়গা গুলোর মধ্যে আছে কাপ্তাই লেক, ঝুলন্ত ব্রিজ, সাজেক ভ্যালি, শুভলং ঝর্ণা ইত্যাদি।
ট্রলারের উঠার আগে কাপ্তাই লঞ্চঘাট থেকে নাস্তা করে নিতে পারেন। বহুেই আছে একসাথে সব গুলো ঝর্না দেখার প্ল্যান করতে চান। যাত্রাপথে ও ট্রেইলে অযথা সময় নষ্ট করা যাবেনা।
সুবিধাজনক সময়ে পছন্দের বাসে কাপ্তাই চলে আসুন। প্রায় ২ কিলোমিটার দূর থেকে ধুপপানি ঝর্ণার পানি আছড়ে পড়ার শব্দ শোনা যায়। তার মধ্যে মুপ্পোছড়া ঝর্ণা, নকাটা ঝর্ণা দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্য।
ট্রেকিং এর জন্যে ভালো গ্রিপের জুতা ব্যবহার করুন। এই ঝর্ণার আসেপাশে রয়েছে হরিণ, বুনো শুকর, বনবিড়াল এবং ভাল্লুক সহ বেশ কিছু বন্য প্রাণী। বৃষ্টি হলে রাস্তা বহু বেশি পিচ্ছিল হয়ে যায়।
বিলাইছড়ি যাওয়া আসার পথে বাধ্যতামূলকভাবে আলিখিয়াং সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। একসাথে বহুজন থাকলে খাবার আগেই অর্ডার করে দিলে ভালো হবে। যদিও সেইক্ষেত্রে কাপ্তাই থেকে খুব সকালে রওনা দিতে হবে।
ট্রলার রিজার্ভ করে গেলে হাসপাতাল ঘাটে ট্রলার থেকে নেমে নিরিবিলি বোর্ডিংয়ে উঠতে পারেন। ধুপপানি ঝর্ণা দেখার পাশাপাশি কাপ্তাই লেক, ঝুলন্ত ব্রিজ, শুভলং ঝর্ণা, রাজবন বিহার ঘুরে দেখতে পারেন। ভূমি থেকে ধুপপানি ঝর্ণার উচ্চতা প্রায় ১৫০ মিটার।
চেষ্টা করতে হবে অবশ্যই সকাল ৭টার আগে রওনা দিতে। পাথুরে সবকিছুই পিচ্ছিল হয় বহু, ট্রেকিং এর সময় ও ঝর্ণার আশেপাশে সাবধানে চলাফেরা করুন। তঞ্চঙ্গ্যা শব্দ ধুপপানি ঝর্ণার মানে হচ্ছে সাদা পানির ঝর্ণা।
ঝর্ণায় হৈ হল্লোর করা থেকে বিরত থাকুন। একদিনে ভ্রমণের টিপসআপনার প্ল্যান যদি শুধু ধুপপানি ঝর্ণা দেখার হয় তাহলে একদিনে ঘুরে আবার কাপ্তাই চলে আসা সম্ভব।
কোথায় খাবেন
বিলাইছড়ি বাজারে বেশকিছু খাবার হোটেল আছে। আরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাকুমারী ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা
কোথায় থাকবেন?
বিলাইছড়িতে রাতে থাকার ব্যবস্থাের ব্যবস্থা আছে। ট্রলার রিজার্ভ করে গেলে হাসপাতাল ঘাটে ট্রলার থেকে নেমে নিরিবিলি বোর্ডিংয়ে উঠতে পারেন। মোবাইল: 01827-722905, 01553-128673। প্রয়োজনে নিরিবিলি বোর্ডিংয়ের প্রোপাইটর সঞ্জয় তালুকদারের ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। এই বোর্ডিং এ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় সিঙ্গেল এবং ডাবল বেডের রুম পাবেন। এছাড়া আছে নীলাদ্রী রিসোর্ট ও উপজেলা রেস্ট হাউজ।
কোথায় খাবেন?
বিলাইছড়ি বাজারে বেশকিছু খাবার হোটেল আছে। জায়গাীয় খাবার যেমন বাঁশ কোড়ল এর বিচিত্র পদ, কাপ্তাই লেকের মাছ সহ দেশীয় বহু খাবার পাবেন। একসাথে বহুজন থাকলে খাবার আগেই অর্ডার করে দিলে ভালো হবে।
ট্রাভেল টিপস
আপনার প্ল্যান যদি শুধু ধুপপানি ঝর্ণা দেখার হয় তাহলে একদিনে ঘুরে আবার কাপ্তাই চলে আসা সম্ভব। যাত্রাপথে ও ট্রেইলে অযথা সময় নষ্ট করা যাবেনা। যদিও সেইক্ষেত্রে কাপ্তাই থেকে খুব সকালে রওনা দিতে হবে। চেষ্টা করতে হবে অবশ্যই সকাল ৭টার আগে রওনা দিতে। আপনাকে অবশ্যই সন্ধ্যার মধ্যে কাপ্তাই ফিরতে হবে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
বিলাইছড়িতে রাতে থাকার ব্যবস্থাের ব্যবস্থা আছে। ট্রলার রিজার্ভ করে গেলে হাসপাতাল ঘাটে ট্রলার থেকে নেমে নিরিবিলি বোর্ডিংয়ে উঠতে পারেন। মোবাইল: 01827-722905, 01553-128673। প্রয়োজনে নিরিবিলি বোর্ডিংয়ের প্রোপাইটর সঞ্জয় তালুকদারের ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। এই বোর্ডিং এ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় সিঙ্গেল এব
ধুপপানি ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের ওড়াছড়িতে গেলে দেখা মিলে অনিন্দ্য চমৎকার ধুপপানি ঝর্ণা (Dhuppani Waterfall)। কাপ্তাই লঞ্চঘাট থেকে ট্রলার দিয়ে দিয়ে বিলাইছড়ি যেতে ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট সময় লাগে। মোবাইল: 01827-722905, 01553-128673।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

