মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরে অবস্থিত ইদ্রাকপুর কেল্লা বাংলাদেশের অন্যতম সংরক্ষিত মোঘল স্থাপত্য নিদর্শন। ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে মোঘল সুবাদার মীর জুমলা পর্তুগিজ ও মগ জলদস্যুদের আক্রমণ থেকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ রক্ষার জন্য এই কেল্লা নির্মাণ করেন। পুরোনো ইছামতী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই দুর্গটি ঢাকা থেকে মাত্র ৩০ কিমি দূরে, তাই দিনে দিনে ঘুরে আসা সহজ।
- ধরন: মোঘল দুর্গ (১৬৬০ খ্রি.)
- অবস্থান: মুন্সীগঞ্জ জেলা সদর
- প্রবেশ: বিনামূল্যে / প্রতীকী ফি
- সেরা সময়: অক্টোবর–মার্চ
- ঢাকা থেকে: ৩০ কিমি, ১–১.৫ ঘণ্টা
কেন যাবেন ইদ্রাকপুর কেল্লায়
গোলাকার বুরুজ ও মাটির প্রাচীর মিলিয়ে ইদ্রাকপুরের গঠন অনন্য। কেল্লার ভেতরে উঠলে চারপাশের গ্রামীণ প্রকৃতি আর শহরের দৃশ্য একসাথে দেখা যায়। ইতিহাস-প্রেমী ও ফটোগ্রাফার — দুই শ্রেণির পর্যটকের কাছেই এটি আকর্ষণীয়। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কেল্লাটি সংরক্ষণ করছে, তাই কাঠামো এখনো মোটামুটি অক্ষত।
কীভাবে যাবেন
মুন্সীগঞ্জগামী বাসে মুন্সীগঞ্জ সদর। ভাড়া ৬০–৮০৳।
জেলা সদর থেকে কোর্ট এলাকার দিকে ৫–১০ মিনিট। ভাড়া ২০–৪০৳।
ঢাকা থেকে সরাসরি CNG বা প্রাইভেট গাড়ি — ৩৫০–৬০০৳।
কোথায় থাকবেন
মুন্সীগঞ্জ সদর হোটেল
বাজেট হোটেল ৬০০–১,২০০৳/রাত
ঢাকা থেকে দিনট্রিপ
থাকার প্রয়োজন নেই সাধারণত
বাজেট পরিকল্পনা
কেল্লার দেয়াল ও বুরুজে উঠলে সাবধান থাকুন — কিছু অংশ ভঙ্গুর। ঐতিহাসিক নিদর্শনে হাত দেওয়া বা ক্ষতি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ইদ্রাকপুর কেল্লা কি ঢাকা থেকে দিনে দিনে যাওয়া যায়?
অবশ্যই। গুলিস্তান থেকে বাসে মুন্সীগঞ্জ পৌঁছাতে ১–১.৫ ঘণ্টা লাগে। সকালে গেলে বিকেলের মধ্যে ফেরা সম্ভব।
প্রবেশ ফি কত?
সাধারণত বিনামূল্যে বা প্রতীকী ফি নেওয়া হয়। তবে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নির্ধারিত হার জেনে যাওয়া ভালো।
কেল্লার পাশে আর কী দেখার আছে?
মুন্সীগঞ্জ সদরে হরিচরণ রায়ের বাড়ি ও মুন্সীগঞ্জ জাদুঘর কাছেই। একই দিনে বাবা আদম মসজিদও দেখা যায়।