টক-মিষ্টি স্বাদের লটকন (Lotkon) কম-বেশি সবারই পছন্দের একটা ফল। অধিকাংশ বাগানের মালিক খুবই আন্তরিক এবং ভ্রমণকারীদের আগ্রহ নিয়ে নিজেদের বাগান ঘুরে দেখায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

লটকন বাগান সম্পর্কে
আর রেলপথে, ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে মহানগর এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ও এগারোসিন্দুর গোধূলির মতো ট্রেনে ১ ঘণ্টায় নরসিংদী পৌঁছানো যায়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে নরসিংদী পৌঁছানো যায়। লটকন বাগানে ঘুরতে যাওয়া ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য ভিন্ন এক অভিজ্ঞতার সাথে পরিচয় ঘটায়। সুযোগ থাকলে ভেলানগরের সুস্বাদু মালাই চা স্বাদ নিয়ে দেখতে পারেন।
নরসিংদী যাবার পথে পাঁচদোনায় নামবেন না। তাহলে বাড়তি ভোগান্তি হবে। বাগানের গাছগুলোর গোড়া থেকে শুরু করে শাখা প্রশাখা ও উপশাখা জুড়ে ঝুলতে থাকে থোকা থোকা হাজারো পাকা লটকন।
রাজধানীর গুলিজায়গা, আব্দুল্লাপুর বা সায়েদাবাদ থেকে ঢাকা-সিলেট রোডে চলাচলকারী নানা বাসে কাঁচপুর ব্রিজ পার হয়ে মরজাল বাস স্ট্যান্ড বা সৃষ্টিগড় নামতে হবে। লটকন বাগান ভ্রমণ পরামর্শজ্যৈষ্ঠ থেকে শ্রাবণ মাস অর্থাৎ মে মাসের মাঝামাঝি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত লটকন বাগান দেখার উপযুক্ত সময়। আর লটকনের জন্য নরসিংদী জেলার রয়েছে দেশজোড়া খ্যাতি।
যদিও কোন বাগানে ঢোকার আগে অবশ্যই মালিকের অনুমতি নিতে হবে। ফেরার পথে মরজাল বাজার থেকে লটকন কিনে উয়ারি বটেশ্বর দিয়ে বের হবেন। সুবিধার জন্য যে অটো রিকশা ভাড়া করবেন সেই চালকের কোন পরিচিত লটকন বাগানে পৌঁছাতে পারবেন।
জায়গাীয়দের কাছে জিজ্ঞাসা করলেই শহরের কাছাকাছি লটকন বাগানগুলো দেখিয়ে দিবে। কয়েকজন মিলে গ্রুপে মাইক্রো ভাড়া করে গেলে সৃষ্টিগড় হয়ে চৈতন্য, কুণ্ডপাড়া, নৌকা ঘাটা ও বেলাবোর লটকন বাগানগুলো ঘুরে দেখতে সুবিধা হবে। যদিও প্রয়োজনে নরসিংদী জেলায় রয়েছে ইব্রাহীম কটেজ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডির রেস্ট হাউজ ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোয় রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন।
কোথায় খাবেননরসিংদী জেলায় ফাল্গুনি হোটেল, বাবুর্চি আলমগির হোটেল, বন্ধু হোটেল ও খোকন হোটেল সহ নানা খাবার হোটেল রয়েছে। শিবপুর উপজেলার ছোটাবান্দা গ্রামের রাস্তার দুই পাশের অসংখ্য ছোট বড় লটকন বাগান নজরে পড়ে। আর লটকন বিক্রির হাট বসে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রায়পুরার মরজাল বাজার, সৃস্টিগড় বাজার, শিবপুরের কামারটেক বাজার, চৈতন্য বাজার ও গাবতলী বাজারে।
কোথায় থাকবেনঢাকা থেকে নরসিংদী গিয়ে সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসতে পারবেন। নরদিংদী স্টেশন থেকে ভেলানগর বাস স্ট্যান্ড গিয়ে লেগুনা বা বাসে মরজাল বাস স্ট্যান্ড হয়ে অটোরিকশায় মরজাল ও উয়ারি বটেশ্বর অঞ্চলর লটকন বাগানগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে। তাই বাগানের মালিকের সাথে কথা বলে নিজ হাতে গাছ থেকে পেড়ে লটকন খেতে পারবেন।
জুলাইয়ের পর থেকে লটকন বাগানের সৌন্দর্য মলিন হতে থাকে। বাগান মালিকের অনুমতি ছাড়া কোন বাগানে ঢুকবেন না এবং ফল নষ্ট করবেন না। ইচ্ছে হলে লটকন বাজার ঘুরে দেখার সাথে সাথে দরদাম করে লটকন কিনে নিতে পারবেন।
নরসিংদীর পরিচিত খাবারের মধ্যে রসগোল্লা, লালমোহন, খিরমোহন ও শাহী জিলাপি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। মরজাল বা সৃস্টিগড় থেকে অটো বা রিকশা ভাড়া করে আশেপাশের লটকন বাগানগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে। তাছাড়া নরসিংদীর উয়ারি বটেশ্বর, রায়পুর, যশোর, আগরপুর, মাকাল্লা, ভিটিখৈনকুট, দক্ষিণ কামালপুর, নৌকাঘাটা, লালখারটেক, ভাঙ্গারটেক সহ আশেপাশের প্রায় সব গ্রামেই কম বেশি লটকন বাগান রয়েছে।
নরসিংদীর শিবপুর ও মরজাল উপজেলায় বাংলাদেশের সর্বাধিক বেশি লটকনের আবাদ হয়ে থাকে। নরসিংদীর দর্শনীয় জায়গানরসিংদীর দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ী, বালাপুর জমিদার বাড়ী, উয়ারি বটেশ্বর ও ড্রিম হলিডে পার্ক ইত্যাদি অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে নরসিংদী পৌঁছানো যায়।
রাজধানীর গুলিজায়গা, আব্দুল্লাপুর বা সায়েদাবাদ থেকে ঢাকা-সিলেট রোডে চলাচলকারী নানা বাসে কাঁচপুর ব্রিজ পার হয়ে মরজাল বাস স্ট্যান্ড বা সৃষ্টিগড় নামতে হবে।
মরজাল বা সৃস্টিগড় থেকে অটো বা রিকশা ভাড়া করে আশেপাশের লটকন বাগানগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে।
আর রেলপথে, ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে মহানগর এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ও এগারোসিন্দুর গোধূলির মতো ট্রেনে ১ ঘণ্টায় নরসিংদী পৌঁছানো যায়।
নরদিংদী স্টেশন থেকে ভেলানগর বাস স্ট্যান্ড গিয়ে লেগুনা বা বাসে মরজাল বাস স্ট্যান্ড হয়ে অটোরিকশায় মরজাল ও উয়ারি বটেশ্বর অঞ্চলর লটকন বাগানগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে।
কোথায় থাকবেন?
ঢাকা থেকে নরসিংদী গিয়ে সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসতে পারবেন। যদিও প্রয়োজনে নরসিংদী জেলায় রয়েছে ইব্রাহীম কটেজ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডির রেস্ট হাউজ ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোয় রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন।
কোথায় খাবেন?
নরসিংদী জেলায় ফাল্গুনি হোটেল, বাবুর্চি আলমগির হোটেল, বন্ধু হোটেল ও খোকন হোটেল সহ নানা খাবার হোটেল রয়েছে। নরসিংদীর পরিচিত খাবারের মধ্যে রসগোল্লা, লালমোহন, খিরমোহন ও শাহী জিলাপি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। সুযোগ থাকলে ভেলানগরের সুস্বাদু মালাই চা স্বাদ নিয়ে দেখতে পারেন।
ট্রাভেল টিপস
জ্যৈষ্ঠ থেকে শ্রাবণ মাস অর্থাৎ মে মাসের মাঝামাঝি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত লটকন বাগান দেখার উপযুক্ত সময়। কয়েকজন মিলে গ্রুপে মাইক্রো ভাড়া করে গেলে সৃষ্টিগড় হয়ে চৈতন্য, কুণ্ডপাড়া, নৌকা ঘাটা ও বেলাবোর লটকন বাগানগুলো ঘুরে দেখতে সুবিধা হবে। জুলাইয়ের পর থেকে লটকন বাগানের সৌন্দর্য মলিন হতে থাকে। নরসিংদী যাবার পথে পাঁচদোনায় নামবেন না। বাগান মালিকের অনুমতি ছাড়া কোন বাগানে ঢুকবেন না এবং ফল নষ্ট করবেন না। সুবিধার জন্য যে অটো রিকশা ভাড়া করবেন সেই চালকের কোন পরিচিত লটকন বাগানে পৌঁছাতে পারবেন। ফেরার পথে মরজাল বাজার থেকে লটকন কিনে উয়ারি বটেশ্বর দিয়ে বের হবেন। তাহলে বাড়তি ভোগান্তি হবে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
লটকন বাগান কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে নরসিংদী পৌঁছানো যায়। রাজধানীর গুলিজায়গা, আব্দুল্লাপুর বা সায়েদাবাদ থেকে ঢাকা-সিলেট রোডে চলাচলকারী নানা বাসে কাঁচপুর ব্রিজ পার হয়ে মরজাল বাস স্ট্যান্ড বা সৃষ্টিগড় নামতে হবে। মরজাল বা সৃস্টিগড় থেকে অটো বা রিকশা ভাড়া করে আশেপাশের লটকন বাগানগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে। আর
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঢাকা থেকে নরসিংদী গিয়ে সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসতে পারবেন। যদিও প্রয়োজনে নরসিংদী জেলায় রয়েছে ইব্রাহীম কটেজ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডির রেস্ট হাউজ ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোয় রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে পারেন।
লটকন বাগান সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
টক-মিষ্টি স্বাদের লটকন (Lotkon) কম-বেশি সবারই পছন্দের একটা ফল। অধিকাংশ বাগানের মালিক খুবই আন্তরিক এবং ভ্রমণকারীদের আগ্রহ নিয়ে নিজেদের বাগান ঘুরে দেখায়। আর রেলপথে, ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে মহানগর এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ও এগারোসিন্দুর গোধূলির মতো ট্রেনে ১ ঘণ্টায় নরসিংদী পৌঁছানো যায়
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
