চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জে রয়েছে শৈল্পিক কারুকার্যময় হাজীগঞ্জ ইতিহাস-সমৃদ্ধ বড় মসজিদটি আয়তনের দিক দিয়ে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেই ইতিহাস-সমৃদ্ধ জুমার নামাজে তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী একেএম ফজলুল হক, নওয়াব মোশারফ হোসেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও নওয়াবজাদা খাজা নসরুল্লাহসহ বহু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ সম্পর্কে
যেহেতু ইলিশের রাজধানী চাঁদপুরে এসেছেন, আর এখানে এসে ইলিশ মিস করা কি ঠিক হবে? তাজা ইলিশ খেতে হলে বড়স্টেশনের ঝুপড়ির হোটেল অথবা লঞ্চ ঘাটের হোটেল গুলোতে খেতে পারেন। খড়ের তৈরি একচালা এবাদতখানা থেকে যাত্রা শুরু করে ধীরে ধীরে মসজিদটি খড়ের দোচালা এবং পরবর্তীতে টিনের দোচালা মসজিদের রূপ লাভ করে।
কোথায় খাবেন
খিদে মেটানোর জন্য চাঁদপুরে নানা মানের বেশকিছু খাবার হোটেল রয়েছে। আপনার পছন্দমত যেকোন হোটেলে খাবার খেয়ে নিতে পারবেন। হাজীগঞ্জ ইতিহাস-সমৃদ্ধ বড় মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হলে মর্মর পাথরের মূল মসজিদে ১৩৪৪ বঙ্গাব্দের ১০ অগ্রহায়ণ প্রথম জুমার নামাজের আযান দেয়া হয়।
এছাড়া চাঁদপুরে কোর্ট স্টেশনের কাছে বেশ মোটামুটি মানের হোটেল পাবেন। হাজীগঞ্জ ইতিহাস-সমৃদ্ধ বড় মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ও ওয়াকীফ হাজী আহমাদ আলী পাটওয়ারী (রঃ) ছিলেন মনাই হাজী (রঃ) এর প্রপৌত্র।
কোথায় থাকবেন
থাকার জন্যে মোটামুটি ভালো হোটেলের মধ্যে সদর হসপিটালের সামনে হোটেল গ্র্যান্ড হিলশা ভালো। বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ বৃহৎ এই মসজিদে প্রায় ১৮৮ ফুট উঁচু দৃষ্টিনন্দন মিনার রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে নিয়মিত বিরতিতে দিনব্যাপী চাঁদপুরগামী বাস ছেড়ে যায়। ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মধ্যে এমভি সোনারতরী, এমভি তাকওয়া, এমভি বোগদাদীয়া, এমভি মেঘনা রাণী, এমভি আল বোরাক, এমভি ঈগল, এমভি রফরফ, এমভি তুতুল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। অথবা যেতে পারবেন ট্রেনে চড়ে।
১৩৩৭ বঙ্গাব্দে হাজী আহমদ আলী পাটোয়ারী হাজীগঞ্জ ইতিহাস-সমৃদ্ধ বড় মসজিদ (Hajigonj Boro Masjid) প্রতিষ্ঠা করেন। লঞ্চে ঢাকা থেকে যেতে ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘন্টা লাগে। অবশ্যই ফরিদগঞ্জের আউয়াল ভাইয়ের মিষ্টি এবং ওয়ান মিনিট আইসক্রিম এর স্বাদ নিতে পারেন।
আর বাংলাদেশে জুমাতুল বিদা’য়ার সবচেয়ে বড় জামাত এই মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। চৌধুরী ঘাট বা নতুন ব্রিজ এর কাছে নদীর পাড়ে বেশ কয়েকটি মোটামুটি মানের হোটেল আছে। প্রায় ২৮,৪০০ বর্গফুট আয়তনের বিশাল এই মসজিদে একসাথে প্রায় ১০ হাজার মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারেন।
বাংলা একাদশ শতকের দিকে মকিম উদ্দিন (রঃ) নামে বুজুর্গ কামেলের বংশের শেষ পুরুষ হাজী মনিরুদ্দিন (রঃ) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটা দোকান থেকে পর্যায়ক্রমে হাজীগঞ্জ গড়ে ওঠে। এসব লঞ্চে ঢাকা থেকে চাঁদপুর যাওয়ার ভাড়া শ্রেনী ভেদে ১০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। কম দামে খাবার খেতে চাইলে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালের ডান পাশে রয়েছে বিআইডব্লিউটিএ ক্যান্টিনে ঢু মারতে পারেন।
পরবর্তীতে বাংলা ১৩৩৭ সনের ১৭ আশ্বিন হযরত মাওলানা আবুল ফারাহ জৈনপুরী (রঃ) কতৃক পাকা মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করানো হয়। চাঁদপুরের তালতলা বাস স্টান্ড থেকে হাজীগঞ্জগামী বাসে চড়ে বাসের হেলপারকে বড় মসজিদের নাম বললে মসজিদের সামনে বাস থেকে নামতে পারবেন। আরও পড়ুনবড় কাটরাবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বেগনী মসজিদশেখ মাহমুদ শাহ মসজিদ
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে নিয়মিত বিরতিতে দিনব্যাপী চাঁদপুরগামী বাস ছেড়ে যায়।
ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মধ্যে এমভি সোনারতরী, এমভি তাকওয়া, এমভি বোগদাদীয়া, এমভি মেঘনা রাণী, এমভি আল বোরাক, এমভি ঈগল, এমভি রফরফ, এমভি তুতুল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
অথবা যেতে পারবেন ট্রেনে চড়ে।
লঞ্চে ঢাকা থেকে যেতে ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘন্টা লাগে।
এসব লঞ্চে ঢাকা থেকে চাঁদপুর যাওয়ার ভাড়া শ্রেনী ভেদে ১০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
চাঁদপুরের তালতলা বাস স্টান্ড থেকে হাজীগঞ্জগামী বাসে চড়ে বাসের হেলপারকে বড় মসজিদের নাম বললে মসজিদের সামনে বাস থেকে নামতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
থাকার জন্যে মোটামুটি ভালো হোটেলের মধ্যে সদর হসপিটালের সামনে হোটেল গ্র্যান্ড হিলশা ভালো। এছাড়া চাঁদপুরে কোর্ট স্টেশনের কাছে বেশ মোটামুটি মানের হোটেল পাবেন। চৌধুরী ঘাট বা নতুন ব্রিজ এর কাছে নদীর পাড়ে বেশ কয়েকটি মোটামুটি মানের হোটেল আছে।
কোথায় খাবেন?
খিদে মেটানোর জন্য চাঁদপুরে নানা মানের বেশকিছু খাবার হোটেল রয়েছে। যেহেতু ইলিশের রাজধানী চাঁদপুরে এসেছেন, আর এখানে এসে ইলিশ মিস করা কি ঠিক হবে? তাজা ইলিশ খেতে হলে বড়স্টেশনের ঝুপড়ির হোটেল অথবা লঞ্চ ঘাটের হোটেল গুলোতে খেতে পারেন। অবশ্যই ফরিদগঞ্জের আউয়াল ভাইয়ের মিষ্টি এবং ওয়ান মিনিট আইসক্রিম এর স্বাদ নিতে পারেন। আপনার পছন্দমত যেকোন হোটেলে খাবার খেয়ে নিতে পারবেন। কম দামে খাবার খেতে চাইলে চাঁদপুর লঞ্চ টার্মিনালের ডান পাশে রয়েছে বিআইডব্লিউটিএ ক্যান্টিনে ঢু মারতে পারেন। আরও পড়ুনবড় কাটরাবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বেগনী মসজিদশেখ মাহমুদ শাহ মসজিদ
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে নিয়মিত বিরতিতে দিনব্যাপী চাঁদপুরগামী বাস ছেড়ে যায়। ঢাকা-চাঁদপুর রুটে চলাচলকারী লঞ্চের মধ্যে এমভি সোনারতরী, এমভি তাকওয়া, এমভি বোগদাদীয়া, এমভি মেঘনা রাণী, এমভি আল বোরাক, এমভি ঈগল, এমভি রফরফ, এমভি তুতুল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। অথবা যেতে পারবেন ট্রেনে চড়ে। লঞ্চে ঢাকা থেকে যেতে ৩ থেকে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
থাকার জন্যে মোটামুটি ভালো হোটেলের মধ্যে সদর হসপিটালের সামনে হোটেল গ্র্যান্ড হিলশা ভালো। এছাড়া চাঁদপুরে কোর্ট স্টেশনের কাছে বেশ মোটামুটি মানের হোটেল পাবেন। চৌধুরী ঘাট বা নতুন ব্রিজ এর কাছে নদীর পাড়ে বেশ কয়েকটি মোটামুটি মানের হোটেল আছে।
হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জে রয়েছে শৈল্পিক কারুকার্যময় হাজীগঞ্জ ইতিহাস-সমৃদ্ধ বড় মসজিদটি আয়তনের দিক দিয়ে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেই ইতিহাস-সমৃদ্ধ জুমার নামাজে তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী একেএম ফজলুল হক, নওয়াব মোশারফ হোসেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও নওয়াবজাদা খাজা নসরুল্
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
