বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের জঙ্গল পশ্চিম-পট্টি মৌজায় ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (University of Chittagong) প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে ঝুলন্ত সেতু, ১২টি আবাসিক হল, ৩.৫ লক্ষ বইয়ের সুবিশাল গ্রন্থাগার, মসজিদ, ক্যাফেটেরিয়া, জিমনেশিয়াম, মেডিকেল সেন্টার, শহীদ মিনার সহ নানা নান্দ্যনিক স্মৃতিস্তম্ভ ও ভাস্কর্য, ৩টি পৃথক জাদুঘর এবং পাহাড়ি ঝর্ণা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে
শহরের অক্সিজেন মোড় অথবা অন্য যেকোন জায়গা থেকে বাস/অটোরিকশায় চড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পৌঁছানো যায়। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট জমির পরিমাণ ১৭৫৪ একর। কোথায় থাকবেনচট্টগ্রাম শহরের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় এবং আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরত্ব কেবল ১২ কিলোমিটার। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য আছে দুইটি শাটল ট্রেন। শাটল ট্রেনে প্রত্যেক দিন প্রায় দশ হাজার শিক্ষার্থী বিনামূল্যে চলাচল করে।
খাওয়া দাওয়াচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চলয় ভাতঘর, ঢাকা হোটেল, মওয়ের দোকান সহ বেশকিছু সুলভ মূল্যে খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি অনুষদের অধীনে ৫৪টি বিভাগে সর্বমোট ২৭৮৩৯ জনের অধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে।
শহরের কোলাহল আর যান্ত্রিকতা থেকে দূরে সবুজ পাহাড়ে ঘেরা নৈসর্গিক প্রকৃতির চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যেন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের তীর্থক্ষেত্রের পাশাপাশি জীববৈচিত্রের এক সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা ৮৭২ জন। তাছাড়া বটতলি রেলওয়ে ষ্টেশন হতে বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটল ট্রেন প্রত্যেক দিন কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করে।
চাইলে চট্টগ্রাম শহরে ফিরে এসেও প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন।
কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরত্ব কেবল ১২ কিলোমিটার।
শহরের অক্সিজেন মোড় অথবা অন্য যেকোন জায়গা থেকে বাস/অটোরিকশায় চড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পৌঁছানো যায়।
তাছাড়া বটতলি রেলওয়ে ষ্টেশন হতে বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটল ট্রেন প্রত্যেক দিন কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করে।
কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রাম শহরের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় এবং আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দূরত্ব কেবল ১২ কিলোমিটার। শহরের অক্সিজেন মোড় অথবা অন্য যেকোন জায়গা থেকে বাস/অটোরিকশায় চড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পৌঁছানো যায়। তাছাড়া বটতলি রেলওয়ে ষ্টেশন হতে বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটল ট্রেন প্রত্যেক দিন কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা-
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রাম শহরের ষ্টেশন রোড, জিইসি মোড় এবং আগ্রাবাদ অঞ্চলয় নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল স্টার পার্ক, হোটেল ডায়মন্ড পার্ক, হোটেল মিসখা, হোটেল হিল টন সিটি, এশিয়ান এসআর হোটেল, হোটেল প্যারামাউন্ট, হোটেল সাফিনা ও হোটেল সিলমন উল্লেখযোগ্য।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের জঙ্গল পশ্চিম-পট্টি মৌজায় ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (University of Chittagong) প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে ঝুলন্ত সেতু, ১২টি আবাসিক হল, ৩.৫ লক্ষ বইয়ের সুবিশাল গ্রন্থাগার, মসজিদ, ক্যাফেটেরিয়া
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
