bangladesh · Editorial

টি বাঁধ ,রাজশাহী

রাজশাহীর পদ্মা নদীর তীরে রয়েছে 'টি-বাঁধ'। 'টি-বাঁধ' (T Badh) কীভাবে যাবেন, কি খাবেন ও কোথায় থাকবেন সহ বিস্তারিত জানতে পড়ুন।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

রাজশাহীর পদ্মা নদীর তীরে রয়েছে ‘টি-বাঁধ’ (T Badh) শুধুকেবল একটা প্রতিরক্ষা বাঁধ নয়; এটি রাজশাহী শহরের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির এক অনন্য মিলনস্থল। ​ টি-বাঁধের চারপাশ এখন জনপ্রিয় দর্শনীয় জায়গা হিসেবে পরিচিত।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

টি বাঁধ ,রাজশাহী

টি বাঁধ ,রাজশাহী সম্পর্কে

সকালে সূর্যোদয়ের সময় পাখির ডাক ও দখিনা হাওয়া যে কারও মনকে ভাল করে তুলবে। এই বিশেষ নকশা নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে রাজশাহী যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ইংরেজি “T” অক্ষরের মতো আকৃতির এই বাঁধটি নদীভাঙন রোধে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তেমনি এটি একটা পরিচিত পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত। ঢাকার মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর, গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে গ্রীন লাইন, একতা, শ্যামলি, হানিফ, ন্যাশনাল ট্রাভেলস এর এসি/নন-এসি বাসে করে রাজশাহী আসতে পারেন।

এছারা ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, ধুমকেতু এক্সপ্রেস ও বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনে করেও রাজশাহী আসতে পারবেন। ​১৯৮০-এর দশকে টি-বাঁধ নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য ছিল পদ্মা নদীর ভাঙনের কবল থেকে রাজশাহী শহর ও আশপাশের গ্রামগুলোকে রক্ষা করা। বাঁধটি দেখতে ইংরেজি “T” অক্ষরের মতো, যার একটা দীর্ঘ অংশ নদীর তীর বরাবর এবং অপর অংশ নদীর মধ্যে প্রবেশ করেছে।

জায়গাীয় মানুষ এবং দর্শনার্থীরা এখানে আসে প্রকৃতির অপরূপ রূপ উপভোগ করতে। রাজশাহী এসে শহরের যেকোন যায়গা থেকেই অটোতে করে শ্রীরামপুর টি-বাঁধ আসতে পারবেন। বিকেল বেলা গোধূলী লগ্নে রক্তিম সূর্যের আলো নদীর পানিকে দেয় এক নতুন রূপ।

: যাওয়ার উপায়, সময়সূচী ও টিকেট মূল্য

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে রাজশাহী যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

এছারা ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, ধুমকেতু এক্সপ্রেস ও বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনে করেও রাজশাহী আসতে পারবেন।

ঢাকার মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর, গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে গ্রীন লাইন, একতা, শ্যামলি, হানিফ, ন্যাশনাল ট্রাভেলস এর এসি/নন-এসি বাসে করে রাজশাহী আসতে পারেন।

রাজশাহী এসে শহরের যেকোন যায়গা থেকেই অটোতে করে শ্রীরামপুর টি-বাঁধ আসতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন?

রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য রাজশাহী শহরের উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে পর্যটন কর্পোরেশন মোটেল, হোটেল গ্রিন সিটি ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সিল্ক ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল ও মুক্তা ইন্টারন্যাশনাল। আরও বিস্তারিত জানতে পড়ুন রাজশাহীর সেরা হোটেল ও রিসোর্ট রিভিউ গাইড।

কোথায় খাবেন?

টি-বাঁধ এ ফুচকা, বাদাম ও চটপটি সহ নানা ধরনের হালকা খাবারের অস্থায়ী দোকান পেয়ে যাবেন। তাছাড়া রাজশাহী শহরে নানা মানের ফাস্টফুড, চাইনিজ ও বাংলা খাবারের রেস্তোরাঁ এ আপনার পছন্দমত খাবার খেয়ে নিতে পারেন।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

টি বাঁধ ,রাজশাহী কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে রাজশাহী যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এছারা ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস, পদ্মা এক্সপ্রেস, ধুমকেতু এক্সপ্রেস ও বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনে করেও রাজশাহী আসতে পারবেন। ঢাকার মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর, গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে গ্রীন লাইন, একতা, শ্যামলি, হানিফ,

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য রাজশাহী শহরের উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে পর্যটন কর্পোরেশন মোটেল, হোটেল গ্রিন সিটি ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সিল্ক ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল ও মুক্তা ইন্টারন্যাশনাল। আরও বিস্তারিত জানতে পড়ুন রাজশাহীর সেরা হোটেল ও রিসোর্ট

টি বাঁধ ,রাজশাহী সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

রাজশাহীর পদ্মা নদীর তীরে রয়েছে ‘টি-বাঁধ’ (T Badh) শুধুকেবল একটা প্রতিরক্ষা বাঁধ নয়; এটি রাজশাহী শহরের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির এক অনন্য মিলনস্থল। ​ টি-বাঁধের চারপাশ এখন জনপ্রিয় দর্শনীয় জায়গা হিসেবে পরিচিত। সকালে সূর্যোদয়ের সময় পাখির ডাক ও দখিনা হাওয়া যে কারও মনকে ভাল করে তুলবে।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.