শিমুল বাগান (Shimul Bagan) সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর নিকটবর্তী মানিগাঁও গ্রামে রয়েছে। তখন টাঙ্গুয়ার হাওর পানিতে পরিপূর্ণ থাকে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: শিমুল বাগানে ভেতরে যেতে জনপ্রতি ৫০ টাকা দিয়ে টিকেট করতে হবে।

শিমুল বাগান সম্পর্কে
যদিও জায়গাীয় তাজা সবজী, হাওরের বিচিত্র মাছ, ভর্তা ভাজির বিচিত্র পদের খাবারের স্বাদ খুব খারাপ লাগবেনা। শিমুল ফুলের রক্ত লাল পাপড়িগুলোর এই সৌন্দর্য্য এখানে আসা সমস্ত মানুষের মনকেই রাঙিয়ে দেয়। সুনামগঞ্জ থেকে লাউরের গড় হয়ে যাদুকাটা নদীর সৌন্দর্য দেখে ঐপাড়ে বারিক টিলার চূড়ায় সময় কাটিয়ে সেখান থেকে শিমুল বাগান দেখে টেকেরঘাটের শহীদ সিরাজ লেক (নীলাদ্রি লেক) ঘুরে ফিরে আসতে পারেন।
বাসে সুনামগঞ্জ যেতে সময় লাগবে প্রায় ৬ ঘণ্টা। আরও বিস্তারিত জানতে চাইলে নিচের ভ্রমণ জায়গা গুলোর বিস্তারিত পড়ে নিতে পারেন। প্রায় ১০০ বিঘা জায়গা জুড়ে গড়ে তোলা এই শিমুল বাগানে আছে প্রায় ৩ হাজার শিমুল গাছ।
প্রবেশ টিকেট মূল্যশিমুল বাগানে ভেতরে যেতে জনপ্রতি ৫০ টাকা দিয়ে টিকেট করতে হবে। যদিও শুকনো সময়ে মোটরবাইক এককেবল উপায়। যেভাবেই যেতে চান সময় লাগবে প্রায় ২ঘন্টা।
যদিও লাল টকটকে শিমুল ফুল দেখতে হলে অবশ্যই ফাল্গুন মাসের শুরুর দিকে রওনা দিতে হবে। এছাড়া সুনামগঞ্জ শহরে ৮০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে নানা মানের আবাসিক হোটেল পাবেন। যাদুকাটা নদীশহীদ সিরাজ লেক বা নিলাদ্রী লেকবারিক্কা টিলাটাংগুয়ার হাওড়
কোথায় থাকবেন
শিমুল বাগানের কাছাকাছি তেমন ভালো থাকার হোটেল নেই। চারপাশে ঝরা ফুলের ওপর হাঁটতে হাঁটতে মনে হবে স্বর্গীয় লালগালিচায় বুঝি আপনি হেঁটে চলেছেন। শিমুল বাগানের কাছে বাদাঘাট বাজারের আল মদিয়া হোটেল তুলনামূলক ভালো হবে।
শুকনো সময়ে সুনামগঞ্জ থেকে লাউড়েরগড় হয়ে অথবা তাহিরপুর হয়ে শিমুল বাগান পৌঁছানো যায়। নেত্রকোণা থেকেও শিমুল বাগান যাওয়া যায়। এক দিকে মেঘালয়ের পাহাড় সারির অকৃত্রিম সৌন্দর্য্য অন্য দিকে রূপবতী যাদুকাটা নদী তীরের শিমুল বাগানের লাল ফুলের সমাহার মনে ভাল লাগার শিহরণ ধরিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট।
তাঁর নাম অনুসারেই এই জায়গার নাম জয়নাল আবেদীন শিমুল বাগান। আর বর্ষায় গেলে ফুল না থাকলেও সবুজ শিমুল বাগানের দেখা পাবেন।
কীভাবে যাবেন
শিমুল বাগান যেতে চাইলে প্রথমে সুনামগঞ্জ (Sunamganj) সদরে আসতে হবে। মোটরসাইকেলে ২জন যেতে পারবেন, সারাদিনের জন্যে ভাড়া লাগবে ১০০০-১৫০০ টাকা এবং অটোরিকশায় ১৭০০-২২০০ টাকা। আপনি চাইলে একদিনে আরও কিছু জায়গা ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে।
নন-এসি বাসে ভাড়া লাগবে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা ও এসি বাসে ভাড়া লাগবে ১,০৫০ টাকা থেকে ১,৩০০ টাকা। ২০০৩ সালের দিকে জায়গাীয় ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন এই বাগান শুরু করেন। খরচ কমাতে চাইলে সুনামগঞ্জ থেকে বাইকে বা অটোরিকশায় লাউড়েরগড় পর্যন্ত গিয়ে নৌকায় নদী পার হয়ে যেতে পারবেন শিমুল বাগান।
বর্ষাকালে মোহনগঞ্জ থেকে ধর্মপাশা হয়ে নৌকায় টাঙ্গুয়ার হাওর যাওয়া যায়। আপনার হাতে সময় কেমন আছে ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বিবেচনা করে আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা সাজিয়ে নিতে পারবেন। আশেপাশের অন্যান্য জায়গাশিমুল বাগান ঘুরতে যাওয়া ভ্রমণকারীরা প্রায়ই সুনামগঞ্জ জেলার আরও কিছু দর্শনীয় জায়গা একসাথেই ঘুরে দেখার জন্যে যায়।
আর বর্ষাকালে টাঙ্গুয়ার হাওর দেখার পাশাপাশি শিমুল বাগান সহ বাকি সব জায়গা নৌকা নিয়েই ঘুরে দেখতে পাওয়া যায়। যদি থাকতেই যদিও টেকেরঘাট নীলাদ্রী লেকের কাছে বড়ছড়া বাজারের হোটেল খন্দকার, হোটেল নিলাদ্রি অথবা মেঘালয়া গেস্ট হাউজে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকায় রুম পাওয়া যাবে। ফেব্রুয়ারির ১০ থেকে ২৮ তারিখের মধ্যে গেলেই সেখানকার বিস্ময়কর সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ পাবেন সর্বাধিক ভালো ভাবে।
তাছাড়া বারিক টিলার নিচে, লাউড়েরগর বাজার, বড়ছড়া বাজার ও বাদাঘাট বাজারে কিছু মোটামুটি মানের দেশীয় খাবার হোটেল আছে। তখন শিমুল বাগানে গেলে টাঙ্গুয়ার হাওর ও ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে নৌকায় চড়ে। সেখান থেকে মহিষখোলা হয়ে টেকেরঘাট, টেকেরঘাট থেকে শিমুল বাগান।
হাওর দেখার পাশাপাশি শিমুল বাগান ঘুরে দেখা যাবে। যেমন একদিনে আশেপাশে ঘুরে দেখার পরিকল্পনা করেন তাহলে এইভাবে পরিকল্পনা করতে পারনে। শিমুল বাগান ভিডিও ব্লগ শিমুল বাগানে কখন যাবেনবছরের যে কোন সময়েই শিমুল বাগানে পৌঁছাতে পারবেন।
বসন্তকালে শিমুল বাগানের দিকে তাকালে গাছের ডালে ডালে লেগে থাকা লাল আগুনের ঝলখানি চোখে এসে লাগে। কয়েকটি হোটেলের নাম ও ঠিকানাহোটেল খন্দকার – বড়ছড়া বাজার, টেকেরঘাটহোটেল নীলাদ্রি – বড়ছড়া বাজার, টেকেরঘাটহিজল রিসোর্ট এন্ড রেস্তোরাঁ – টেকেরঘাটহোটেল টাংগুয়া ইন – তাহিরপুর বাজারহোটেল আল মদিনা – বাদাঘাট বাজার, তাহিরপুরহোটেল সারপিনিয়া – জগন্নাথবাড়ী রোড, সুনামগঞ্জহোটেল নূর – পূর্ব বাজার স্টেশন রোড, সুনামগঞ্জহোটেল মিজান, পূর্ব বাজার, সুনামগঞ্জসুরমা ভ্যালী আবাসিক রিসোর্টহোটেল নূরানী, পুরাতন বাস স্ট্যান্ড , সুনামগঞ্জহোটেল প্যালেস, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, স্টেশন রোড
কোথায় খাবেন
শিমুল বাগানকে ঘিরেই কিছু অস্থায়ী খাবার দোকান আছে, প্রয়োজনে সেখানে খেতে পারবেন। নেত্রকোণা থেকে কলমাকান্দা হয়ে পাঁচগাঁও বাজার। ঢাকার মহাখালী, গাবতলী, সায়দেবাদ ও ফকিরাপুল থেকে এনা, হানিফ ও শ্যামলী পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস নিয়মিত সুনামগঞ্জ রুটে যাতায়াত করে।
খুব ভালো খাবার আশা করা ঠিক হবে না। সারাদিনের জন্যে গাড়ি রিজার্ভ করলে শিমুল বাগান সহ আশেপাশের অন্যান্য জায়গাও ঘুরে দেখা যাবে। আরও পড়ুনচাঁদপুর বেলগাঁও চা বাগান, বাঁশখালী
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
শিমুল বাগানে ভেতরে যেতে জনপ্রতি ৫০ টাকা দিয়ে টিকেট করতে হবে।
কীভাবে যাবেন?
বছরের যে কোন সময়েই শিমুল বাগানে পৌঁছাতে পারবেন।
আর বর্ষায় গেলে ফুল না থাকলেও সবুজ শিমুল বাগানের দেখা পাবেন।
ফেব্রুয়ারির ১০ থেকে ২৮ তারিখের মধ্যে গেলেই সেখানকার বিস্ময়কর সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ পাবেন সর্বাধিক ভালো ভাবে।
যদিও লাল টকটকে শিমুল ফুল দেখতে হলে অবশ্যই ফাল্গুন মাসের শুরুর দিকে রওনা দিতে হবে।
তখন টাঙ্গুয়ার হাওর পানিতে পরিপূর্ণ থাকে।
তখন শিমুল বাগানে গেলে টাঙ্গুয়ার হাওর ও ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে নৌকায় চড়ে।
কোথায় থাকবেন?
শিমুল বাগানের কাছাকাছি তেমন ভালো থাকার হোটেল নেই। এছাড়া সুনামগঞ্জ শহরে ৮০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে নানা মানের আবাসিক হোটেল পাবেন। যদি থাকতেই যদিও টেকেরঘাট নীলাদ্রী লেকের কাছে বড়ছড়া বাজারের হোটেল খন্দকার, হোটেল নিলাদ্রি অথবা মেঘালয়া গেস্ট হাউজে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকায় রুম পাওয়া যাবে। শিমুল বাগানের কাছে বাদাঘাট বাজারের আল মদিয়া হোটেল তুলনামূলক ভালো হবে। কয়েকটি হোটেলের নাম ও ঠিকানা হোটেল খন্দকার – বড়ছড়া বাজার, টেকেরঘাটহোটেল নীলাদ্রি – বড়ছড়া বাজার, টেকেরঘাটহিজল রিসোর্ট এন্ড রেস্তোরাঁ – টেকেরঘাটহোটেল টাংগুয়া ইন – তাহিরপুর বাজারহোটেল আল মদিনা – বাদাঘাট বাজার, তাহিরপুরহোটেল সারপিনিয়া – জগন্নাথবাড়ী রোড, সুনামগঞ্জহোটেল নূর – পূর্ব বাজার স্টেশন রোড, সুনামগঞ্জহোটেল মিজান, পূর্ব বাজার, সুনামগঞ্জসুরমা ভ্যালী আবাসিক রিসোর্টহোটেল নূরানী, পুরাতন বাস স্ট্যান্ড , সুনামগঞ্জহোটেল প্যালেস, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, স্টেশন রোড
কোথায় খাবেন?
শিমুল বাগানকে ঘিরেই কিছু অস্থায়ী খাবার দোকান আছে, প্রয়োজনে সেখানে খেতে পারবেন। তাছাড়া বারিক টিলার নিচে, লাউড়েরগর বাজার, বড়ছড়া বাজার ও বাদাঘাট বাজারে কিছু মোটামুটি মানের দেশীয় খাবার হোটেল আছে। যদিও জায়গাীয় তাজা সবজী, হাওরের বিচিত্র মাছ, ভর্তা ভাজির বিচিত্র পদের খাবারের স্বাদ খুব খারাপ লাগবেনা। খুব ভালো খাবার আশা করা ঠিক হবে না। আরও পড়ুনচাঁদপুর বেলগাঁও চা বাগান, বাঁশখালী
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
শিমুল বাগান-এ প্রবেশ মূল্য কত?
শিমুল বাগানে ভেতরে যেতে জনপ্রতি ৫০ টাকা দিয়ে টিকেট করতে হবে।
শিমুল বাগান কীভাবে যাবেন?
বছরের যে কোন সময়েই শিমুল বাগানে পৌঁছাতে পারবেন। আর বর্ষায় গেলে ফুল না থাকলেও সবুজ শিমুল বাগানের দেখা পাবেন। ফেব্রুয়ারির ১০ থেকে ২৮ তারিখের মধ্যে গেলেই সেখানকার বিস্ময়কর সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ পাবেন সর্বাধিক ভালো ভাবে। যদিও লাল টকটকে শিমুল ফুল দেখতে হলে অবশ্যই ফাল্গুন মাসের শুরুর দিকে রওনা দিত
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
শিমুল বাগানের কাছাকাছি তেমন ভালো থাকার হোটেল নেই। এছাড়া সুনামগঞ্জ শহরে ৮০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকার মধ্যে নানা মানের আবাসিক হোটেল পাবেন। যদি থাকতেই যদিও টেকেরঘাট নীলাদ্রী লেকের কাছে বড়ছড়া বাজারের হোটেল খন্দকার, হোটেল নিলাদ্রি অথবা মেঘালয়া গেস্ট হাউজে ৬০০ থেকে ১০০০ টাকায় রুম পাওয়া যাবে। শিমুল বাগানে
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

