bangladesh · Editorial

কুতুব শাহ মসজিদ, অষ্টগ্রাম

কুতুব শাহ মসজিদ, অষ্টগ্রাম - প্রাচীন সুলতানী আমলের স্থাপনা কুতুব শাহ মসজিদ দেখতে কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন সব কিছু জানতে কুতুব শাহ মসজিদ ভ্রমণ গাইড পড়ুন।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে কুতুব মসজিদ বা কুতুব শাহ মসজিদ রয়েছে। মসজিদের কোন শিলালিপি বর্তমান না থাকায় এর নির্মানশৈলী দেখে ১৬শ শতকের সুলতানী আমলের নিদর্শন হিসাবে এটিকে মানা হয় তাই কুতুব শাহ মসজিদের রয়েছে ইতিহাস-সমৃদ্ধ গুরুত্ব।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

কুতুব শাহ মসজিদ, অষ্টগ্রাম

কুতুব শাহ মসজিদ, অষ্টগ্রাম সম্পর্কে

যদি বাসে করে আসেন যদিও ঢাকা থেকে বাজিতপুরের একটা বিআরটিসি বাস সার্ভিস আছে। সদ্য হাওর থেকে ধরে আনা বাহারি মাছ খেতে ভুলবেন না। কুলিয়ারচর লঞ্চঘাট হতে জনপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা ভাড়ায় অষ্টগ্রাম পৌছাতে সময় লাগবে ২-৩ ঘন্টার মত।

ট্রেনে আসলে ভাগলপুর রেলস্টেশনে নেমে ইজিবাইকে বাজিতপুর আসতে পারেন। অষ্টগ্রামের যেকোন প্রান্ত থেকে ১৫ থেকে ২০ মিনিটে রিক্সা বা ইজিবাইক দিয়ে সহজে দেখে আসতে পারবেন ঐতিহ্যবাহী কুতুব শাহ মসজিদ। সম্প্রতি কুলিয়ারচর লঞ্চঘাট হতে স্পীড বোট চালু হয়েছে জনপ্রতি ২০০ টাকা ভাড়ায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট সময়ে অষ্টগ্রাম যাওয়া যায়।

রান্নার ব্যবস্থাও উনি করবেন। এছাড়া কিশোরগঞ্জগামী যেকোন বাসে করে কটিয়াদি নেমে বাস স্টপ থেকেই বাজিতপুরের সিএনজি পাবেন। এছাড়া মসজিদটিতে সর্বমোট ৫ টি গম্বুজ রয়েছে।

বৃহত্তর ময়মনসিংহ এলাকাে সুলতানী আমলের সবচেয়ে প্রাচীন স্থাপনা হিসাবে এর সুখ্যাতি রয়েছে। এ মসজিদের কার্নিশ বক্রাকার, মসজিদের দেয়ালে রয়েছে নানা করুকাজ। কুতুব শাহ মসজিদের চারকোনায় চারটি অষ্টভূজাকৃতির বুরুজ রয়েছে আর প্রত্যেক বুরুজের উপর মিনার রয়েছে।

মোটরসাইকেলে অষ্টগ্রাম যেতে জনপ্রতি ১০০ টাকা লাগে। যাতায়াত ব্যবস্থাকিশোরগঞ্জ থেকে অষ্টগ্রাম যেতে শহরের গাইটাল বাস স্ট্যান্ড হতে ঢাকা বা ভৈরব গামী অনন্যা সুপার অথবা যাতায়াত বাসে করে জনপ্রতি ১৫০ টাকা ভাড়ায় কুলিয়ারচর থানার দাড়িয়াকান্দি বাস স্ট্যান্ড নেমে সিএনজি বা অটোরিক্সায় কুলিয়ারচর লঞ্জ ঘাট রওনা দিতে হবে। কেয়ারটেকার এর সাথে আগে যোগাযোগ করে বুকিং দিয়ে রাখবেন।

সেই সাথে অষ্টগ্রামের সুপরিচিত ৭ ইঞ্চি লম্বা মুরালির স্বাদ চেখে দেখতে পারেন। বাস ভাড়া লাগবে ৩৫০ টাকা। বাজিতপুর বাজার থেকে ইজিবাইক বা সিএনজি যোগে চলে আসুন দিঘির পাড়।

ঢাকা থেকে অষ্টগ্রাম আসতে গোলাপবাগ বা মহাখালী বাস টার্মিনাল হতে অনন্যা সুপার অথবা যাতায়াত বাস যোগে ভৈরব হয়ে কুলিয়ারচর থানার দাড়িয়াকা্ন্দি বাস স্ট্যান্ড নেমে কুলিয়ারচর লঞ্চঘাট যাওয়া যেতে পারবেন। এছাড়া অষ্টগ্রাম বাজারে থাকার জন্য কিছু হোটেল আছে এসব হোটেলের মান তেমন ভালো নয় তাই থাকার জন্য পরিচিত মানুষের সাহায্য নিন। খাবার ব্যবস্থাখেতে পারেন হাওরের তাজা মাছ।

আবাসন সুবিধাপ্রথম ও প্রধান জায়গা হলো জেলা পরিষদ ডাক বাংলো। ১৯০৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কুতুব শাহ মসজিদটিকে সংরক্ষিত স্থাপনা হিসেবে নথিভুক্ত করে। পশ্চিম দিক বাদে মসজিদের তিন পাশ থেকেই মসজিদে প্রবেশের পথ রয়েছে।

নিজেরা রান্না করতে চাইলে সকাল সকাল জায়গাীয় বাজার থেকে কিনে নিয়ে রান্না করতে পারেন। ভাড়া ৩০০-১৫০০ টাকা (রুম ভেদে) । অষ্টগ্রামে বাংলাদেশের সবচেয়ে সেরা পনির পাওয়া যায় যদিও এর জন্য আপনাকে এক দিন আগে জায়গাীয় পনীর বিক্রেতাদের পরিমাণ জানাতে হবে।

ঘাটে নৌকায় ১০ মিনিটে নদী পার হয়ে দেখার সুযোগ মিলবে ইজিবাইক কিংবা মোটরসাইকেল অষ্টগ্রাম গামী যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করছে। কুতুব মসজিদ দেখার সাথে সাথে আপনার অষ্টগ্রাম হাওর ভ্রমণ ও হয়ে যাবে। কেয়ারটেকার এর ফোন নম্বরঃ ০১৭১-০২৯১২২৫ / ০১৯১৪-৯৭৫৩৮৯।

জায়গাীয় হোটেলেও মাছের নানা পদের তরকারি পাওয়া যায়। মসজিদের পাশেই একটা কবর রয়েছে আর এই কবরটি কুতুব শাহের কবর বলে প্রচলিত। শুকনো মৌসুমে চাইলে সড়ক পথে অষ্টগ্রাম পৌঁছাতে পারবেন যদিও এর জন্য আপনাকে বাজিতপুর উপজেলায় আসতে হবে।

আরও পড়ুনশেখ মাহমুদ শাহ মসজিদবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বেগনী মসজিদসুরা মসজিদ

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

কুতুব শাহ মসজিদ, অষ্টগ্রাম সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে কুতুব মসজিদ বা কুতুব শাহ মসজিদ রয়েছে। মসজিদের কোন শিলালিপি বর্তমান না থাকায় এর নির্মানশৈলী দেখে ১৬শ শতকের সুলতানী আমলের নিদর্শন হিসাবে এটিকে মানা হয় তাই কুতুব শাহ মসজিদের রয়েছে ইতিহাস-সমৃদ্ধ গুরুত্ব। যদি বাসে করে আসেন যদিও ঢাকা থেকে বাজিতপুরের একটা বি

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh Dhaka guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.