বরিশাল শহরের প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে এক ঐতিহ্যবাহী জলাশয়ের নাম বিবির পুকুর (Bibir Pukur)। এদের মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড প্লাজা, হোটেল এথেনা ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সেডোনা, রিচমার্ট গেস্ট হাউজ, রোডেলা হোটেল এবং হোটেল এরিনা উল্লেখযোগ্য।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

বিবির পুকুর সম্পর্কে
রাজধানীর গাবতলি বাস টার্মিনাল হতে নিয়মিত বিরতিতে প্রত্যেক দিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নানা পরিবহণের বাস যাতায়াত করে। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল হতে রাত ৮টা-৯টার মধ্যে বরিশালগামী লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়। ঢাকা থেকে বরিশালগামী বাসগুলো প্রায়ই বরিশাল শহরের নতুল্লাবাদ বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে থামে।
এছাড়া কাছেই আছে ঘরোয়া হোটেল, বিচিত্রন পদের দেশী খাবার খেতে পারবেন। বরিশাল পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর নানা সময়ে বিবির পুকুরের সংস্কার ও পুনঃখনন করা হয়।
কোথায় থাকবেন
বরিশালে বেশ ভালোমানের কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। লঞ্চগুলো পরদিন ভোরে বরিশাল ঘাটে পৌঁছায়। পাশাপাশি বিবির পুকুরের কাছে উন্মুক্ত বিনোদন কেন্দ্র পাবলিক স্কয়ার নির্মাণ করা হয়েছে, যার বর্তমান নাম হিরণ স্কয়ার।
এবং ভিআইপি কেবিনের ভাড়া ৫০০০ – ৮০০০ টাকা। জনপ্রতি ডেকের ভাড়া.২০০-২৫০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ১২০০-১৪০০ টাকা, ডাবল কেবিনের ভাড়া ২২০০-২৫০০ টাকা। ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে জিন্নাত বিবি জনমানুষের জলের কষ্ট নিরসনের উদ্দেশ্যে এই পুকুর খনন করেন।
ফলে নদীর মতই এই পুকুরে নিয়মিতভাবে জোয়ার ভাটা দেখা যেত। অবিভক্ত বাংলার মন্ত্রী হাশেম আলী খানের বাড়িই জিন্নাত বিবির বাসভবন ছিল। এখন পুকুরকে কেন্দ্র করে ঝুলন্ত পার্ক, বসার বেঞ্চ, ফোয়ারা এবং আলোকসজ্জার মাধ্যমে শোভাবর্ধন করা হয়েছে।
নগরীর সদর রোডের পূর্ব পাশে রয়েছে বিবির পুকুরের দৈর্ঘ্য ১৮৫০ ফুট এবং প্রস্থ ৪০০ ফুট। পরবর্তীতে জিন্নাত বিবির নামানুসারে শতবর্ষী পুকুরটি বিবির পুকুর নামে পরিচিত হয়ে উঠে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৮০০ শতকে বাংলা মুদ্রণ সাহিত্যের জনক উইলিয়াম কেরি বরিশাল অবজায়গা করেন।
বরিশালের লঞ্চ ঘাট বা বাস স্ট্যান্ড পৌঁছে রিকশা নিয়ে নগরীর সদর রোডের পূর্ব পাশে রয়েছে বিবির পুকুর দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় খাবেন
বরিশালে রয়েছে নানা মানের খাবার হোটেল/রেস্তোরাঁ থেকে আপনার পছন্দমত খাবার খুঁজে নিতে মোটেও বেগ পেতে হবে না। যদিও ঢাকা-বরিশাল যাতায়াতের জন্য লঞ্চ সবচেয়ে ভাল মাধ্যম।
কীভাবে যাবেন
সড়কপথে ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে প্রায় ৭-৮ ঘণ্টা সময় লাগে। ১৬০০ খ্রিস্টাব্দের শুরুর দিকে বরিশালে কিছু খ্রিস্টান মিশনারির আগমণ ঘটে। শাকুরা, ঈগল এবং হানিফ পরিবহনের এসি/নন-এসি বাসের জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ৬০০ থেকে ১৩০০ টাকা (পরিবর্তনশীল)।
বিবির পুকুরের পাশেই আছে সকাল সন্ধ্যা হোটেল, যার লুচি সবজি ও সরমালাই মিস্টি জনপ্রিয় সবার কাছেই। তৎকালীন সময় কীর্তনখোলা নদীর সাথে খালের মাধ্যমে বিবির পুকুরের দুইটি সংযোগ ছিল। উইলিয়াম কেরি পর্তুগিজ দস্যুদের কাছ থেকে জিন্নাত বিবিকে উদ্ধার করে নিজেই লালন পালনের দ্বায়িত্ব নেন।
ভাল সার্ভিসের লঞ্চের মধ্যে আছে এম ভি মানামী, কুয়াকাটা ২, কীর্তনখোলা ১০, এডভেঞ্চার ১, এডভেঞ্চার ৯, চমৎকারবন ৯, চমৎকারবন ১০, সুরভী ৭, সুরভী ৮, পারাবত ৯, পারাবত ১১ সহ আরও কিছু লঞ্চ। বরিশালের দর্শনীয় জায়গাবরিশাল শহরের কাছাকাছি দর্শনীয় জায়গা গুলোর মধ্যে জনপ্রিয় গুলো হলো বিবির পুকুর, ৩০ গোডাউন, বেলস পার্ক, দুর্গাসাগর দীঘি, বাইতুল আমান মসজিদ, লাকুটিয়া জমিদার বাড়ি, মিয়াবাড়ি জামে মসজিদ, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক ইত্যাদি।
কীভাবে যাবেন?
সড়কপথে ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে প্রায় ৭-৮ ঘণ্টা সময় লাগে।
রাজধানীর গাবতলি বাস টার্মিনাল হতে নিয়মিত বিরতিতে প্রত্যেক দিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নানা পরিবহণের বাস যাতায়াত করে।
ঢাকা থেকে বরিশালগামী বাসগুলো প্রায়ই বরিশাল শহরের নতুল্লাবাদ বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে থামে।
লঞ্চগুলো পরদিন ভোরে বরিশাল ঘাটে পৌঁছায়।
জনপ্রতি ডেকের ভাড়া.২০০-২৫০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ১২০০-১৪০০ টাকা, ডাবল কেবিনের ভাড়া ২২০০-২৫০০ টাকা।
যদিও ঢাকা-বরিশাল যাতায়াতের জন্য লঞ্চ সবচেয়ে ভাল মাধ্যম।
কোথায় থাকবেন?
বরিশালে বেশ ভালোমানের কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড প্লাজা, হোটেল এথেনা ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সেডোনা, রিচমার্ট গেস্ট হাউজ, রোডেলা হোটেল এবং হোটেল এরিনা উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
বরিশালে রয়েছে নানা মানের খাবার হোটেল/রেস্তোরাঁ থেকে আপনার পছন্দমত খাবার খুঁজে নিতে মোটেও বেগ পেতে হবে না। বিবির পুকুরের পাশেই আছে সকাল সন্ধ্যা হোটেল, যার লুচি সবজি ও সরমালাই মিস্টি জনপ্রিয় সবার কাছেই। এছাড়া কাছেই আছে ঘরোয়া হোটেল, বিচিত্রন পদের দেশী খাবার খেতে পারবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বিবির পুকুর কীভাবে যাবেন?
সড়কপথে ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে প্রায় ৭-৮ ঘণ্টা সময় লাগে। রাজধানীর গাবতলি বাস টার্মিনাল হতে নিয়মিত বিরতিতে প্রত্যেক দিন ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নানা পরিবহণের বাস যাতায়াত করে। ঢাকা থেকে বরিশালগামী বাসগুলো প্রায়ই বরিশাল শহরের নতুল্লাবাদ বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে থামে। লঞ্চগুলো পরদিন ভোরে বরিশাল ঘাটে পৌঁ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
বরিশালে বেশ ভালোমানের কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড প্লাজা, হোটেল এথেনা ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সেডোনা, রিচমার্ট গেস্ট হাউজ, রোডেলা হোটেল এবং হোটেল এরিনা উল্লেখযোগ্য।
বিবির পুকুর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বরিশাল শহরের প্রাণকেন্দ্রে রয়েছে এক ঐতিহ্যবাহী জলাশয়ের নাম বিবির পুকুর (Bibir Pukur)। এদের মধ্যে হোটেল গ্র্যান্ড প্লাজা, হোটেল এথেনা ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল সেডোনা, রিচমার্ট গেস্ট হাউজ, রোডেলা হোটেল এবং হোটেল এরিনা উল্লেখযোগ্য। রাজধানীর গাবতলি বাস টার্মিনাল হতে নিয়মিত বিরতিতে প্রত্যেক দিন ভোর ৬টা থেক
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

