মিরপুর ১-এর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শুয়ে আছেন বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান — মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্বের খেতাবপ্রাপ্ত সাত শহীদের একজন। এই সমাধিতে একবার আসলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন করে অনুভূত হয়।
- জেলা: ঢাকা
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ
- অবস্থান: শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান, মিরপুর ১
- প্রবেশ মূল্য: বিনামূল্যে
- সেরা সময়: সারা বছর (বিশেষত ১৬ ডিসেম্বর)
- ধরন: মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্থান
কেন যাবেন বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের সমাধি
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট একটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ছিনতাই করে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার চেষ্টায় শহীদ হন। তাঁর দেহাবশেষ ২০০৬ সালে পাকিস্তান থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। বাংলাদেশের বায়ুসেনার এই মহান বীরের সমাধি দেশপ্রেমীদের কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থান।
কীভাবে যাবেন বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের সমাধি
ঢাকার যেকোনো প্রান্ত থেকে মিরপুরগামী বাসে মিরপুর ১ মাজার রোডে নামুন। শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান সেখান থেকে হেঁটে ৫ মিনিট।
মেট্রোরেলে মিরপুর ১০ স্টেশনে নামুন। সেখান থেকে রিকশায় মাজার রোড।
Uber বা Pathao তে Shaheed Buddhijibi Kaborsthaan, Mirpur 1 লিখে সার্চ করুন।
কী দেখবেন
শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ও হামিদুর রহমানের সমাধি পাশাপাশি অবস্থিত। কবরস্থানের পরিবেশ শান্ত ও সুশৃঙ্খল। মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সমাধিও এখানে রয়েছে। বিজয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবসে এখানে বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।
কোথায় খাবেন
মিরপুর ১ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও স্ট্রিট ফুড পাওয়া যায়। মিরপুর ১-এ সাধারণ মানের ভাত ও তরকারির হোটেল থেকে শুরু করে ফাস্টফুডের দোকান সবই আছে।
কোথায় থাকবেন
মিরপুর ১ / মিরপুর ১০ হোটেল
৳৮০০–৳২,০০০/রাত
উত্তরা এলাকার হোটেল
৳১,৫০০–৳৪,০০০/রাত
বাজেট
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ও হামিদুর রহমান — দুজনের সমাধিই একই কবরস্থানে। একই ভিজিটে দুজনকে শ্রদ্ধা জানানো যায়।
সস্তায় ঢাকা যাওয়ার ফ্লাইট খুঁজতে Tripzao এ সার্চ করুন — multi-city route এ আরও সাশ্রয় হয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের সমাধি কোথায়?
মিরপুর ১-এর মাজার রোডে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে।
সমাধিতে যেতে কত খরচ হয়?
প্রবেশ বিনামূল্যে। বাসে মিরপুর ৩০–৫০৳, মোট ২৫০–৩৫০৳ যথেষ্ট।
বিজয় দিবসে কি বিশেষ আয়োজন থাকে?
হ্যাঁ — ১৬ ডিসেম্বর ও ২৬ মার্চে সরকারি পর্যায়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। সাধারণ দর্শনার্থীরাও যেতে পারেন।

