bangladesh · Editorial

পাগলা বড় জামে মসজিদ

শতবর্ষ পুরনো স্থাপত্য নিদর্শন পাগলা বড় জামে মসজিদ বা রায়পুর বড় জামে মসজিদ কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, কোথায় খাবেন এবং খরচ সহ সকল তথ্য পড়ুন

Photograph · Collected for Tripzao Journal

সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পাগলা বাজার নামক জায়গাে মহাসিং নদীর তীরে শতবর্ষ পুরনো স্থাপত্য নিদর্শন পাগলা বড় জামে মসজিদ (Pagla Jame Masjid) রয়েছে। ১৩৩১ বঙ্গাব্দের ৫ই আশ্বিন শুক্রবার মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

পাগলা বড় জামে মসজিদ

পাগলা বড় জামে মসজিদ সম্পর্কে

সম্পূর্ণ ইটের ব্যবহারে নির্মিত স্থাপনাটিকে ভূমিকম্প নিরোধক করতে মজবুত পাতের উপর মসজিদের ভিত বসানো হয়েছে। পাগলা বড় জামে মসজিদের সামনে আছে বিশাল ঈদগাহ মাঠ এবং উত্তর দিকে একটা প্রবেশ তোড়ন রয়েছে। মসজিদের বিশেষ বৈশিষ্ট হচ্ছে দ্বিতল এই মসজিদ নির্মাণে কোন রডের ব্যবহার করা হয়নি।

মসজিদের চারদিকে স্থাপিত কারুকার্যখচিত টাইলসগুলো আনা হয়েছে ইতালি, জার্মানি ও ইংল্যান্ড থেকে। এদের মধ্যে পাঁচ ভাই, ফাইভ স্টার, জনতা, হোটেল রাজ প্রভৃতি অন্যতম। কোথায় থাকবেনসুনামগঞ্জ শহরে ২০০ থেকে ১০০০ টাকা ভাড়ায় নানা মানের হোটেলে রাতে থাকতে পারবেন।

জায়গাীয়ভাবে এটি রায়পুর বড় জামে মসজিদ নামে পরিচিত। কোথায় খাবেনসুনামগঞ্জে বিশেষত প্রসিদ্ধ কোন খাবার রেস্তোরাঁ নেই।

কীভাবে যাবেন

সুনামগঞ্জ জেলা সদর থেকে সিএনজি বা অটোরিকশার মত জায়গাীয় যানবাহনে চড়ে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের পাশে রয়েছে পাগলা বড় জামে মসজিদ পৌঁছাতে পারবেন। উল্লেখযোগ্য হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল নূর, হোটেল সারপিনিয়া, হোটেল নূরানী, হোটেল মিজান, হোটেল প্যালেস এবং সুরমা ভ্যালী আবাসিক রিসোর্ট। মাঝারি মানের খাবার হোটেল বা রেস্তোরাঁ থেকে নিজের প্রয়োজনীয় খাবারের চাহিদা মেটাতে পারবেন।

টানা দশ বছর কাজ চলার পর মসজিদটি বর্তমান রুপ লাভ করে। সুনামগঞ্জ জেলার দর্শনীয় জায়গাসুনামগঞ্জ জেলা ভৌগলিকভাবেই বৈচিত্রপূর্ণ। দ্বিতল এই মসজিদের মসজিদের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিটার।

১৯৩১ সালে জায়গাীয় ব্যবসায়ী ইয়াসীন মির্জা ভারত থেকে দক্ষ স্থপতি মুমিন আস্তাগারের মধ্যমে পাগলা বড় জামে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মসজিদের ছাদের ২৫ ফুট উচ্চতার ৩টি গম্বুজ ও ৬টি সুউচ্চ মিনার রয়েছে। পাগলা বড় জামে মসজিদের নির্মাণশৈলী ও নান্দ্যনিক কারুকাজ সবাইকে আকর্ষণ করে।

জমকালো পাথর কেটে মসজিদের মিহরাবের নকশা করা হয়েছে। হাসান রাজা মিউজিয়াম ছাড়াও সুনামগঞ্জ জেলার পরিচিত ভ্রমণ জায়গাের মধ্যে রয়েছে টাঙ্গুয়ার হাওর, শহীদ সিরাজ লেক বা নীলাদ্রী লেক, যাদুকাটা নদী, বারিক্কা টিলা ও শিমুল বাগান।

কীভাবে যাবেন?

সুনামগঞ্জ জেলা সদর থেকে সিএনজি বা অটোরিকশার মত জায়গাীয় যানবাহনে চড়ে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের পাশে রয়েছে পাগলা বড় জামে মসজিদ পৌঁছাতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন?

সুনামগঞ্জ শহরে ২০০ থেকে ১০০০ টাকা ভাড়ায় নানা মানের হোটেলে রাতে থাকতে পারবেন। উল্লেখযোগ্য হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল নূর, হোটেল সারপিনিয়া, হোটেল নূরানী, হোটেল মিজান, হোটেল প্যালেস এবং সুরমা ভ্যালী আবাসিক রিসোর্ট।

কোথায় খাবেন?

সুনামগঞ্জে বিশেষত প্রসিদ্ধ কোন খাবার রেস্তোরাঁ নেই। মাঝারি মানের খাবার হোটেল বা রেস্তোরাঁ থেকে নিজের প্রয়োজনীয় খাবারের চাহিদা মেটাতে পারবেন। এদের মধ্যে পাঁচ ভাই, ফাইভ স্টার, জনতা, হোটেল রাজ প্রভৃতি অন্যতম।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

পাগলা বড় জামে মসজিদ কীভাবে যাবেন?

সুনামগঞ্জ জেলা সদর থেকে সিএনজি বা অটোরিকশার মত জায়গাীয় যানবাহনে চড়ে সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের পাশে রয়েছে পাগলা বড় জামে মসজিদ পৌঁছাতে পারবেন।

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

সুনামগঞ্জ শহরে ২০০ থেকে ১০০০ টাকা ভাড়ায় নানা মানের হোটেলে রাতে থাকতে পারবেন। উল্লেখযোগ্য হোটেলের মধ্যে রয়েছে হোটেল নূর, হোটেল সারপিনিয়া, হোটেল নূরানী, হোটেল মিজান, হোটেল প্যালেস এবং সুরমা ভ্যালী আবাসিক রিসোর্ট।

পাগলা বড় জামে মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পাগলা বাজার নামক জায়গাে মহাসিং নদীর তীরে শতবর্ষ পুরনো স্থাপত্য নিদর্শন পাগলা বড় জামে মসজিদ (Pagla Jame Masjid) রয়েছে। ১৩৩১ বঙ্গাব্দের ৫ই আশ্বিন শুক্রবার মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সম্পূর্ণ ইটের ব্যবহারে নির্মিত স্থাপনাটিকে ভূমিকম্প নিরোধক করতে ম

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide Sylhet
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.