পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি (Pagla Dewan Boddhobhumi) ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জয়পুরহাট জেলার চকবরকত ইউনিয়নে সংঘটিত গণহত্যার এক ইতিহাস-সমৃদ্ধ নিদর্শন। কালো টাইলস দিয়ে নির্মিত সর্বোচ্চ স্তম্ভ, লাল ইটের তৈরি স্তম্ভের বেদি ও ভাঙ্গা দেয়াল ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংঘটিত গণহত্যার দুঃখ ও শোকের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি সম্পর্কে
কোথায় থাকবেনজয়পুরহাটে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল সাদ, গ্রিন হাউজ, হোটেল পৃথিবী ও প্রমি হোটেল প্রভৃতি হোটেল রয়েছে। তৎকালীন রাজাকারদের প্ররোচনায় ১৪ ডিসেম্বর পাকসেনারা পাগলা দেওয়ানের ১২২ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। বেসরকারি তথ্য মতে, পাগলা দেওয়ানে পাকিজায়গাি বাহিনী ও তাদের দোসররা প্রায় ৪ হাজার মানুষকে হত্যা, ১ হাজার নারীর সম্ভ্রম হরণ ও অসংখ্য বাড়িঘর ধ্বংস করে।
এক্ষেত্রে জনপ্রতি টিকেটের ভাড়া শোভন চেয়ার ৫১০ টাকা, স্নিগ্ধা ৯৭৮ টাকা, এসি সিট ১,১৭৩ টাকা ও এসি বার্থ ১,৮১০ টাকা। ১৯৯২ সালে জায়গাীয় সাংবাদিকের প্রচেষ্টায় পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি সম্পর্কে দেশবাসী জানতে পারে। বধ্যভূমি থেকে ১শ গজ দূরে এখনও পাকসেনাদের গড়ে তোলা ক্যাম্প ও কংক্রিটের পাকবাহিনীর বাংকার টিকে রয়েছে।
স্বাধীনতার প্রায় ২-৩ মাস পরেও পচা লাশের গন্ধে এখানে কেউ বসবাস করতে পারতো না। আর সুযোগ থাকলে জয়পুরহাটের ঝাল জিলাপির স্বাদ নিতে ভুলবেন না। ১৯৭১ সালের মে মাসের শেষের দিকে পাকিজায়গাি হানাদার বাহিনী ক্যাম্প ও বাঙ্কারসহ পাগলা দেওয়ানে ঘাঁটি গড়ে তুলে।
কোথায় খাবেনজয়পুরহাটের কলেজ রোড ও ষ্টেশন রোডে নানা মানের খাবারের রেস্তোরাঁ আছে। পরবর্তীতে গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে এই বধ্যভূমিতে একটা স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। জয়পুরহাট থেকে পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমির দূরত্ব ১৭ কিলোমিটার।
এসি, নন-এসি এসব বাসের ভাড়া ৫৫০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকা পর্যন্ত। জমিতে কোপ দিলেই অর্ধ গলিত লাশের হাড় গোড় বেড়িয়ে আসত।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলি, মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর, শ্যামলী এবং কল্যাণপুর থেকে শাহ্ ফতেহ আলী পরিবহণ, সেইন্টমার্টিন ট্রাভেলস, শ্যামলী পরিবহন এন আর, এস আর ট্রাভেল এবং হানিফ সহ বেশ কয়েকটি পরিবহণের বাস সার্ভিস ঢাকা হতে জয়পুরহাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এছাড়া ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে নিলসাগর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, কুরিগ্রাম এক্সপ্রেস, ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনে জয়পুরহাট যেতে পারবেন। জয়পুরহাট থেকে রিকশা নিয়ে ধলাহার ইউনিয়ন ও নওগাঁ জেলার ধামুরহাট উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমিতে যেতে পারবেন।
সেসময় ভারতে আশ্রয় নেওয়ার উদ্দেশ্যে সীমান্ত দিয়ে গমনকারী নানা অঞ্চলর মানুষদের পাকিজায়গাি বাহিনী ধরে লুটপাট ও হত্যা করে তাদের লাশ পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমিতে পুঁতে রাখতো। পাগলা দেওয়ানসহ আশেপাশের বহু গ্রাম আজো হানাদার বাহিনীর নৃশংসতার চিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছে। জয়পুরহাট জেলার দর্শনীয় জায়গাজয়পুরহাটের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে আছরাঙ্গা দীঘি, নান্দাইল দীঘি, বার শিবালয় মন্দির ও হিন্দা-কসবা শাহী জামে মসজিদ অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলি, মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর, শ্যামলী এবং কল্যাণপুর থেকে শাহ্ ফতেহ আলী পরিবহণ, সেইন্টমার্টিন ট্রাভেলস, শ্যামলী পরিবহন এন আর, এস আর ট্রাভেল এবং হানিফ সহ বেশ কয়েকটি পরিবহণের বাস সার্ভিস ঢাকা হতে জয়পুরহাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
এক্ষেত্রে জনপ্রতি টিকেটের ভাড়া শোভন চেয়ার ৫১০ টাকা, স্নিগ্ধা ৯৭৮ টাকা, এসি সিট ১,১৭৩ টাকা ও এসি বার্থ ১,৮১০ টাকা।
এছাড়া ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে নিলসাগর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, কুরিগ্রাম এক্সপ্রেস, ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনে জয়পুরহাট যেতে পারবেন।
এসি, নন-এসি এসব বাসের ভাড়া ৫৫০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকা পর্যন্ত।
জয়পুরহাট থেকে রিকশা নিয়ে ধলাহার ইউনিয়ন ও নওগাঁ জেলার ধামুরহাট উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমিতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
জয়পুরহাটে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল সাদ, গ্রিন হাউজ, হোটেল পৃথিবী ও প্রমি হোটেল প্রভৃতি হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
জয়পুরহাটের কলেজ রোড ও ষ্টেশন রোডে নানা মানের খাবারের রেস্তোরাঁ আছে। আর সুযোগ থাকলে জয়পুরহাটের ঝাল জিলাপির স্বাদ নিতে ভুলবেন না।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলি, মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর, শ্যামলী এবং কল্যাণপুর থেকে শাহ্ ফতেহ আলী পরিবহণ, সেইন্টমার্টিন ট্রাভেলস, শ্যামলী পরিবহন এন আর, এস আর ট্রাভেল এবং হানিফ সহ বেশ কয়েকটি পরিবহণের বাস সার্ভিস ঢাকা হতে জয়পুরহাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এক্ষেত্রে জনপ্রতি টিকেটের ভাড়া শোভন চেয়ার ৫১০ টাকা, স্নিগ্ধা ৯৭৮
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
জয়পুরহাটে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল সাদ, গ্রিন হাউজ, হোটেল পৃথিবী ও প্রমি হোটেল প্রভৃতি হোটেল রয়েছে।
পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি (Pagla Dewan Boddhobhumi) ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জয়পুরহাট জেলার চকবরকত ইউনিয়নে সংঘটিত গণহত্যার এক ইতিহাস-সমৃদ্ধ নিদর্শন। কালো টাইলস দিয়ে নির্মিত সর্বোচ্চ স্তম্ভ, লাল ইটের তৈরি স্তম্ভের বেদি ও ভাঙ্গা দেয়াল ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংঘটিত গণহত্যার দুঃখ ও শোকের প্রতীক হিসেবে ব
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

