১৬৪৯ সালে যশোরের ফৌজদার নিযুক্ত হন মীর্জা সফসিকান। হাম্মামখানার দক্ষিণ দিকে একটা চৌবাচ্চা ও সুড়ঙ্গ আছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

মীর্জানগর হাম্মামখানা সম্পর্কে
কেশবপুর উপজেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে কপোতাক্ষ ও বুড়িভদ্রা নদীর ত্রিমোহিনীতে মীর্জা সফসিকানের বসবাসের অঞ্চলটির নাম রাখা হয় মীর্জানগর। তিনি ছিলেন বাংলার সুবেদার শাহ সুজা শ্যালক পুত্র। ৪ গম্বুজ বিশিষ্ট হাম্মামখানার পশ্চিম ও পূর্ব দিক দুইটি করে কক্ষ রয়েছে।
মোগল স্থাপত্যশৈলীর অনুকরণে তৈরী হাম্মামখানায় ৪টি কক্ষ ও একটা কূপ রয়েছে। যদিও পূর্ব দিকের কক্ষগুলো চৌবাচ্চা হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর মীর্জানগর হাম্মামখানাকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন হিসাবে ঘোষণা করে।
কীভাবে যাবেন
যশোর জেলা থেকে কেশবপুর উপজেলা সদরের দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার। তিনি বুড়িভদ্রা নদীর তীরে পরিখা খনন করে মতিঝিল নামে দূর্গ নির্মাণ করেন। নানা ইতিহাস-সমৃদ্ধগণদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে নুরলা খাঁ অত্র অঞ্চলর ফৌজদার নিযুক্ত হন।
মীর্জানগরের নবাববাড়িতে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন হাম্মামখানা, যা মীর্জানগর হাম্মামখানা (Mirzanagar Hammamkhana) নামে পরিচিত। এখন প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত নবাববাড়ির এই হাম্মামখানার অস্তিত্ব এখনও বিদ্যামান এবং দূরদূরান্ত থেকে মোগল আমলের এই নিদর্শন দেখতে ভ্রমণকারীরা মির্জানগরে ভিড় করেন। এটিকে তোশাখানা হিসাবে মনে করা হয়।
১০ ফুট উঁচু প্রাচীরবেষ্টিত দূর্গের এক অংশে হাম্মামখানা স্থাপন করা হয়। জায়গাীয় যেকোন পরিবহণ অথবা বাসে চড়ে যশোর থেকে কেশবপুর হয়ে ৭ কিলোমিটার দূরে মির্জানগর হাম্মামখানা যেতে পারবেন।
কীভাবে যাবেন?
যশোর জেলা থেকে কেশবপুর উপজেলা সদরের দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার।
জায়গাীয় যেকোন পরিবহণ অথবা বাসে চড়ে যশোর থেকে কেশবপুর হয়ে ৭ কিলোমিটার দূরে মির্জানগর হাম্মামখানা যেতে পারবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মীর্জানগর হাম্মামখানা কীভাবে যাবেন?
যশোর জেলা থেকে কেশবপুর উপজেলা সদরের দূরত্ব প্রায় ৩২ কিলোমিটার। জায়গাীয় যেকোন পরিবহণ অথবা বাসে চড়ে যশোর থেকে কেশবপুর হয়ে ৭ কিলোমিটার দূরে মির্জানগর হাম্মামখানা যেতে পারবেন।
মীর্জানগর হাম্মামখানা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
১৬৪৯ সালে যশোরের ফৌজদার নিযুক্ত হন মীর্জা সফসিকান। হাম্মামখানার দক্ষিণ দিকে একটা চৌবাচ্চা ও সুড়ঙ্গ আছে। কেশবপুর উপজেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে কপোতাক্ষ ও বুড়িভদ্রা নদীর ত্রিমোহিনীতে মীর্জা সফসিকানের বসবাসের অঞ্চলটির নাম রাখা হয় মীর্জানগর।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
