গোপালগঞ্জ জেলার নানা জায়গাে অসংখ বিল ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। লাল শাপলা বিলের অবজায়গাগোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার প্রায় ২৫ টি বিলে অসংখ্য লাল শাপলার দেখা মিলে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

লাল শাপলার বিল সম্পর্কে
যোগাযোগ: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, ফোনঃ 0668-61204। এদের মধ্যে ছত্রকান্দার বিল, জোয়ারিয়ার বিল উল্লেখযোগ্য। এ এক অসাধারণ দৃশ্য!
যা চোখে না দেখলে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। ধরণ এবং মান অনুযায়ী এসব হোটেলে রুম ভাড়া ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। ১।
এছাড়া গোপালগঞ্জ সদরের দুর্গাপুর ইউনিয়নের কাটড়বাড়ী গ্রামের ডোংরাসুর বিলেও লাল শাপলার দেখা মিলে। ২।
কোথায় থাকবেন
গোপালগঞ্জ জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে থাকার জন্য হোটেল পলাশ, হোটেল রানা (02-6685172), হোটেল তাজ, হোটেল সোহাগ (0668-61740), হোটেল রিফাত এবং হোটেল শিমুল নামে বেশ কয়েকটি সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। মুলত বিলগুলোর বেশিরভাগই হচ্ছে এক ফসলি জমি। বাসের জনপ্রতি সীটের ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা।
এছাড়া টুঙ্গিপাড়া থানা রোডে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের মধুমতি নামের মোটেলে এসি ও ননএসি রুমে থাকতে ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগবে এবং মধুমতি মোটেলের ডরমেটরিতে থাকতে হলে ২০০ টাকা গুনতে হবে। জেলা পরিষদ কটেজ, গোপালগঞ্জ। লাল শাপলার বিল একদিকে প্রকৃতির অপরূপ রূপ্য বাড়িয়ে দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে আবার বর্ষাকালে কর্মহীন দরিদ্র মানুষের আয়ের উৎস হয়ে উঠে এই লাল শাপলা।
ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে টুঙ্গিপাড়ার দূরত্ব ১৬৫ কিলোমিটার। তখন এসব বিলে প্রকৃতিরভাবে শোভা ছড়ায় অসংখ্য লাল শাপলা। ফোন: 02-6656349, 01712-563227।
আর এই বিলগুলোকেই লাল শাপলার বিল (Lal Shapla Bill) বলা হয়। এই জমিতে শুধুকেবল বোরো মৌসুমেই ধান চাষ করা হয়। বর্ষাকালে এসব জমি পানির নিচে তলিয়ে যায়।
বর্ষায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার প্রায় ২৫ টি বিল হাজারো লাল শাপলার রঙে রঙিন হয়ে উঠে। যদিও ১৯৮৮ সালের আগে এসব বিলে শুধুকেবল সাদা-সবুজ শাপলা দেখা যেত কিন্তু ১৯৮৮ সালের বন্যার পর থেকে থেকে এই বিলগুলো লাল শাপলায় ভরে উঠে।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকা থেকে বাসে করে সরাসরি টুঙ্গিপাড়া পৌঁছানো যায়। ঢাকার গুলিস্তান অথবা সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে এমাদ পরিবহন, দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস বাসে টুঙ্গিপাড়ায় যেতে পারবেন। গোপালগঞ্জ সার্কিট হাউজ: (নেজারত) ডেপুটি কালেক্টর, ফোনঃ 02-6685234, 02-6685565।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে বাসে করে সরাসরি টুঙ্গিপাড়া পৌঁছানো যায়।
ঢাকার গুলিস্তান অথবা সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে এমাদ পরিবহন, দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস বাসে টুঙ্গিপাড়ায় যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে টুঙ্গিপাড়ার দূরত্ব ১৬৫ কিলোমিটার।
বাসের জনপ্রতি সীটের ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
গোপালগঞ্জ জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে থাকার জন্য হোটেল পলাশ, হোটেল রানা (02-6685172), হোটেল তাজ, হোটেল সোহাগ (0668-61740), হোটেল রিফাত এবং হোটেল শিমুল নামে বেশ কয়েকটি সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এছাড়া টুঙ্গিপাড়া থানা রোডে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের মধুমতি নামের মোটেলে এসি ও ননএসি রুমে থাকতে ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগবে এবং মধুমতি মোটেলের ডরমেটরিতে থাকতে হলে ২০০ টাকা গুনতে হবে। যোগাযোগ: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, ফোনঃ 0668-61204। ১। জেলা পরিষদ কটেজ, গোপালগঞ্জ। ধরণ এবং মান অনুযায়ী এসব হোটেলে রুম ভাড়া ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। ২। ফোন: 02-6656349, 01712-563227। গোপালগঞ্জ সার্কিট হাউজ: (নেজারত) ডেপুটি কালেক্টর, ফোনঃ 02-6685234, 02-6685565।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
লাল শাপলার বিল কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে বাসে করে সরাসরি টুঙ্গিপাড়া পৌঁছানো যায়। ঢাকার গুলিস্তান অথবা সায়েদাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে এমাদ পরিবহন, দোলা পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস বাসে টুঙ্গিপাড়ায় যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে টুঙ্গিপাড়ার দূরত্ব ১৬৫ কিলোমিটার। বাসের জনপ্রতি সীটের ভাড়া ৫০০-৫৫০ টাকা।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
গোপালগঞ্জ জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে থাকার জন্য হোটেল পলাশ, হোটেল রানা (02-6685172), হোটেল তাজ, হোটেল সোহাগ (0668-61740), হোটেল রিফাত এবং হোটেল শিমুল নামে বেশ কয়েকটি সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এছাড়া টুঙ্গিপাড়া থানা রোডে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের মধুমতি নামের মোটেলে এসি ও ননএসি রুমে থাকতে ৮০০
লাল শাপলার বিল সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
গোপালগঞ্জ জেলার নানা জায়গাে অসংখ বিল ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। লাল শাপলা বিলের অবজায়গাগোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলার প্রায় ২৫ টি বিলে অসংখ্য লাল শাপলার দেখা মিলে। যোগাযোগ: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, ফোনঃ 0668-61204।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

