কান্তজীর মন্দির (Kantajir Temple) বাংলাদেশের একটা ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। কোথায় থাকবেনদিনাজপুর শহরে ভাল মানের হোটেলে থাকতে চাইলে পর্যটন মোটেলে থাকতে পারেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

কান্তজীর মন্দির সম্পর্কে
তিন ধাপ বিশিষ্ট এই মন্দিরের চারদিক থেকে ভেতরের দেবমূর্তি দেখতে পাওয়া যায়। তখন কান্তজীর মন্দিরটি ৭০ ফুট উঁচু ছিলো কিন্তু ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে মন্দিরটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়, এখন এর উচ্চতা ৫০ ফুট। ১৮ শতকে নির্মিত মন্দিরটি দিনাজপুর (Dinajpur) শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে দিনাজপুর-তেঁতুলিয়া সড়কের প্রায় এক মাইল পশ্চিমে ঢেঁপা নদীর তীরে কান্তনগর গ্রামে রয়েছে।
এছাড়া রামসাগরে রয়েছে জায়গাীয় বন বিভাগের বাংলোতে অনুমতি নিয়ে থাকতে পারেন। শ্রেনীভেদে এইসব ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৬৩০ টাকা থেকে ২,২১৮ টাকা লাগবে। স্তম্ভগুলো দেখতে চমৎকার এবং অলংকরণযুক্ত।
পর্যটন মোটেলে ৫০০ থেকে ৩,২০০ টাকায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। পরবর্তীতে ১৭২২ সালে প্রাণনাথ রায়ের মৃত্যুর পর তাঁর পোষ্যপুত্র মহারাজা রামনাথ রায় ১৭৫২ সালে মন্দিরের নির্মাণ শেষ করেন। দিনাজপুর থেকে অটোরিক্সা বা সিএনজি ভাড়া করে সহজেই কান্তজীর মন্দির দেখতে যেতে পারবেন।
কিংবা প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন দিনাজপুরের অন্যান্য হোটেলগুলিতে। আরও পড়ুনঃ দিনাজপুর জেলার সেরা হোটেল ও রিসোর্ট
কোথায় খাবেন
দিনাজপুরে রুস্তম, ফাইভ স্টার, দিলশাদ হোটেলে গরুর ভুনা মাংস, কাঠি কাবাব ইত্যাদি খেয়ে দেখতে পারেন। এছাড়া দিলশাদ রেস্তোরাঁর পাটিসাপটার বেশ সুনাম রয়েছে। প্রায়ই ঢাকার গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে দিনাজপুরগামী বাসগুলো ছেড়ে যায়।
১ম তলার সকল গেটে অসংখ্য খাঁজযুক্ত খিলান দেখতে পাওয়া যায়, আবার দুটো ইটের স্তম্ভ পর পর স্থাপন করে খিলানগুলোকে পৃথক করা হয়েছে। এই মন্দিরটি নানা নামে পরিচিত, কেউ কেউ একে কান্তজীউ মন্দির (Kantajew Temple) বা কান্তনগর মন্দির নামে চিনেন আবার বহুের কাছে কান্তজীর মন্দিরটি নবরত্ন মন্দির নামেও সুপরিচিত। কান্তজীর মন্দিরের শিলালিপি থেকে পাওয়া তথ্য মতে, তৎকালীন মহারাজা জমিদার প্রাণনাথ রায় এই মন্দিরের নির্মাণ শুরু করেন।
কান্তজীর মন্দিরের পশ্চিম দিকে বারান্দা থেকে উপরে যাবার সিঁড়ি রয়েছে। বর্গাকার এই মন্দিরের বাইরের দেয়ালজুড়ে প্রায় ১৫,০০০ টেরাকোটা টালি বা পোড়ামাটির ফলকে লিপিবদ্ধ আছে মহাভারত, রামায়ণ এবং নানা পৌরাণিক কাহিনী।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে বাস এবং ট্রেনে দিনাজপুর যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বাস সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে নাবিল পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস, এস এ পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ,কেয়া পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন ইত্যাদি। এছাড়া রাজধানীর উত্তরা থেকে বেশকিছু বাস দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
নন-এসি এবং এসি বাসের ভাড়া মানভেদে ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা। এর মধ্যে হোটেল ডায়মন্ড, নিউ হোটেল, হোটেল আল রশিদ, হোটেল রেহানা, হোটেল নবীন ইত্যাদিতে ৫০০ থেকে ১,৮০০ টাকায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। মন্দিরের ১ম তলায় ২১ টি, ২য় তলায় ২৭ টি এবং ৩য় তলায় ৩ টি দরজা-খিলান রয়েছে।
ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেন দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এই বাংলোর সাধারণ কক্ষ এবং এসি কক্ষে প্রতি রাত থাকতে ১,০০০ থেকে ২,২০০ টাকা খরচ হবে। এছাড়া পুলাহাট বিসিক অঞ্চলয় আবুল হোটেলে ভাত, গরু কিংবা মুরগির মাংস, ডাল আর সবজি দিয়ে আহার সেরে নিতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে বাস এবং ট্রেনে দিনাজপুর যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
শ্রেনীভেদে এইসব ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৬৩০ টাকা থেকে ২,২১৮ টাকা লাগবে।
এছাড়া রাজধানীর উত্তরা থেকে বেশকিছু বাস দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
বাস সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে নাবিল পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস, এস এ পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ,কেয়া পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন ইত্যাদি।
প্রায়ই ঢাকার গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে দিনাজপুরগামী বাসগুলো ছেড়ে যায়।
ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেন দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
কোথায় থাকবেন?
দিনাজপুর শহরে ভাল মানের হোটেলে থাকতে চাইলে পর্যটন মোটেলে থাকতে পারেন। এর মধ্যে হোটেল ডায়মন্ড, নিউ হোটেল, হোটেল আল রশিদ, হোটেল রেহানা, হোটেল নবীন ইত্যাদিতে ৫০০ থেকে ১,৮০০ টাকায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। কিংবা প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন দিনাজপুরের অন্যান্য হোটেলগুলিতে। এছাড়া রামসাগরে রয়েছে জায়গাীয় বন বিভাগের বাংলোতে অনুমতি নিয়ে থাকতে পারেন। এই বাংলোর সাধারণ কক্ষ এবং এসি কক্ষে প্রতি রাত থাকতে ১,০০০ থেকে ২,২০০ টাকা খরচ হবে। পর্যটন মোটেলে ৫০০ থেকে ৩,২০০ টাকায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। আরও পড়ুনঃ দিনাজপুর জেলার সেরা হোটেল ও রিসোর্ট
কোথায় খাবেন?
দিনাজপুরে রুস্তম, ফাইভ স্টার, দিলশাদ হোটেলে গরুর ভুনা মাংস, কাঠি কাবাব ইত্যাদি খেয়ে দেখতে পারেন। এছাড়া দিলশাদ রেস্তোরাঁর পাটিসাপটার বেশ সুনাম রয়েছে। এছাড়া পুলাহাট বিসিক অঞ্চলয় আবুল হোটেলে ভাত, গরু কিংবা মুরগির মাংস, ডাল আর সবজি দিয়ে আহার সেরে নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কান্তজীর মন্দির কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে বাস এবং ট্রেনে দিনাজপুর যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। শ্রেনীভেদে এইসব ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৬৩০ টাকা থেকে ২,২১৮ টাকা লাগবে। এছাড়া রাজধানীর উত্তরা থেকে বেশকিছু বাস দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বাস সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে নাবিল পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস, এস এ পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ,কেয়া পরিবহন, শ্যা
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
দিনাজপুর শহরে ভাল মানের হোটেলে থাকতে চাইলে পর্যটন মোটেলে থাকতে পারেন। এর মধ্যে হোটেল ডায়মন্ড, নিউ হোটেল, হোটেল আল রশিদ, হোটেল রেহানা, হোটেল নবীন ইত্যাদিতে ৫০০ থেকে ১,৮০০ টাকায় রাত্রি যাপন করার সুযোগ পাবেন। কিংবা প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন দিনাজপুরের অন্যান্য হোটেলগুলিতে। এছাড়া রামসাগরে রয়েছে জায়
কান্তজীর মন্দির সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
কান্তজীর মন্দির (Kantajir Temple) বাংলাদেশের একটা ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা। কোথায় থাকবেনদিনাজপুর শহরে ভাল মানের হোটেলে থাকতে চাইলে পর্যটন মোটেলে থাকতে পারেন। তিন ধাপ বিশিষ্ট এই মন্দিরের চারদিক থেকে ভেতরের দেবমূর্তি দেখতে পাওয়া যায়।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

