জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নে প্রাচীন সভ্যতার ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন আছরাঙ্গা দীঘি (Achranga Dighi) রয়েছে। এছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে নীলসাগর, একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনে জয়পুরহাট যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ

আছরাঙ্গা দীঘি সম্পর্কে
আছরাঙ্গা দিঘীর চারপাশে আছে ৪টি বাঁধাই করা ঘাট এবং অসংখ্য সবুজ বৃক্ষরাজি। কোথায় খাবেনজয়পুরহাটে ক্যাফে অরেঞ্জ চাইনিজ রেস্তোরা, বনলতা, হোটেল স্বাদ, রুচিটা রেস্তোরাঁ ও প্রিন্স রেস্তোরাঁের মতো নানা মানের খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। পৌষের শুরুতে ধান পেকে লাল রং হওয়ার ক্ষেতগুলো দেখতে অদ্ভুত চমৎকার লাগত আর সেই কারণে এই উপজেলার নাম হয়ে যায় ক্ষেতলাল।
সেই সময় প্রাপ্ত প্রায় ১২টি প্রাচীন মূর্তি এখন দেশের নানা জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। প্রায় ২৬ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত আছরাঙ্গা দীঘির দৈর্ঘ্য ১০০০ ফুট এবং প্রস্থ ১০৭০ ফুট। কোথায় থাকবেনজয়পুরহাট জেলায় হোটেল সাদ, হোটেল পৃথিবী, প্রমি হোটেল, হক কনভেনশন সেন্টারের মতো বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে।
আছরাঙ্গা দীঘির পানি দিয়েই অগ্রহায়ন মাসে এই এলাকাে আমন ধানের চাষ করা হতো। মৌন ভট্ট কৃষি জমিগুলোকে চাষের উপযোগী করার লক্ষ্যে নবম শতকের মাঝামাঝি সময়ে (আনুমানিক ৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে) এই দীঘিটি খনন করেন। ১৯৯২ সালে আছরাঙ্গা দীঘিটি পুনঃখনন করে বনায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আর এই অঞ্চলয় দীঘিকে ঘিরে নানা লোককাহিনী প্রচলিত আছে।
কীভাবে যাবেন
রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর ও শ্যামলী থেকে রাজশাহীগামী নানা বাসে জয়পুরহাট জেলায় যাওয়া যায়। শীতের সময় নানা ধরণের অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত এই দীঘির মনোমুগ্ধকর প্রকৃতির আবহে সময় কাটাতে বহুে ভ্রমণকারী ছুটে আসেন। জনশ্রুতি আছে, কাকচক্ষু জলের মতো স্বচ্ছ ও সুমিষ্ট হওয়ায় প্রাচীনকালে নানা রোগের ঔষধ হিসেবে দীঘির পানি ব্যবহার করা হতো এবং দীঘিকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মীয় নানা আচার আয়োজিত হত।
জায়গাীয়দের মতে, রাজশাহী জেলার তাহিরপুরের আদি রাজবংশের জমিদার মৌন ভট্টের আমলে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় কারণে কৃষি জমিগুলো চাষের প্রায় অনুপযোগী হয়ে উঠে। জয়পুরহাট জেলায় এসে বাসে ক্ষেতলাল উপজেলায় পৌঁছে জায়গাীয় পরিবহণে ৯ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আছরাঙ্গা দীঘি যেতে পারবেন। জয়পুরহাটের দর্শনীয় জায়গাজয়পুরহাটের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে নান্দাইল দীঘি, বার শিবালয় মন্দির, হিন্দা-কসবা শাহী জামে মসজিদ এবং শিশু উদ্যান ও রিসোর্ট অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর ও শ্যামলী থেকে রাজশাহীগামী নানা বাসে জয়পুরহাট জেলায় যাওয়া যায়।
এছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে নীলসাগর, একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনে জয়পুরহাট যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
জয়পুরহাট জেলায় এসে বাসে ক্ষেতলাল উপজেলায় পৌঁছে জায়গাীয় পরিবহণে ৯ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আছরাঙ্গা দীঘি যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
জয়পুরহাট জেলায় হোটেল সাদ, হোটেল পৃথিবী, প্রমি হোটেল, হক কনভেনশন সেন্টারের মতো বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
জয়পুরহাটে ক্যাফে অরেঞ্জ চাইনিজ রেস্তোরা, বনলতা, হোটেল স্বাদ, রুচিটা রেস্তোরাঁ ও প্রিন্স রেস্তোরাঁের মতো নানা মানের খাবারের হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আছরাঙ্গা দীঘি কীভাবে যাবেন?
রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর ও শ্যামলী থেকে রাজশাহীগামী নানা বাসে জয়পুরহাট জেলায় যাওয়া যায়। এছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে নীলসাগর, একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনে জয়পুরহাট যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। জয়পুরহাট জেলায় এসে বাসে ক্ষেতলাল উপজেলায় পৌঁছে জায়গাীয় পরিবহণে ৯ কিলোমিটার দূরে রয়ে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
জয়পুরহাট জেলায় হোটেল সাদ, হোটেল পৃথিবী, প্রমি হোটেল, হক কনভেনশন সেন্টারের মতো বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে।
আছরাঙ্গা দীঘি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নে প্রাচীন সভ্যতার ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন আছরাঙ্গা দীঘি (Achranga Dighi) রয়েছে। এছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে নীলসাগর, একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনে জয়পুরহাট যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আছরাঙ্গা দিঘীর চারপাশে আছে ৪টি বাঁধাই করা ঘাট এবং অসংখ্য সবুজ বৃক্ষর
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
