মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়নের ভাটপাড়ায় ইতিহাস-সমৃদ্ধ ভাটপাড়া নীলকুঠি (Bhatpara Neelkuthi) রয়েছে। মানভেদে এসব বাসের প্রতিটি সীটের টিকিটের ভাড়া ৬০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

নীলকুঠি ও ডিসি ইকোপার্ক সম্পর্কে
কোথায় খাবেন
মেহেরপুরে খাবারের জন্য বেশকিছু হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। যদিও অবশ্যই আমের মৌসুমে মেহেরপুরে গেলে পাকা আম খেতে ভুল করবেন না। বঙ্গবন্ধু সেতু কিংবা পদ্মা সেতু পার হয়ে মেহেরপুর যাওয়া যায়।
মেহেরপুর জেলা সদর থেকে বাস, ইজিবাইক, নছিমন ইত্যাদিতে চড়ে সহজেই ১৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ভাটপাড়া নীলকুঠি বাড়িতে যেতে পারবেন। প্রায় ২৭ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত ভাটপাড়া কুঠিবাড়ির বর্তমান আয়তন কমে গেলেও অবশিষ্ট জায়গাতে ২০১৭ সালে মেহেরপুর জেলা প্রশাসন ডিসি ইকোপার্ক (DC Eco Park) প্রতিষ্ঠা করেন।
কোথায় থাকবেন
গাংনী উপজেলার পলাশীপড়া সমাজকল্যাণ সমিতির রেস্ট হাউজে আবাসন সুবিধা রয়েছে। কুঠিবাড়ির মূল ভবন ছাড়াও বর্বরতার ইতিহাস মনে করিয়ে দিতে আজো জরাজীর্ণ অবস্থায় টিকে আছে জেলখানা, মৃত্যুকূপ এবং ঘোড়ার আস্তাবল। ভাটপাড়া নীলকুঠিকে ঘিরে তৈরি ডিসি ইকোপার্কে আছে কৃত্রিম লেক, নানা প্রাণীর ভাস্কর্য, ঝর্ণাধারা, খেলাধুলার সরঞ্জাম এবং ফুলের বাগান।
এছাড়া মেহেরপুর শহরে “সাবিত্রী” নামের মিষ্টির স্বাদ চেখে দেখতে পারেন। তাছাড়া রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, সার্কিট হাউজ, পৌর হল এবং ফিন টাওয়ারসহ বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। কাজলা নদীর তীরে রয়েছে ব্রিটিশ বেনিয়াদের নির্যাতনের সাক্ষী ভাটপাড়া নীলকুঠিরের দৈর্ঘ্য ৮০ ফুট এবং প্রস্থ ৭০ ফুট।
১৮৫৯ সালে নির্মিত ভাটপাড়া নীলকুঠি তৈরীতে ইট, চুন-শুরকি, লোহার বীম এবং ইটের টালি ব্যবহার করা হয়েছে।
কীভাবে যাবেন
ভাটপাড়া নীলকুঠি বাড়ি যেতে হলে প্রথমে মেহেরপুর আসতে হবে। আর ঢাকার গাবতলী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যাতায়াত করে জে আর, রয়েল, এস এম, মেহেরপুর ডিলাক্স, চুয়াডাঙ্গা ডিলাএক্সের বাস। রাজধানী ঢাকার কল্যানপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে মেহেরপুর গমনকারী এস বি পরিবহন, জে আর , শ্যামলী এবং আর কে পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস ছেড়ে যায়।
আরও পড়ুনভাটপাড়া নীলকুঠিমানিকছড়ি ডিসি পার্কডিসি পার্ক চট্টগ্রাম
কীভাবে যাবেন?
ভাটপাড়া নীলকুঠি বাড়ি যেতে হলে প্রথমে মেহেরপুর আসতে হবে।
বঙ্গবন্ধু সেতু কিংবা পদ্মা সেতু পার হয়ে মেহেরপুর যাওয়া যায়।
আর ঢাকার গাবতলী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যাতায়াত করে জে আর, রয়েল, এস এম, মেহেরপুর ডিলাক্স, চুয়াডাঙ্গা ডিলাএক্সের বাস।
রাজধানী ঢাকার কল্যানপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে মেহেরপুর গমনকারী এস বি পরিবহন, জে আর , শ্যামলী এবং আর কে পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস ছেড়ে যায়।
মানভেদে এসব বাসের প্রতিটি সীটের টিকিটের ভাড়া ৬০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত।
মেহেরপুর জেলা সদর থেকে বাস, ইজিবাইক, নছিমন ইত্যাদিতে চড়ে সহজেই ১৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ভাটপাড়া নীলকুঠি বাড়িতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
গাংনী উপজেলার পলাশীপড়া সমাজকল্যাণ সমিতির রেস্ট হাউজে আবাসন সুবিধা রয়েছে। তাছাড়া রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, সার্কিট হাউজ, পৌর হল এবং ফিন টাওয়ারসহ বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
মেহেরপুরে খাবারের জন্য বেশকিছু হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। এছাড়া মেহেরপুর শহরে “সাবিত্রী” নামের মিষ্টির স্বাদ চেখে দেখতে পারেন। যদিও অবশ্যই আমের মৌসুমে মেহেরপুরে গেলে পাকা আম খেতে ভুল করবেন না। আরও পড়ুনভাটপাড়া নীলকুঠিমানিকছড়ি ডিসি পার্কডিসি পার্ক চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
নীলকুঠি ও ডিসি ইকোপার্ক কীভাবে যাবেন?
ভাটপাড়া নীলকুঠি বাড়ি যেতে হলে প্রথমে মেহেরপুর আসতে হবে। বঙ্গবন্ধু সেতু কিংবা পদ্মা সেতু পার হয়ে মেহেরপুর যাওয়া যায়। আর ঢাকার গাবতলী থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যাতায়াত করে জে আর, রয়েল, এস এম, মেহেরপুর ডিলাক্স, চুয়াডাঙ্গা ডিলাএক্সের বাস। রাজধানী ঢাকার কল্যানপুর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে মেহেরপুর গমনকারী এস বি
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
গাংনী উপজেলার পলাশীপড়া সমাজকল্যাণ সমিতির রেস্ট হাউজে আবাসন সুবিধা রয়েছে। তাছাড়া রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য জেলা পরিষদের ডাকবাংলো, সার্কিট হাউজ, পৌর হল এবং ফিন টাওয়ারসহ বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে।
নীলকুঠি ও ডিসি ইকোপার্ক সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার সাহারবাটি ইউনিয়নের ভাটপাড়ায় ইতিহাস-সমৃদ্ধ ভাটপাড়া নীলকুঠি (Bhatpara Neelkuthi) রয়েছে। মানভেদে এসব বাসের প্রতিটি সীটের টিকিটের ভাড়া ৬০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত। কোথায় খাবেনমেহেরপুরে খাবারের জন্য বেশকিছু হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

