bangladesh · Editorial

সিদ্ধেশ্বরী মঠ

মাগুরা জেলা সদরের আঠারখাদা গ্রামের নবগঙ্গা নদীর তীরে সিদ্ধেশ্বরী মঠ (Siddheshwari Math) রয়েছে। মাগুরা শহর থেকে সিদ্ধেশ্বরী মঠের দূরত্ব প্রায় ৩

Photograph · Collected for Tripzao Journal

মাগুরা জেলা সদরের আঠারখাদা গ্রামের নবগঙ্গা নদীর তীরে সিদ্ধেশ্বরী মঠ (Siddheshwari Math) রয়েছে। ব্রহ্মান্ডগিরির মৃত্যুর পর রাজাদের অবহেলায় সিদ্ধেশ্বরী মঠের মঠস্বামীদের নিযুক্ত গোমস্থাদের অযত্ন ও স্বার্থপরতায় ক্রমেই মঠের দুরাবস্থা বাড়তে থাকে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

সিদ্ধেশ্বরী মঠ

সিদ্ধেশ্বরী মঠ সম্পর্কে

এদের মধ্যে হোটেল চলনতিকা এবং ছায়া বিথী উল্লেখযোগ্য। ইতিহাস থেকে জানা যায়, বহুকাল আগে থেকেই কালিকাতলা শ্মশানে একটা মঠ এবং সিদ্ধেশরী মাতার মন্ত্রঙ্কিত শিলাখন্ড ও কালীমূর্তি প্রতিষ্ঠিত ছিল। একসময় এজায়গাটি জঙ্গলেপূর্ণ হয়ে উঠে।

এছাড়া দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে মাগুরায় এসে টেম্পু, রিক্সা ও ভ্যানে চড়ে সিদ্ধেশ্বরী মঠ দেখতে যেতে পারবেন। সিদ্ধেশ্বরী মঠের জায়গা থেকে সপ্তদশ শতকের আগে থেকে নবগঙ্গা ধরে পূর্ণাথীগণ কামাক্ষ্যার পথে তীর্থে যাত্রা করতেন। শিলাখন্ডটি মন্দির থেকে চুরি হয়, মন্দিরের স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্থ হতে থাকে।

ইতিহাসকোন একসময় চট্টগ্রাম এলাকা থেকে আগত রঙ্গমাচার্য নামের এক সন্যাসী সিদ্ধেশ্বরী মঠের মঠস্বামী ছিলেন। মাগুরা শহর থেকে সিদ্ধেশ্বরী মঠের দূরত্ব প্রায় ৩ কিলোমিটার। সুদূর অতীতে এই জায়গাটিকে কালিকাতলা শ্মশান নামে ডাকা হত।

পরবর্তীতে যখন শ্রীমন্ত রায় দীক্ষা লাভ করেন, তাঁর মাধ্যমেই কালিকাপুর সিদ্ধেশরী মঠে মঠস্বামীদের বসবাস শুরু হয়। গভীর জঙ্গলে মাঝে রয়েছে এই জায়গাটি সন্যাসীগণ তপস্যার জন্য পছন্দ করতেন। তখন মঠস্থলে সন্যাসীদের থাকার তেমন কোন ব্যবস্থা ছিল না তাই নলডাঙ্গার অধিশ্বর শ্রীমন্তরায় দীক্ষা গুরু ব্রহ্মান্ডগিরির আদেশে পূর্ববর্তী মঠে সাধুগণের জন্য আশ্রম নির্মাণ করে দেন এবং ২৫০ বিঘা জমি দান করেন।

পুজার ঘরটি অন্যত্র জায়গাান্তরিত করা হয়, এতে শুধুকেবল কোনমতে মন্দিরের রীতি রক্ষা হচ্ছিল। মাগুরা জেলায়

কোথায় থাকবেন

মাগুরার আবাসিক হোটেল ব্যবস্থা তেমন ভালো নয়। আর তখন সাধু সন্যাসীদের পদচারনায় সিদ্ধেশ্বরী মঠ মুখর থাকতো। রাজধানী ঢাকা থেকে সোহাগ, হানিফ, দ্রুতি, ঈগল পরিবহণের এসি, নন-এসি বাসে চড়ে ৫৮০ থেকে ১৩০০ টাকা ভাড়ায় মাগুরায় যাওয়া যায়।

অতি প্রাচীনকালে নির্মিত হওয়ায় সিদ্ধেশরী মন্দিরের নির্মাণ কাল এবং নির্মাতা সম্পর্কে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রায় ২০০ বছর পর অমলানন্দ নামক একজন ব্রাহ্মন সাধু এখানে এসে পুনরায় মঠ প্রতিষ্ঠা করেন।

সিদ্ধেশ্বরী মঠ কীভাবে যাবেন

মাগুরা জেলা সদর থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দূরে আঠারখাদা গ্রামের নবগঙ্গা নদীর তীরে সিদ্ধেশ্বরী মঠ রয়েছে। এছাড়া জেলা পরিষদের ডাক বাংলো এবং মাগুরা সার্কিট হাউজে অনুমতি সাপেক্ষে থাকা যায়।

কীভাবে যাবেন?

মাগুরা জেলা সদর থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দূরে আঠারখাদা গ্রামের নবগঙ্গা নদীর তীরে সিদ্ধেশ্বরী মঠ রয়েছে।

রাজধানী ঢাকা থেকে সোহাগ, হানিফ, দ্রুতি, ঈগল পরিবহণের এসি, নন-এসি বাসে চড়ে ৫৮০ থেকে ১৩০০ টাকা ভাড়ায় মাগুরায় যাওয়া যায়।

এছাড়া দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে মাগুরায় এসে টেম্পু, রিক্সা ও ভ্যানে চড়ে সিদ্ধেশ্বরী মঠ দেখতে যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন?

মাগুরার আবাসিক হোটেল ব্যবস্থা তেমন ভালো নয়। এদের মধ্যে হোটেল চলনতিকা এবং ছায়া বিথী উল্লেখযোগ্য। এছাড়া জেলা পরিষদের ডাক বাংলো এবং মাগুরা সার্কিট হাউজে অনুমতি সাপেক্ষে থাকা যায়।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

সিদ্ধেশ্বরী মঠ কীভাবে যাবেন?

মাগুরা জেলা সদর থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দূরে আঠারখাদা গ্রামের নবগঙ্গা নদীর তীরে সিদ্ধেশ্বরী মঠ রয়েছে। রাজধানী ঢাকা থেকে সোহাগ, হানিফ, দ্রুতি, ঈগল পরিবহণের এসি, নন-এসি বাসে চড়ে ৫৮০ থেকে ১৩০০ টাকা ভাড়ায় মাগুরায় যাওয়া যায়। এছাড়া দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে মাগুরায় এসে টেম্পু, রিক্সা ও ভ্যানে চড়ে সিদ্ধেশ্বর

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

মাগুরার আবাসিক হোটেল ব্যবস্থা তেমন ভালো নয়। এদের মধ্যে হোটেল চলনতিকা এবং ছায়া বিথী উল্লেখযোগ্য। এছাড়া জেলা পরিষদের ডাক বাংলো এবং মাগুরা সার্কিট হাউজে অনুমতি সাপেক্ষে থাকা যায়।

সিদ্ধেশ্বরী মঠ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

মাগুরা জেলা সদরের আঠারখাদা গ্রামের নবগঙ্গা নদীর তীরে সিদ্ধেশ্বরী মঠ (Siddheshwari Math) রয়েছে। ব্রহ্মান্ডগিরির মৃত্যুর পর রাজাদের অবহেলায় সিদ্ধেশ্বরী মঠের মঠস্বামীদের নিযুক্ত গোমস্থাদের অযত্ন ও স্বার্থপরতায় ক্রমেই মঠের দুরাবস্থা বাড়তে থাকে। এদের মধ্যে হোটেল চলনতিকা এবং ছায়া বিথী উল্লেখযোগ্য।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide khulna
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.