সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় রয়েছে সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির বাংলাদেশের একটা ঐতিহ্যবাহী প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির ছাড়াও এই গ্রামের গোটা অঞ্চল জুড়ে মধ্যযুগীয় নানা পুরাকীর্তি বা নিদর্শন রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির সম্পর্কে
শ্যাম চমৎকার মন্দিরটি প্রায় ৪০০ বছর পুরানো এবং ৬০ ফুট উঁচু। এদের মধ্যে এসপি গোল্ডেন লাইন, এ কে ট্রাভেলস (02-8032916), হানিফ এন্টারপ্রাইজ (02-8011759), গ্রীন লাইন, মামুন এন্টারপ্রাইজ, ঈগল পরিবহন (02-8017698, 02-8017320), সোহাগ পরিবহন, সৌদিয়া পরিবহন, সাতক্ষীরা এক্সপ্রেস এবং শ্যামলী পরিবহন উল্লেখযোগ্য।
কোথায় থাকবেন
সাতক্ষীরা রাত্রি যাপনের জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে এদের মধ্যে হোটেল সংগ্রাম, হোটেল সম্রাট, হোটেল সীমান্ত, মোজাফ্ফর গার্ডেন, হোটেল মোহনা এবং হোটেল উত্তরা-তে ভালো সার্ভিস পাবেন। প্রথম অংশের চারপাশে ঘূর্ণায়মান টানা অলিন্দ রয়েছে। যদিও সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দিরের দেয়ালের শিলালিপিতে শ্যাম চমৎকার নবরত্ন মন্দির নামের উল্লেখ পাওয়া যায়।
জনশুতি আছে, এক সময় “রামকৃষ্ণ পরমহংস” এই সোনাবাড়িয়া মঠে প্রায় দুই মাস অবজায়গা করেন। একারণে হিন্দু ধর্মাম্বলীদের কাছে এই সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দিরের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। পূর্বদিকে একটা অলিন্দ থেকে উপরে ওঠার সিঁড়ি রয়েছে।
ঢাকার গাবতলী, নবীনগর, শ্যামলী, কল্যাণপুর এবং সাভার থেকে পদ্মা সেতু হয়ে সাতক্ষীরা যাবার এসি এবং ননএসি বাস রয়েছে। মন্দিরের ছাদের ওপর ক্রমান্বয়ে ঊর্ধমুখি গম্বুজের মাঝখানে বড় একটা রত্ম রয়েছে, যার কারণে সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দিরটি নবরত্ম মন্দির হিসাবে পরিচিত। এছাড়া সাতক্ষীরা ঘোষ ডেইরীর সন্দেশ খেয়ে দেখতে পারেন, সন্দেশের স্বাদ বহু দিন মুখে লেগে থাকবে।
কীভাবে যাওয়া যায়ঢাকা থেকে বাসে সাতক্ষীরাঢাকা থেকে সাতক্ষীরার দূরত্ব ২৬৭ কিলোমিটার। দ্বিতীয় অংশে রয়েছে একটা মন্ডপ। পিরামিড আকৃতির এই মন্দিরের নিচের তলার ভিতরের অংশ চার ভাগ বিভক্ত।
স্থনীয়দের কাছে সোনাবাড়ীয়া মঠ এবং শ্যাম চমৎকার মন্দির নামেও পরিচিত।
কোথায় খাবেন
সাতক্ষীরা জেলা কুল, আম,ওল, মাছ এবং চমৎকারবনের খাঁটি মধুর জন্য সুপরিচিত। সাতক্ষীরা থাকে সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির সাতক্ষীরা জেলা সদর থেকে বাসে করে কলারোয়া এসে সিএনজি বা অটোরিক্সা যোগে সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির দেখতে যাওয়া যায়। বিশ্বের নানা জায়গা থেকে সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির দেখতে বহু মানুষের আগমন ঘটলেও আজো এই মন্দিরটি সংস্কারে অবহেলা লক্ষ করা যায়।
মানভেদে এ সমস্ত বাসের টিকেটের জন্য ৬৫০ থেকে ১৩০০ টাকা। ত্রিতল নবরত্ম মন্দিরের সাথে দুর্গা মন্দির ও শিবমন্দির রয়েছে। সাতক্ষীরা থেকে ২৬ এবং কলারোয়া থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে সোনাবাড়ীয়া গ্রামে সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দিরটির অবজায়গা।
ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৭৬৭ খ্রিস্টাব্দে জনৈক হরিরাম দাস মতান্তরে দুর্গাপ্রিয় দাস এই সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির নির্মাণ করেন। সাতক্ষীরায় আর যা যা দেখবেনসোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির ছাড়াও সাতক্ষীরায় ঘুরে দেখার মত বেশ কিছু চমৎকার জায়গা রয়েছে। তৃতীয় অংশে কোঠা এবং প্রকোষ্ঠ দেখতে পাওয়া যায়।
সময় নিয়ে পরিদর্শন করতে পারবেন চমৎকারবন, জোড়া শিবমন্দির, মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ী, দেবহাটার বনবিবির বটগাছ, নলতা শরীফ এবং জাহাজমারী থেকে।
কোথায় থাকবেন?
সাতক্ষীরা রাত্রি যাপনের জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে এদের মধ্যে হোটেল সংগ্রাম, হোটেল সম্রাট, হোটেল সীমান্ত, মোজাফ্ফর গার্ডেন, হোটেল মোহনা এবং হোটেল উত্তরা-তে ভালো সার্ভিস পাবেন।
কোথায় খাবেন?
সাতক্ষীরা জেলা কুল, আম,ওল, মাছ এবং চমৎকারবনের খাঁটি মধুর জন্য সুপরিচিত। এছাড়া সাতক্ষীরা ঘোষ ডেইরীর সন্দেশ খেয়ে দেখতে পারেন, সন্দেশের স্বাদ বহু দিন মুখে লেগে থাকবে। সাতক্ষীরায় আর যা যা দেখবেন সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির ছাড়াও সাতক্ষীরায় ঘুরে দেখার মত বেশ কিছু চমৎকার জায়গা রয়েছে। সময় নিয়ে পরিদর্শন করতে পারবেন চমৎকারবন, জোড়া শিবমন্দির, মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ী, দেবহাটার বনবিবির বটগাছ, নলতা শরীফ এবং জাহাজমারী থেকে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
সাতক্ষীরা রাত্রি যাপনের জন্য বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে এদের মধ্যে হোটেল সংগ্রাম, হোটেল সম্রাট, হোটেল সীমান্ত, মোজাফ্ফর গার্ডেন, হোটেল মোহনা এবং হোটেল উত্তরা-তে ভালো সার্ভিস পাবেন।
সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় রয়েছে সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির বাংলাদেশের একটা ঐতিহ্যবাহী প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। সোনাবাড়িয়া মঠবাড়ি মন্দির ছাড়াও এই গ্রামের গোটা অঞ্চল জুড়ে মধ্যযুগীয় নানা পুরাকীর্তি বা নিদর্শন রয়েছে। শ্যাম চমৎকার মন্দিরটি প্রায় ৪০০ বছর পুরানো এবং ৬০ ফুট উঁচু।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

