যশোর জেলা শহর থেকে কেবল পাঁচ কিলোমিটার দূরে যশোর ক্যান্টনমেন্টের শানতলা নামক জায়গাে বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক (Binodia Family Park) নির্মাণ করা হয়েছে। রান্না ঘর, পানি ও কার্পেট সুবিধা সহ স্পট ভাড়া করতে ১০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা ব্যয় হয়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: যেকোন প্রাপ্ত বয়স্ক ভ্রমণকারীদের জন্য পার্কে প্রবেশ টিকেটের মূল্য ৫০ টাকা এবং ছোট বাচ্চাদের ভেতরে যেতে ৩০ টাকা খরচ করতে হয়। বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এছাড়া

বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক সম্পর্কে
পালবাড়ী মোড় হতে ইজিবাইকে চড়ে বিনোদিয়া পার্কে যাওয়া যায়। বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
কীভাবে যাবেন
বাংলাদেশের যেকোন জায়গা থেকে যশোর জেলা শহরের এসে রিক্সা অথবা ইজি বাইক নিয়ে পালবাড়ী মোড়ে আসতে হবে। শিশুদেরকে নানা রাইড উপভোগের জন্য ২০ টাকা খেকে ৩০ টাকা দিয়ে টিকিট কাটতে হয়। পার্কটিতে পিকনিক, পূনর্মিলনী সহ যেকোন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের সুব্যবস্থা রয়েছে।
পার্কে টিকিট মূল্য ও অন্যান্য খরচযেকোন প্রাপ্ত বয়স্ক ভ্রমণকারীদের জন্য পার্কে প্রবেশ টিকেটের মূল্য ৫০ টাকা এবং ছোট বাচ্চাদের ভেতরে যেতে ৩০ টাকা খরচ করতে হয়।
কোথায় খাবেন
যশোরের সুপরিচিত জামতলার মিষ্টি, খেজুরের গুড়ের প্যারা সন্দেশ ও ভিজা পিঠা খেয়ে দেখতে পারেন। এদের মধ্যে হাসান, মনিহার, মিডটাউন, মিডওয়ে, নয়ন, চৌধুরী, গ্রান্ড হোটেল এবং ম্যাগপাই উল্লেখযোগ্য। চিত্তবিনোদনের জন্য বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্কে আছে নানা আকর্ষণীয় রাইড, মিনি চিড়িয়াখানা, শিশু পার্ক, নদী, রবীনহুডের ঘর, কৃত্রিম ঝর্ণা, কনফারেন্স রুম এবং খাবারের ব্যবস্থা।
বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক সাপ্তাহের সাতদিন সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। শুরুতে এই পার্কটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে প্রবেশের জন্য টিকিটের ব্যবস্থা করা হয়। লেফটেন্যান্ট কর্ণেল ফয়েজ আহমেদ ১৯৯৮ সালে বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক তৈরী করেন।
এছাড়া পূনর্মিলনী সহ যেকোন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রতি ঘন্টার জন্য পার্কের ফি ৫০০ টাকা। বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্কে বাস, মাইক্রো/জীপ এবং মটর বাইকের পার্কিংয়ের জন্য যথাক্রমে ১০০, ২০ এবং ১০ টাকা প্রদান করতে হয়।
কোথায় থাকবেন
রাতে থাকার জন্য যশোরে বেশকিছু সরকারি রেস্ট হাউস এবং আবাসিক হোটেল রয়েছে। এছাড়া সময় সুযোগ থাকলে ধর্মতলার মালাই চা এবং চুক নগরের সুপরিচিত চুই ঝাল খাবারের স্বাদও নিতে পারেন।
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
যেকোন প্রাপ্ত বয়স্ক ভ্রমণকারীদের জন্য পার্কে প্রবেশ টিকেটের মূল্য ৫০ টাকা এবং ছোট বাচ্চাদের ভেতরে যেতে ৩০ টাকা খরচ করতে হয়। বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এছাড়া পূনর্মিলনী সহ যেকোন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রতি ঘন্টার জন্য পার্কের ফি ৫০০ টাকা। শিশুদেরকে নানা রাইড উপভোগের জন্য ২০ টাকা খেকে ৩০ টাকা দিয়ে টিকিট কাটতে হয়। রান্না ঘর, পানি ও কার্পেট সুবিধা সহ স্পট ভাড়া করতে ১০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা ব্যয় হয়। বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্কে বাস, মাইক্রো/জীপ এবং মটর বাইকের পার্কিংয়ের জন্য যথাক্রমে ১০০, ২০ এবং ১০ টাকা প্রদান করতে হয়।
কীভাবে যাবেন?
বাংলাদেশের যেকোন জায়গা থেকে যশোর জেলা শহরের এসে রিক্সা অথবা ইজি বাইক নিয়ে পালবাড়ী মোড়ে আসতে হবে।
পালবাড়ী মোড় হতে ইজিবাইকে চড়ে বিনোদিয়া পার্কে যাওয়া যায়।
কোথায় থাকবেন?
রাতে থাকার জন্য যশোরে বেশকিছু সরকারি রেস্ট হাউস এবং আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হাসান, মনিহার, মিডটাউন, মিডওয়ে, নয়ন, চৌধুরী, গ্রান্ড হোটেল এবং ম্যাগপাই উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
যশোরের সুপরিচিত জামতলার মিষ্টি, খেজুরের গুড়ের প্যারা সন্দেশ ও ভিজা পিঠা খেয়ে দেখতে পারেন। এছাড়া সময় সুযোগ থাকলে ধর্মতলার মালাই চা এবং চুক নগরের সুপরিচিত চুই ঝাল খাবারের স্বাদও নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক-এ প্রবেশ মূল্য কত?
যেকোন প্রাপ্ত বয়স্ক ভ্রমণকারীদের জন্য পার্কে প্রবেশ টিকেটের মূল্য ৫০ টাকা এবং ছোট বাচ্চাদের ভেতরে যেতে ৩০ টাকা খরচ করতে হয়। বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এছাড়া পূনর্মিলনী সহ যেকোন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রতি ঘন্টার জন্য পার্কের ফি ৫০০ টাকা। শিশুদের
বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক কীভাবে যাবেন?
বাংলাদেশের যেকোন জায়গা থেকে যশোর জেলা শহরের এসে রিক্সা অথবা ইজি বাইক নিয়ে পালবাড়ী মোড়ে আসতে হবে। পালবাড়ী মোড় হতে ইজিবাইকে চড়ে বিনোদিয়া পার্কে যাওয়া যায়।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাতে থাকার জন্য যশোরে বেশকিছু সরকারি রেস্ট হাউস এবং আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হাসান, মনিহার, মিডটাউন, মিডওয়ে, নয়ন, চৌধুরী, গ্রান্ড হোটেল এবং ম্যাগপাই উল্লেখযোগ্য।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
