করমজল (Karamjal) পর্যটন কেন্দ্রটি চমৎকারবনে পশুর নদীর তীরে রয়েছে। মোংলা ফেরি ঘাট থেকে ১০ জনের উপযোগী ইঞ্জিন চালিত নৌকার ভাড়া করতে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগতে পারে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: বাংলাদেশি ও বিদেশী দর্শনার্থীের জন্য করমজল পর্যটন কেন্দ্রে টিকিট মূল্য যথাক্রমে ৪৬ টাকা এবং ৫৭৫ টাকা। অবশ্য বিদেশী গবেষকদের করমজলে প্রবেশের জন্য ৯২০ টাকা গুনতে হয়। এছারা দেহরক্ষী হিসেবে একজন গান ম্যান

করমজল পর্যটন কেন্দ্র সম্পর্কে
টিকেট মূল্যবাংলাদেশি ও বিদেশী দর্শনার্থীের জন্য করমজল পর্যটন কেন্দ্রে টিকিট মূল্য যথাক্রমে ৪৬ টাকা এবং ৫৭৫ টাকা। নীলকমল ও কচিখালীতে কক্ষ প্রতি ৩০০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলী কিংবা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দোলা পরবহন, দিগন্ত পরিবহন, সেবা গ্রীন লাইন, ফাল্গুনী পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও ঈগল পরিবহন ইত্যাদি বাসে সহজেই বাগেরহাট আসতে পারবেন। এছারাও চাইলে থাকতে পারেন চমৎকারবনের কোল ঘেঁষে তৈরি নানা রিসোর্টে। বিদেশি ভ্রমণকারীদের এই সব রেস্ট হাউজে রাত কাটাতে রুম প্রতি গুনতে হবে ৫০০০ টাকা।
এই পথ আপনাকে নিয়ে যাবে কুমির এবং হরিণ প্রজনন কেন্দ্র এবং পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে। বারো বছরের নিচে যেকেউ করমজলে ভেতরে যেতে ২৩ টাকার টিকেট কাটতে হবে। করমজলে বাংলাদেশের এককেবল কুমিরের প্রকৃতির প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে।
এই টাওয়ার থেকে আশেপাশের সৌন্দর্য্য দেখে আপনার মন নিশ্চিত প্রশান্তিতে ভরে যাবে। মোংলা থেকে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করমজল পর্যটন কেন্দ্রে পৌঁছাতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। সামনে আঁকাবাঁকা কাঠের তৈরি মাঙ্কি ট্রেইল নামের হাঁটা পথ ধরে এগিয়ে গেলে চমৎকারবনের জীববৈচিত্রের সমৃদ্ধতা সম্পর্কে অনুমান করা যায়।
যদি একদিনে চমৎকারবন ভ্রমণ স্বাদ নিতে চান যদিও করমজল হচ্ছে সর্বাধিক উপযুক্ত জায়গা। আর যদি করমজল পর্যটন কেন্দ্র থেকে দিনে ফিরে আসেন যদিও মোংলায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মোটেল পশুর এ ২৫০০ থেকে ৩৮০০ টাকায় থাকতে পারবেন। প্রকৃতির শোভা বাড়াতে এখানে রয়েছে কুমির, হরিণ, রেসাস বানর সহ বিচিত্র প্রজাতির পশুপাখি।
অবশ্য বিদেশী গবেষকদের করমজলে প্রবেশের জন্য ৯২০ টাকা গুনতে হয়। এছাড়াও মোংলা শহরে সাধারণ মানের হোটেলগুলোতে ৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। যদিও সবচেয়ে ভাল হয় সায়দাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে সরাসরি মোংলা যাওয়ার বাসে চড়া।
কোথায় থাকবেন
যদি চমৎকারবনে রাত কাটাতে চান যদিও ট্যুরিস্ট ভেসেলে রাত কাটাতে পারবেন। তাছাড়া হিরণপয়েন্টের নীলকমল, টাইগার পয়েন্টের কচিখালী এবং কাটকায় বন বিভাগের রেস্ট হাউজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে চমৎকারবন ও দিগন্ত পরিবহনের বাসে জনপ্রতি ৭০০ টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন।
বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে ৩০ হেক্টর জমির উপর পর্যটন কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়েছে। রুম বুক করতে যোগাযোগ করতে পারেন ০৪৬৬২-৭৫১০০, ০১৭৭৩০৪৪৪৭০ এই নাম্বারে। এই জায়গা থেকে পশ্চিম দিকে আরো একটা কাঠের নির্মিত ট্রেইল দেখার সুযোগ পাবেন।
চমৎকারবন এর সেরা রিসোর্ট ও কটেজ সম্পর্কে জানতে পড়ুন চমৎকারবনের সেরা রিসোর্ট ও কটেজ ব্লগ। বলে রাখা ভালো এখানে সকল মূল্যের সাথে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য। এরপর বাগেরহাটের মোংলা বন্দর থেকে করমজল যাবার নৌযান ভাড়া করার সুযোগ পাবেন।
বাংলাদেশি ছাত্র ও গবেষকরা ৫০ টাকা ও ৫৭ টাকার বিনিময়ে ভেতরে যেতে পারেন। কটকা রেস্ট হাউজে রুম নিতে লাগে ২০০০ টাকা। এছাড়াও নির্মিত হয়েছে কাঠের ট্রেইল, টাওয়ার এবং জেলেদের মাছ ধরার কর্মজজ্ঞ হচ্ছে অতিরিক্ত প্রাপ্তি।
ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশের জন্য এখানে ক্যামেরাপ্রতি অতিরিক্ত টাকা দিতে হয় বাংলাদেশীদের জন্য এই চার্জ ৩৪৫ টাকা এবং বিদেশি জন্য ৫৭৫ টাকা। সেখান থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দক্ষিণে পথের মাথায় একটা শেইড রয়েছে। এছারা দেহরক্ষী হিসেবে একজন গান ম্যান নিলে তার জন্য ৫৭৫ টাকা দিতে হয়।
এছাড়া মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা এবং খুলনার রূপসা থেকেও করমজল পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়া যায়। পর্যটন কেন্দ্রের প্রথমেই রয়েছে চমৎকারবনের মানচিত্র, যা চমৎকারবন সম্পর্কে মানচিত্র প্রাথমিক ধারণা দেয়। এই পথে এগিয়ে পশুর নদীর দেখা পাওয়া যায় চাইলে সেখানে নির্মিত বেঞ্চে বসে বিশ্রাম নিতে পারেন।
যদিও কচিখালীতে ৪ কক্ষ ভাড়া নিলে ১০,০০০ টাকায় থাকতে পারবেন। অথাবা খুলনা চলে এসে সেখান নানা মানের আবাসিক হোটেল পাবেন থাকার জন্যে।
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
বাংলাদেশি ও বিদেশী দর্শনার্থীের জন্য করমজল পর্যটন কেন্দ্রে টিকিট মূল্য যথাক্রমে ৪৬ টাকা এবং ৫৭৫ টাকা। অবশ্য বিদেশী গবেষকদের করমজলে প্রবেশের জন্য ৯২০ টাকা গুনতে হয়। এছারা দেহরক্ষী হিসেবে একজন গান ম্যান নিলে তার জন্য ৫৭৫ টাকা দিতে হয়। বাংলাদেশি ছাত্র ও গবেষকরা ৫০ টাকা ও ৫৭ টাকার বিনিময়ে ভেতরে যেতে পারেন। বারো বছরের নিচে যেকেউ করমজলে ভেতরে যেতে ২৩ টাকার টিকেট কাটতে হবে। ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশের জন্য এখানে ক্যামেরাপ্রতি অতিরিক্ত টাকা দিতে হয় বাংলাদেশীদের জন্য এই চার্জ ৩৪৫ টাকা এবং বিদেশি জন্য ৫৭৫ টাকা। বলে রাখা ভালো এখানে সকল মূল্যের সাথে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী কিংবা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দোলা পরবহন, দিগন্ত পরিবহন, সেবা গ্রীন লাইন, ফাল্গুনী পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও ঈগল পরিবহন ইত্যাদি বাসে সহজেই বাগেরহাট আসতে পারবেন।
যদিও সবচেয়ে ভাল হয় সায়দাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে সরাসরি মোংলা যাওয়ার বাসে চড়া।
এক্ষেত্রে চমৎকারবন ও দিগন্ত পরিবহনের বাসে জনপ্রতি ৭০০ টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন।
এছাড়া মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা এবং খুলনার রূপসা থেকেও করমজল পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়া যায়।
এরপর বাগেরহাটের মোংলা বন্দর থেকে করমজল যাবার নৌযান ভাড়া করার সুযোগ পাবেন।
মোংলা ফেরি ঘাট থেকে ১০ জনের উপযোগী ইঞ্জিন চালিত নৌকার ভাড়া করতে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা লাগতে পারে।
কোথায় থাকবেন?
যদি চমৎকারবনে রাত কাটাতে চান যদিও ট্যুরিস্ট ভেসেলে রাত কাটাতে পারবেন। এছারাও চাইলে থাকতে পারেন চমৎকারবনের কোল ঘেঁষে তৈরি নানা রিসোর্টে। এছাড়াও মোংলা শহরে সাধারণ মানের হোটেলগুলোতে ৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। তাছাড়া হিরণপয়েন্টের নীলকমল, টাইগার পয়েন্টের কচিখালী এবং কাটকায় বন বিভাগের রেস্ট হাউজে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। আর যদি করমজল পর্যটন কেন্দ্র থেকে দিনে ফিরে আসেন যদিও মোংলায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মোটেল পশুর এ ২৫০০ থেকে ৩৮০০ টাকায় থাকতে পারবেন। চমৎকারবন এর সেরা রিসোর্ট ও কটেজ সম্পর্কে জানতে পড়ুন চমৎকারবনের সেরা রিসোর্ট ও কটেজ ব্লগ। যদিও কচিখালীতে ৪ কক্ষ ভাড়া নিলে ১০,০০০ টাকায় থাকতে পারবেন। নীলকমল ও কচিখালীতে কক্ষ প্রতি ৩০০০ টাকা ভাড়া দিতে হয়। বিদেশি ভ্রমণকারীদের এই সব রেস্ট হাউজে রাত কাটাতে রুম প্রতি গুনতে হবে ৫০০০ টাকা। রুম বুক করতে যোগাযোগ করতে পারেন ০৪৬৬২-৭৫১০০, ০১৭৭৩০৪৪৪৭০ এই নাম্বারে। কটকা রেস্ট হাউজে রুম নিতে লাগে ২০০০ টাকা। অথাবা খুলনা চলে এসে সেখান নানা মানের আবাসিক হোটেল পাবেন থাকার জন্যে।
ট্রাভেল টিপস
বন রক্ষী ব্যতিত জঙ্গলের ভেতরে প্রবেশ করবেন না। পশুর নদী প্রায় সর্বদাই কম বেশি উত্তাল থাকে তাই ভালো ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে ভ্রমণ করুন। আপনার নৌযানে পর্যাপ্ত পরিমান লাইফ জ্যাকেট ও বয়া রয়েছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন। কুমির ও হরিণ প্রজনন কেন্দ্রে কোন প্রাণীকে খাবার খাওয়াবেন না। আরও পড়ুনআলভিনা গার্ডেন – কৃষি পর্যটন কেন্দ্রঅর্কিড পর্যটন কেন্দ্র এন্ড রিসোর্টআলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রতমা তুঙ্গী পর্যটন কেন্দ্র, বান্দরবান
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
করমজল পর্যটন কেন্দ্র-এ প্রবেশ মূল্য কত?
বাংলাদেশি ও বিদেশী দর্শনার্থীের জন্য করমজল পর্যটন কেন্দ্রে টিকিট মূল্য যথাক্রমে ৪৬ টাকা এবং ৫৭৫ টাকা। অবশ্য বিদেশী গবেষকদের করমজলে প্রবেশের জন্য ৯২০ টাকা গুনতে হয়। এছারা দেহরক্ষী হিসেবে একজন গান ম্যান নিলে তার জন্য ৫৭৫ টাকা দিতে হয়। বাংলাদেশি ছাত্র ও গবেষকরা ৫০ টাকা ও ৫৭ টাকার বিনিময়ে ভেতরে যেতে পা
করমজল পর্যটন কেন্দ্র কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী কিংবা সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে দোলা পরবহন, দিগন্ত পরিবহন, সেবা গ্রীন লাইন, ফাল্গুনী পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ ও ঈগল পরিবহন ইত্যাদি বাসে সহজেই বাগেরহাট আসতে পারবেন। যদিও সবচেয়ে ভাল হয় সায়দাবাদ বাস স্ট্যান্ড থেকে সরাসরি মোংলা যাওয়ার বাসে চড়া। এক্ষেত্রে চমৎকারবন ও দিগন্ত পরিবহনের বাসে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
যদি চমৎকারবনে রাত কাটাতে চান যদিও ট্যুরিস্ট ভেসেলে রাত কাটাতে পারবেন। এছারাও চাইলে থাকতে পারেন চমৎকারবনের কোল ঘেঁষে তৈরি নানা রিসোর্টে। এছাড়াও মোংলা শহরে সাধারণ মানের হোটেলগুলোতে ৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। তাছাড়া হিরণপয়েন্টের নীলকমল, টাইগার পয়েন্টের কচিখালী এবং কাটক
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
