bangladesh · Editorial

চলনবিল জাদুঘর

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর চলনবিল এলাকাের কিছু সচেতন সমাজকর্মীদের পরিশ্রমের ফলে গরুদাসপুর থানার খুবজীপুর গ্রামে অস্থায়ীভাবে চলনবিল জাদুঘর (Chalanbil Museum)

Photograph · Collected for Tripzao Journal

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর চলনবিল এলাকাের কিছু সচেতন সমাজকর্মীদের পরিশ্রমের ফলে গরুদাসপুর থানার খুবজীপুর গ্রামে অস্থায়ীভাবে চলনবিল জাদুঘর (Chalanbil Museum) প্রতিষ্ঠিত হয়। আর প্রত্যেক দিন দুপুর ১টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জাদুঘরে সাময়িক বিরতি থাকে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ
  • প্রবেশ মূল্য: গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এবং শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলনবিল জাদুঘর সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে। প্রতি রবিবার জাদুঘর বন্ধ থাকে আর সোমবার খোলা থাকে বেলা ২টা থেকে। আর

চলনবিল জাদুঘর

চলনবিল জাদুঘর সম্পর্কে

পুরো বাংলাদেশে চলনবিল এবং রানী ভবানী সুস্বাদু মাছ ও নাটোরের সুপরিচিত কাঁচাগোল্লার সুনাম ছড়িয়ে আছে। এসব বাস ঢাকার কল্যানপুর ও গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে নিয়মিতভাবে নাটোরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। হোটেল ভিআইপি এবং হোটেল রুখসানায় ৩০০-৬০০ টাকায় সিঙ্গেল ও ডাবল কেবিনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে বাসে চড়ে নাটোর বাসস্ট্যান্ড পৌঁছে সেখান থেকে অটো রিক্সা ভাড়া করে সরাসরি চলনবিল জাদুঘর যাওয়া যায়। এছাড়া এখানে আরো আছে বাদশা আলমগীর ও সম্রাট নাসিরুদ্দিনের নিজ হাতে লেখা দুটি কোরান শরীফ, তুলট কাগজের উপর হাতে লেখা প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো ৮টি সম্পূর্ণ ও ৭টি আংশিক কোরান শরীফ, ১৫টি হাদিস শরীফ এবং ২৫৭টি নানা ধর্ম গ্রন্থ। এক্ষেত্রে জনপ্রতি ট্রেনের টিকেটের ভাড়া শোভন চেয়ার ৪২০ টাকা, স্নিগ্ধা ৮০৫ টাকা, এসি ৯৬৬ টাকা ও এসি বার্থ ১,৪৪৯ টাকা।

নিজের পছন্দ মতো যেকোন রেস্তোরাঁে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার খেতে পারবেন। ট্রেনে ঢাকা থেকে নাটোর: ঢাকা থেকে নিলসাগর এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, চিলাহাটি এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, কুরিগ্রাম এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো নাটোর স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিয়ে গন্তব্যের পথে এগিয়ে যায়। প্রতি রবিবার জাদুঘর বন্ধ থাকে আর সোমবার খোলা থাকে বেলা ২টা থেকে।

নাটোর কোথায় থাকবেননাটোরে মুটামুটি মানের আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। চলনবিল জাদুঘরে উল্লেখযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে আছে বিষ্ণু ও মাতৃকা মূর্তিসহ বিচিত্র গবেষণা গ্রন্থ, কষ্টি পাথরের সূর্যদেব, ডাক টিকিট, ৯০টি দেশের মুদ্রা, ঘট, শিলা এবং নানা শাসন আমলের টেরাকোটা। বাসের মানভেদে জনপ্রতি টিকেটের মূল্য নন-এসি ৫৯০ টাকা এবং এসি ৮০০ থেকে ১৩০০ টাকা।

বাসে ঢাকা থেকে নাটোর: ঢাকা থেকে নাটোর যাওয়ার বাস সার্ভিসের মধ্যে গ্রীণ লাইন, হানিফ, দেশ, শ্যামলি এবং ন্যাশনাল পরিবহন ইত্যাদি উল্লেখ্য। চলনবিল জাদুঘরের সময়সূচীগ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এবং শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলনবিল জাদুঘর সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে। তাই নাটোর ভ্রমনকালে মাছ ও কাঁচাগোল্লা খাওয়ার সুযোগ মিস করা মোটেও ঠিক হবে না।

নাটোরে

কোথায় খাবেন

নাটোরে নানা মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। চলনবিলের নানা ইতিহাস-সমৃদ্ধ নিদর্শন নিয়ে তৈরী এ জাদুঘরটি ১৯৮৯ সালের ২ জুলাই প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতাভুক্ত হয়। নাটোরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা : নাটোর জেলার জনপ্রিয় ভ্রমণ জায়গা গুলো হলো, উত্তরা গণভবন, দয়ারামপুর জমিদার বাড়ি, হালতি বিল, লালপুরের পদ্মার চর, বুধপাড়া কালীমন্দির ও ধরাইল জমিদার বাড়ি।

প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি

গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এবং শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলনবিল জাদুঘর সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে। প্রতি রবিবার জাদুঘর বন্ধ থাকে আর সোমবার খোলা থাকে বেলা ২টা থেকে। আর প্রত্যেক দিন দুপুর ১টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জাদুঘরে সাময়িক বিরতি থাকে।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে বাসে চড়ে নাটোর বাসস্ট্যান্ড পৌঁছে সেখান থেকে অটো রিক্সা ভাড়া করে সরাসরি চলনবিল জাদুঘর যাওয়া যায়।

বাসে ঢাকা থেকে নাটোর: ঢাকা থেকে নাটোর যাওয়ার বাস সার্ভিসের মধ্যে গ্রীণ লাইন, হানিফ, দেশ, শ্যামলি এবং ন্যাশনাল পরিবহন ইত্যাদি উল্লেখ্য।

ট্রেনে ঢাকা থেকে নাটোর: ঢাকা থেকে নিলসাগর এক্সপ্রেস, বুড়িমারী এক্সপ্রেস, রংপুর এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, চিলাহাটি এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, কুরিগ্রাম এক্সপ্রেস, লালমনি এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনগুলো নাটোর স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিয়ে গন্তব্যের পথে এগিয়ে যায়।

বাসের মানভেদে জনপ্রতি টিকেটের মূল্য নন-এসি ৫৯০ টাকা এবং এসি ৮০০ থেকে ১৩০০ টাকা।

এসব বাস ঢাকার কল্যানপুর ও গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে নিয়মিতভাবে নাটোরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

এক্ষেত্রে জনপ্রতি ট্রেনের টিকেটের ভাড়া শোভন চেয়ার ৪২০ টাকা, স্নিগ্ধা ৮০৫ টাকা, এসি ৯৬৬ টাকা ও এসি বার্থ ১,৪৪৯ টাকা।

কোথায় থাকবেন?

নাটোরে মুটামুটি মানের আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। হোটেল ভিআইপি এবং হোটেল রুখসানায় ৩০০-৬০০ টাকায় সিঙ্গেল ও ডাবল কেবিনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।

কোথায় খাবেন?

নাটোরে নানা মানের খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। পুরো বাংলাদেশে চলনবিল এবং রানী ভবানী সুস্বাদু মাছ ও নাটোরের সুপরিচিত কাঁচাগোল্লার সুনাম ছড়িয়ে আছে। তাই নাটোর ভ্রমনকালে মাছ ও কাঁচাগোল্লা খাওয়ার সুযোগ মিস করা মোটেও ঠিক হবে না। নিজের পছন্দ মতো যেকোন রেস্তোরাঁে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার খেতে পারবেন। নাটোরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা : নাটোর জেলার জনপ্রিয় ভ্রমণ জায়গা গুলো হলো, উত্তরা গণভবন, দয়ারামপুর জমিদার বাড়ি, হালতি বিল, লালপুরের পদ্মার চর, বুধপাড়া কালীমন্দির ও ধরাইল জমিদার বাড়ি।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

চলনবিল জাদুঘর-এ প্রবেশ মূল্য কত?

গ্রীষ্মকালে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এবং শীতকালে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলনবিল জাদুঘর সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে। প্রতি রবিবার জাদুঘর বন্ধ থাকে আর সোমবার খোলা থাকে বেলা ২টা থেকে। আর প্রত্যেক দিন দুপুর ১টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জাদুঘরে সাময়িক বিরতি থাকে।

চলনবিল জাদুঘর কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে বাসে চড়ে নাটোর বাসস্ট্যান্ড পৌঁছে সেখান থেকে অটো রিক্সা ভাড়া করে সরাসরি চলনবিল জাদুঘর যাওয়া যায়। বাসে ঢাকা থেকে নাটোর: ঢাকা থেকে নাটোর যাওয়ার বাস সার্ভিসের মধ্যে গ্রীণ লাইন, হানিফ, দেশ, শ্যামলি এবং ন্যাশনাল পরিবহন ইত্যাদি উল্লেখ্য। ট্রেনে ঢাকা থেকে নাটোর: ঢাকা থেকে নিলসাগর এক্সপ্রেস, বুড়ি

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

নাটোরে মুটামুটি মানের আবাসিক হোটেল ও বোডিং রয়েছে। হোটেল ভিআইপি এবং হোটেল রুখসানায় ৩০০-৬০০ টাকায় সিঙ্গেল ও ডাবল কেবিনে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.