bangladesh · Editorial

রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি

রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি (Rayerkathi Jomidar Bari) পিরোজপুর জেলার অন্যতম একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা। জেলা সদর থেকে কেবল তিন কিলোমিটার উত্তরে রয়েছে রায়েরকাঠী

Photograph · Collected for Tripzao Journal

রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি (Rayerkathi Jomidar Bari) পিরোজপুর জেলার অন্যতম একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা। পিরোজপুর জেলায় খাবার নিয়ে কোন উচ্চাশা না থাকাই ভাল হবে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি

রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি সম্পর্কে

এদের মধ্যে হোটেল রিল্যাক্স, হোটেল রজনী, হোটেল অবকাশ, হোটেল ডালাস, হোটেল সিনথিয়া, হোটেল আল মদীনা, হোটেল শাহ নেওয়াজ (ইন্দেরহাট বন্দর) উল্লেখযোগ্য। ঢাকা থেকে ফাল্গুনী পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, পালকী এক্সপ্রেস, সাকুরা পরিবহন এর বাস প্রত্যেক দিন পিরোজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

কোথায় থাকবেন

পিরোজপুর জেলায় রাত্রি যাপনের জন্য মোটামুটি মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। জেলা সদর থেকে কেবল তিন কিলোমিটার উত্তরে রয়েছে রায়েরকাঠী জমিদার বাড়িটি প্রায় তিনশত পঞ্চাশ বছরের পুরোনো। ১৬১৮ সালে মদন মোহন সেলিমাবাদ পরগণার রাজস্ব আদায়ের জন্য নিযুক্ত হন।

গাবতলী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে নানা পরিবহনের বাস নিয়মিতভাবে পিরোজপুরের পথে যাত্রা করে। এখন রায়েরকাঠী জমিদার বাড়িতে ৭ ভবন প্রাচীন ভবন কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। এই জমিদার বাড়িতে ছোট বড় প্রায় দুইশত অট্টালিকা ছিলো।

১৬৫৮ সালে রায়েরকাঠী জমিদার বাড়িতে কালিমন্দির নির্মাণ করা হয়, যেখানে প্রায় ২৫ মন ওজনের একটা শিব লিঙ্গ স্থাপন করা হয়েছে। বন-জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করে নতুন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা হয় বলে এলাকাটি রায়েরকাঠি নামে পরিচিতি পায়।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে সড়ক ও নৌপথে পিরোজপুর জেলায় যাওয়া যায়।

কোথায় খাবেন

পিরোজপুরে খাবারের জন্য কিছু সাধারণ মানের হোটেল পাবেন যেখানে আপনি আপনার স্বাভাবিক খাবারের চাহিদা পূরণ করার সুযোগ পাবেন। এখানে জায়গা পেয়েছে রাজভবন, অতিথিশালা, নহবৎখানা, নাট্যশালা এবং মন্দির। ১৬৫৮ সালে রাজা শ্রীনাথ রায়ের ছেলে রুদ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী বর্তমান পিরোজপুরের কাছে বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে রাজবাড়ি এবং মন্দির নির্মাণ করেন।

এই শিব লিঙ্গকে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ শিব লিঙ্গ মনে করা হয়। ইতিহাসসম্রাট আকবরের রাজত্বকালে যুবরাজ সেলিম বিদ্রোহ ঘোষণা করে বাংলায় এসে ঝালকাঠি, বাগেরহাট ও পিরোজপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে একটা পরগণা সৃষ্টি করে পরগণার নাম রাখেন সেলিমাবাদ। পরবর্তীতে মোগল সম্রাট শ্রীনাথ রায়কে রাজা উপাধিতে ভূষিত করেন।

এসব বাসের ভাড়া লাগবে মানভেদে ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা। যার মধ্যে ৪০ থেকে ৫০টি বিশালাকৃতির অট্টালিকা শুধুকেবল রাজবাড়ির শোভাবর্ধনের জন্য তৈরী করা হয়েছিল। পিরোজপুর জেলা সদর থেকে রিক্সা বা অটোরিক্সায় চেপে সহজেই কেবল তিন কিলোমিটার দূরে রয়েছে রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি দেখতে যেতে পারবেন।

নদী পথেও পিরোজপুর যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ১৬২৮ সালে মদন মোহন সেলিমাবাদ পরগণার কিছু জমি তার ছেলে শ্রীনাথের নামে কিনে নেন। রাজধানী ঢাকার সদরঘাট নদীবন্দর থেকে প্রত্যেক দিন সন্ধ্যা ৭ টায় লঞ্চ রাজদূত/পারাবত এবং রাত ৯ টায় স্টীমার অস্ট্রি্চ সদর ঘাট থেকে পিরোজপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

আরও পড়ুনকোকিল পেয়ারী জমিদার বাড়িখেলারাম দাতার বাড়ি

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সড়ক ও নৌপথে পিরোজপুর জেলায় যাওয়া যায়।

এসব বাসের ভাড়া লাগবে মানভেদে ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা।

গাবতলী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে নানা পরিবহনের বাস নিয়মিতভাবে পিরোজপুরের পথে যাত্রা করে।

ঢাকা থেকে ফাল্গুনী পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, পালকী এক্সপ্রেস, সাকুরা পরিবহন এর বাস প্রত্যেক দিন পিরোজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

নদী পথেও পিরোজপুর যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

রাজধানী ঢাকার সদরঘাট নদীবন্দর থেকে প্রত্যেক দিন সন্ধ্যা ৭ টায় লঞ্চ রাজদূত/পারাবত এবং রাত ৯ টায় স্টীমার অস্ট্রি্চ সদর ঘাট থেকে পিরোজপুরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।

কোথায় থাকবেন?

পিরোজপুর জেলায় রাত্রি যাপনের জন্য মোটামুটি মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল রিল্যাক্স, হোটেল রজনী, হোটেল অবকাশ, হোটেল ডালাস, হোটেল সিনথিয়া, হোটেল আল মদীনা, হোটেল শাহ নেওয়াজ (ইন্দেরহাট বন্দর) উল্লেখযোগ্য।

কোথায় খাবেন?

পিরোজপুরে খাবারের জন্য কিছু সাধারণ মানের হোটেল পাবেন যেখানে আপনি আপনার স্বাভাবিক খাবারের চাহিদা পূরণ করার সুযোগ পাবেন। পিরোজপুর জেলায় খাবার নিয়ে কোন উচ্চাশা না থাকাই ভাল হবে। আরও পড়ুনকোকিল পেয়ারী জমিদার বাড়িখেলারাম দাতার বাড়ি

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে সড়ক ও নৌপথে পিরোজপুর জেলায় যাওয়া যায়। এসব বাসের ভাড়া লাগবে মানভেদে ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা। গাবতলী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে নানা পরিবহনের বাস নিয়মিতভাবে পিরোজপুরের পথে যাত্রা করে। ঢাকা থেকে ফাল্গুনী পরিবহন, ওয়েলকাম এক্সপ্রেস, পালকী এক্সপ্রেস, সাকুরা পরিবহন এর বাস প্রত্যেক দিন পিরোজপুরের

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

পিরোজপুর জেলায় রাত্রি যাপনের জন্য মোটামুটি মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল রিল্যাক্স, হোটেল রজনী, হোটেল অবকাশ, হোটেল ডালাস, হোটেল সিনথিয়া, হোটেল আল মদীনা, হোটেল শাহ নেওয়াজ (ইন্দেরহাট বন্দর) উল্লেখযোগ্য।

রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি (Rayerkathi Jomidar Bari) পিরোজপুর জেলার অন্যতম একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা। পিরোজপুর জেলায় খাবার নিয়ে কোন উচ্চাশা না থাকাই ভাল হবে। এদের মধ্যে হোটেল রিল্যাক্স, হোটেল রজনী, হোটেল অবকাশ, হোটেল ডালাস, হোটেল সিনথিয়া, হোটেল আল মদীনা, হোটেল শাহ নেওয়াজ (ইন্দেরহাট বন্দর) উল্লেখযোগ্য।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh barisal guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.