বরিশালের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা ঝালকাঠি থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে রাজাপুর উপজেলায় বাংলার বাঘ হিসেবে পরিচিত এ কে এম ফজলুল হকের জন্মজায়গা সাতুরিয়া জমিদার বাড়ি রয়েছে। ১৭শ শতকে ফজলুল হকের মাতামহ শেখ শাহাবুদ্দিন সাতুরিয়ায় ১০০ একর জায়গার উপর এই জমিদার বাড়ী প্রতিষ্ঠা করেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

সাতুরিয়া জমিদার বাড়ি সম্পর্কে
বাসে যেতে ভাড়া লাগবে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা। আর তাঁর কর্ম ও রাজনৈতিক জীবনের বেশীরভাগ সময় কেটেছে এই জমিদার বাড়িতে। ঢাকার সদরঘাট থেকে চমৎকারবন ২, এম ভি ফারহান-৭, টি এস মাসুদ, টি এস অস্ট্রিচ, টি এস লেপচা ইত্যাদি লঞ্চ ও স্টিমারে রাজাপুর ঘাটে পৌঁছাতে পারবেন।
কোথায় খাবেনঝালকাঠির ষ্টেশন রোডে বেশকিছু রেস্তোরা আছে। ইতিহাস-সমৃদ্ধ সাতুরিয়া জমিদার বাড়ি ইতিহাসের বহু উজ্জ্বল ঘটনার সাক্ষী হিসেবে টিকে আছে। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য সাতুরিয়া জমিদার বাড়ী ঘুরে সন্ধ্যার মধ্যে রাজাপুর থেকে ঝালকাঠি ফিরে আসাই ভালো।
সড়কপথে ঢাকার সায়েদাবাদ বা গাবতলী থেকে বিআরটিসি, ইসলাম পরিবহন, লাবিবা ক্লাসিক, সুগন্ধা, হানিফ, ঈগল কিংবা সাকুরা পরিবহনে ফেরি পার হয়ে ঝালকাঠি পৌঁছে বাস বা সিএনজি নিয়ে রাজাপুর রওনা দিতে হবে। এখন বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে থাকা এই জমিদার বাড়ীতে শেরে বাংলা স্মৃতি পাঠাগারসহ কয়েকটি স্থাপনা নির্মাণ হয়েছে। জেলা শহরে ধানসিঁড়ি রেস্ট হাউজ, হালিমা বোর্ডিং, আরাফাত বোর্ডিং, ডালিয়ান হোটেল, দিদার ইত্যাদি সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল আছে।
রাজাপুর থেকে রিকশায় সহজেই জমিদার বাড়ি যাওয়া যায়। মুঘল স্থাপত্যে নির্মাণ করা জমিদার বাড়ীর কমপাউন্ডটি ৩টি ভবনের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
কীভাবে যাবেন
উপকূলীয় ও নদী অসংখ্যল এলাকা হওয়ার কারণে ঝালকাঠি যাওয়ার জন্য নৌ পথ সর্বাধিক সুবিধাজনক। রাজাপুর ঘাটে নেমে যেকোন জায়গাীয় পরিবহণে রাজাপুর-পিরোজপুর মহাসড়কের বেকুটিয়া ফেরিঘাটের কাছাকাছি রয়েছে সাতুরিয়া জমিদার বাড়ি যেতে পারবেন। কোথায় থাকবেনরাজাপুর উপজেলাতে সাধারন মানের কিছু হোটেল ও সরকারী ব্যবস্থাপনায় জেলা পরিষদ ডাকবাংলো আছে।
আর সুযোগ পেলে অবশ্যই ঘোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মিষ্টি, রসমালাই এবং সকাল সন্ধ্যা সুইটসের লুচি ও মিষ্টি খেয়ে দেখবেন। ঢাকা হতে রাজাপুর পর্যন্ত লঞ্চের ভাড়া শ্রেণীভেদে ১৯০ থেকে ১,৬০০ টাকা। ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর এই সাতুরিয়া জমিদার বাড়িতেই শেরেবাংলা একেএম ফজলুল হকের জন্ম হয়।
কমপাউন্ডে প্রবেশের জন্য রয়েছে কারুকার্য খচিত প্রধান ফটক। সাতুরিয়া জমিদার বাড়ীর মক্তব থেকে তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা জীবন শুরু হয়। মূল বাড়ির ভিতরে ফুলের বাগান, পুকুর ও কারুকার্যখচিত মুঘল আমলের ভবনগুলো বাড়ীর সৌন্দর্য অসংখ্যগুণ বাড়িয়ে তুলেছে।
ঝালকাঠির অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাঝালকাঠির অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে গাবখান সেতু, সুজাবাদ কেল্লা, কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ী ও ভাসমান পেয়ারা বাজার উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
উপকূলীয় ও নদী অসংখ্যল এলাকা হওয়ার কারণে ঝালকাঠি যাওয়ার জন্য নৌ পথ সর্বাধিক সুবিধাজনক।
ঢাকা হতে রাজাপুর পর্যন্ত লঞ্চের ভাড়া শ্রেণীভেদে ১৯০ থেকে ১,৬০০ টাকা।
বাসে যেতে ভাড়া লাগবে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।
সড়কপথে ঢাকার সায়েদাবাদ বা গাবতলী থেকে বিআরটিসি, ইসলাম পরিবহন, লাবিবা ক্লাসিক, সুগন্ধা, হানিফ, ঈগল কিংবা সাকুরা পরিবহনে ফেরি পার হয়ে ঝালকাঠি পৌঁছে বাস বা সিএনজি নিয়ে রাজাপুর রওনা দিতে হবে।
ঢাকার সদরঘাট থেকে চমৎকারবন ২, এম ভি ফারহান-৭, টি এস মাসুদ, টি এস অস্ট্রিচ, টি এস লেপচা ইত্যাদি লঞ্চ ও স্টিমারে রাজাপুর ঘাটে পৌঁছাতে পারবেন।
রাজাপুর ঘাটে নেমে যেকোন জায়গাীয় পরিবহণে রাজাপুর-পিরোজপুর মহাসড়কের বেকুটিয়া ফেরিঘাটের কাছাকাছি রয়েছে সাতুরিয়া জমিদার বাড়ি যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
রাজাপুর উপজেলাতে সাধারন মানের কিছু হোটেল ও সরকারী ব্যবস্থাপনায় জেলা পরিষদ ডাকবাংলো আছে। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য সাতুরিয়া জমিদার বাড়ী ঘুরে সন্ধ্যার মধ্যে রাজাপুর থেকে ঝালকাঠি ফিরে আসাই ভালো। জেলা শহরে ধানসিঁড়ি রেস্ট হাউজ, হালিমা বোর্ডিং, আরাফাত বোর্ডিং, ডালিয়ান হোটেল, দিদার ইত্যাদি সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল আছে।
কোথায় খাবেন?
ঝালকাঠির ষ্টেশন রোডে বেশকিছু রেস্তোরা আছে। আর সুযোগ পেলে অবশ্যই ঘোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মিষ্টি, রসমালাই এবং সকাল সন্ধ্যা সুইটসের লুচি ও মিষ্টি খেয়ে দেখবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সাতুরিয়া জমিদার বাড়ি কীভাবে যাবেন?
উপকূলীয় ও নদী অসংখ্যল এলাকা হওয়ার কারণে ঝালকাঠি যাওয়ার জন্য নৌ পথ সর্বাধিক সুবিধাজনক। ঢাকা হতে রাজাপুর পর্যন্ত লঞ্চের ভাড়া শ্রেণীভেদে ১৯০ থেকে ১,৬০০ টাকা। বাসে যেতে ভাড়া লাগবে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা। সড়কপথে ঢাকার সায়েদাবাদ বা গাবতলী থেকে বিআরটিসি, ইসলাম পরিবহন, লাবিবা ক্লাসিক, সুগন্ধা, হানিফ, ঈগল কি
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাজাপুর উপজেলাতে সাধারন মানের কিছু হোটেল ও সরকারী ব্যবস্থাপনায় জেলা পরিষদ ডাকবাংলো আছে। যদিও রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য সাতুরিয়া জমিদার বাড়ী ঘুরে সন্ধ্যার মধ্যে রাজাপুর থেকে ঝালকাঠি ফিরে আসাই ভালো। জেলা শহরে ধানসিঁড়ি রেস্ট হাউজ, হালিমা বোর্ডিং, আরাফাত বোর্ডিং, ডালিয়ান হোটেল, দিদার ইত্যাদি সাধার
সাতুরিয়া জমিদার বাড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বরিশালের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা ঝালকাঠি থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে রাজাপুর উপজেলায় বাংলার বাঘ হিসেবে পরিচিত এ কে এম ফজলুল হকের জন্মজায়গা সাতুরিয়া জমিদার বাড়ি রয়েছে। ১৭শ শতকে ফজলুল হকের মাতামহ শেখ শাহাবুদ্দিন সাতুরিয়ায় ১০০ একর জায়গার উপর এই জমিদার বাড়ী প্রতিষ্ঠা করেন। বাসে যেতে ভাড়া লাগবে ৫৫০ থেকে ৯০
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

