মনপুরা দ্বীপ (Manpura Island) বাংলাদেশের ভোলা জেলার অন্তর্গত একটা বিচ্ছিন্ন ভূমি। কীভাবে যাবেনবিছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় লঞ্চ হচ্ছে মনপুরা দ্বীপে যাওয়ার এককেবল বাহন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

মনপুরা দ্বীপ সম্পর্কে
মনপুরা দ্বীপ ভ্রমণের সময়শীতকাল মনপুরা দ্বীপ ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। প্রায়ই বহু দর্শনার্থী ক্যাম্পিং করে থাকার জন্যে মনপুরা ভ্রমণ করে থাকে। এছাড়া এই দ্বীপে চৌধুরী প্রজেক্ট নামে একটা মাছের ঘের আছে।
মনপুরা রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট থেকে দুপুর ২ টায় লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ভোলার চরফ্যাশনের বেতুয়া ঘাট থেকেও দুটি লঞ্চ মনপুরার জনতা বাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
কোথায় থাকবেন
মনপুরা দ্বীপে রাত্রি যাপনের জন্য ৩ টি প্রতিষ্ঠানের (সরকারি ডাকবাংলো, কারিতাস বাংলো এবং প্রেসক্লাব বাংলো) ডাকবাংলো আছে। বিশাল অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত পুকুর ও লেকের পাড় জুড়ে সারি সারি নারিকেল গাছ একটা বিকেল কাটানোর জন্য বেশ মোহনীয়। মনপুরা দ্বীপের পূর্ব, পশ্চিম এবং উত্তর দিকে মেঘনা নদী প্রবাহমান আর দক্ষিণ দিকে রয়েছে বঙ্গোপসাগর।
ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি ফারহান-৩ এবং ৪ নামে দুটি লঞ্চ প্রত্যেক দিন বিকাল ৫ টায় হাতিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে সকাল ৭ টা থেকে ৭ টা ৩০ মিনিটের মধ্যে মনপুরা দ্বীপে পৌঁছায়। মাঝে মাঝে হরিণ পালের রাস্তা পার হবার জন্য বাইক থামিয়ে অপেক্ষা করতে হয়। দ্বীপের হরিণের অভায়াশ্রমের হরিণগুলো জোয়ারের সময় প্রধান সড়কের খুব কাছে চলে আসে।
এছাড়া এই দ্বীপে আছে হরিণের অভয়াশ্রম, মনপুরা ল্যান্ডিং স্টেশন এবং চৌধুরী প্রজেক্ট। মনপুরা দ্বীপ থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার বিরল সুযোগ রয়েছে। মেঘনা নদীর ৫০০ মিটার ভেতরে মনপুরা ল্যান্ডিং স্টেশনটি তৈরি করা হয়েছে।
প্রত্যেক দিন বিকাল ৩ টায় তজুমদ্দিন থেকে সি-ট্রাকটি ছাড়ে আর মনপুরা থেকে সকাল ১০ টায় ফিরতে সি-ট্রাক ছাড়ে। সাইকেল নিয়ে নদী এবং সবুজের রাজ্যে হারিয়ে যাওয়া রোমাঞ্চকর অনুভূতি সৃষ্টি করে। এছাড়া ঢাকা কিংবা বরিশাল থেকে ভোলা হয়ে তজুমদ্দিন ঘাটে এসে সি-ট্রাকে করেও মনপুরা দ্বীপে আসতে পারবেন।
সাইক্লিং এবং ক্যাম্পিং করার জন্য মনপুরা দ্বীপ একটা আদর্শ জায়গা। লঞ্চের ডেক চড়ে যেতে জনপ্রতি ৩৫০ টাকা ভাড়া দিতে হয়। শীতকালে মনপুরায় ক্যাম্পিং ভ্রমণে বাড়তি আনন্দের কেবলা যোগ করে।
যদিও এপ্রিল থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত এই নৌপথটিকে ডেঞ্জার পয়েন্ট হিসেবে গন্য করা হয়, তাই এই ৮ মাস এই রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় এই বাংলোগুলিতে রাত কাটাতে পারবেন। লঞ্চ থেকে সূর্যোদয় দেখতে মোহনীয় লাগে।
মনপুরায় কি খাবেনশীতকালে হাসেঁর মাংস ভূনা মনপুরা দ্বীপে খুবই জনপ্রিয় একটা খাবার। তাছাড়া মহিষের দুধের তৈরী দধি, নদীর টাটকা ইলিশ, বোয়াল, কোরাল এবং গলদা চিংড়ির স্বাদ নিতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
বিছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় লঞ্চ হচ্ছে মনপুরা দ্বীপে যাওয়ার এককেবল বাহন।
লঞ্চ থেকে সূর্যোদয় দেখতে মোহনীয় লাগে।
প্রত্যেক দিন বিকাল ৩ টায় তজুমদ্দিন থেকে সি-ট্রাকটি ছাড়ে আর মনপুরা থেকে সকাল ১০ টায় ফিরতে সি-ট্রাক ছাড়ে।
লঞ্চের ডেক চড়ে যেতে জনপ্রতি ৩৫০ টাকা ভাড়া দিতে হয়।
ভোলার চরফ্যাশনের বেতুয়া ঘাট থেকেও দুটি লঞ্চ মনপুরার জনতা বাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
এছাড়া ঢাকা কিংবা বরিশাল থেকে ভোলা হয়ে তজুমদ্দিন ঘাটে এসে সি-ট্রাকে করেও মনপুরা দ্বীপে আসতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
মনপুরা দ্বীপে রাত্রি যাপনের জন্য ৩ টি প্রতিষ্ঠানের (সরকারি ডাকবাংলো, কারিতাস বাংলো এবং প্রেসক্লাব বাংলো) ডাকবাংলো আছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় এই বাংলোগুলিতে রাত কাটাতে পারবেন। প্রায়ই বহু দর্শনার্থী ক্যাম্পিং করে থাকার জন্যে মনপুরা ভ্রমণ করে থাকে।
কোথায় খাবেন?
শীতকালে হাসেঁর মাংস ভূনা মনপুরা দ্বীপে খুবই জনপ্রিয় একটা খাবার। তাছাড়া মহিষের দুধের তৈরী দধি, নদীর টাটকা ইলিশ, বোয়াল, কোরাল এবং গলদা চিংড়ির স্বাদ নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
মনপুরা দ্বীপ কীভাবে যাবেন?
বিছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় লঞ্চ হচ্ছে মনপুরা দ্বীপে যাওয়ার এককেবল বাহন। লঞ্চ থেকে সূর্যোদয় দেখতে মোহনীয় লাগে। প্রত্যেক দিন বিকাল ৩ টায় তজুমদ্দিন থেকে সি-ট্রাকটি ছাড়ে আর মনপুরা থেকে সকাল ১০ টায় ফিরতে সি-ট্রাক ছাড়ে। লঞ্চের ডেক চড়ে যেতে জনপ্রতি ৩৫০ টাকা ভাড়া দিতে হয়। ভোলার চরফ্যাশনের বেতুয়া ঘাট থেকেও দুটি লঞ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
মনপুরা দ্বীপে রাত্রি যাপনের জন্য ৩ টি প্রতিষ্ঠানের (সরকারি ডাকবাংলো, কারিতাস বাংলো এবং প্রেসক্লাব বাংলো) ডাকবাংলো আছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় এই বাংলোগুলিতে রাত কাটাতে পারবেন। প্রায়ই বহু দর্শনার্থী ক্যাম্পিং করে থাকার জন্যে মনপুরা ভ্রমণ করে থাকে।
মনপুরা দ্বীপ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
মনপুরা দ্বীপ (Manpura Island) বাংলাদেশের ভোলা জেলার অন্তর্গত একটা বিচ্ছিন্ন ভূমি। কীভাবে যাবেনবিছিন্ন দ্বীপ হওয়ায় লঞ্চ হচ্ছে মনপুরা দ্বীপে যাওয়ার এককেবল বাহন। মনপুরা দ্বীপ ভ্রমণের সময়শীতকাল মনপুরা দ্বীপ ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide


