কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের অবজায়গা পটুয়াখালী (Patuakhali) জেলার কলাপাড়া থানার লতাচাপলি ইউনিয়নে। বহু গুলো স্পট শুধু নামেই।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে
ফাতরার বন: সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম দিকে রয়েছে নদীর অন্য পাড় থেকে ফাতরার বন শুরু। সেক্ষেত্রে ঐ দিন ফাত্রার বন প্লান থেকে বাদ দিতে হবে। আর বিকেলের সময়টুকু রাখুন পশ্চিম সৈকতের পাশের জায়গা গুলো দেখতে।
মোটামুটি বাজেটে কুয়াকাটা ভ্রমণ করতে খরচ কেমন হতে তার ধারণা দেবার জন্যেই নিচে খরচের নমুনা দেওয়া হলো। যদিও একটা বিষয় মনে রাখবেন, এইখানে প্যাকেজে বহু স্পটের নাম থাকলেও আদতে তেমন কিছুই নয়। কুয়াকাটা ভ্রমণ খরচঢাকা টু কুয়াকাটা বাস: ৭৫০টাকা (নন-এসি), ১১০০ টাকা (এসি) কুয়াকাটা হোটেল: মোটামুটি মানের হোটেলে ডাবল বেড ভাড়া ১৫০০-২০০০ টাকা মোটরসাইকেল ভাড়া: দুজনের জন্যে, দুই দিন ১০০০-১৫০০ টাকা সকালের খাবার: দুই দিন দুই বেলা, জনপ্রতি ১০০-২০০ টাকা দুপুরের খাবার: দুই দিন দুই বেলা, জনপ্রতি ৩০০-৪০০ টাকা রাতের খাবার: দুই দিনের রাতের খাবার, জনপ্রতি ৩০০-৪০০ টাকা অন্যান্য খরচ: ৫০০ টাকাভ্রমণ সতর্কতাকুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে নামার আগে সেই জায়গাটি নিরাপদ কিনা তা অবশ্যই জেনে সমুদ্রে নামবেন।
পূর্ব ও পশ্চিমের ঝাউবন, তিন নদীর মোহনা, লেবুর চর, গঙ্গামতির জঙ্গল, লাল কাকড়া দ্বীপও সবুজ অরণ্য উপভোগের সাথে সাথে পাবেন চমৎকারবনের একাংশ দেখার সুযোগ। পটুয়াখালী লঞ্চ ঘাট থেকে অটোতে বাস স্ট্যান্ড গিয়ে লোকাল বাসে রওনা দিতে হবে কুয়াকাটা। কয়েক বছর আগে কাঠের তৈরি এই মন্দির ভেঙে দালান তৈরি করা হয়েছে।
জিরো পয়েন্টের পাশেই ফিশ ফ্রাই মার্কেট। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টের আশেপাশেই বহু খাবার হোটেল পেয়ে যাবেন। পরিচ্ছন্ন বেলাভূমি, অনিন্দ্য চমৎকার সমুদ্র সৈকত, দিগন্তজোড়া সুনীল আকাশ এবং ম্যানগ্রুভ বন কুয়াকাটাকে দিয়েছে ভিন্ন কেবলা।
ঢাকা থেকে কুয়াকাটা নন-এসি বাসের ভাড়া ৭৫০- ৯০০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ১১০০-১৬০০ টাকা। দুপুরের পর একটা মোটরসাইকেল ভাড়া করবেন। সীমা বৌদ্ধ মন্দির: কুয়াকাটার প্রাচীন কুয়ার একটু সামনেই সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের অবজায়গা।
কুয়াকাটা থেকে ফাতরার বনে যেতে হলে আপনাকে ইঞ্জিন নৌকা ভাড়া করতে হবে। সমুদ্র থেকে মাছ ধরে সৈকতের পাশেই শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়। এই মন্দিরের মধ্যে রয়েছে প্রায় ৩৭ মন ওজনের অষ্টধাতুর তৈরি একটা প্রাচীন বৌদ্ধ মূর্তি।
শুধু কেবল একটা ধারণা পাবেন এখান থেকে। কম বাজেটে থাকার জন্যে দুইজনের জন্য রুম পেয়ে যাবেন ১০০০ – ২০০০ টাকায়। এবং কিছু স্পট কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টের সাথেই হাটা দুরত্বে রয়েছে।
এছাড়া এখানকার জায়গাীয় রেস্তোরাঁেও নানা রকম দেশীয় খাবার পাওয়া যায়। বাসে যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টার মত, বাসের ভাড়া ১৮০-২৫০ টাকা। আর কম দামে কিনে নিতে পারেন নানা ধরণের পছন্দের শুঁটকি।
লঞ্চে ফিরতে চাইলে অবশ্যইই বিকাল ৫:০০ টার আগে পটুয়াখালি লঞ্চঘাট থাকতে হবে। ছুটির দিন বা পিক সিজন ছাড়া ভ্রমণে গেলে হোটেল বুকিং, গাড়ি ভাড়া ও খাবার সবকিছুতেই ছাড় পাওয়ার সুযোগ আছে। ছুটির দিন গুলোতে হোটেল রুম পেতে একটু সমস্যা হলেও বাকি সময় কুয়াকাটায় হোটেল রুম সেখানে গিয়েই যাচাই করে নিতে পারবেন।
২য় দিন: খুব ভোরে ঐ মোটরসাইকেলওয়ালাই আপনাকে নিয়ে যাবে গংগামতির চর। মোটামুটি বাজেটের হোটেলে থাকতে আপনার খরচ হবে ২০০০-৩০০০ টাকা। সুর্যোদয় দেখার সর্বাধিক ভালো জায়গা কুয়াকাটার পুর্ব প্রান্তে গঙ্গামতি চরে।
গঙ্গামতির জঙ্গল: পূর্ব দিকে গঙ্গামতির খাল পর্যন্ত এসে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত শেষ হয়েছে। বিকালে লেবুর বন, ফিস মার্কেট, শুটকি পল্লী, ঝাউবন ও তিন নদীর মোহনা দেখবেন। কুয়াকাটা ট্যুর প্ল্যানএবার জেনে নেওয়া যাক কীভাবে কুয়াকাটা ঘুরে দেখবেন।
জনশ্রুতি আছে এ মন্দিরের ভেতরে উপমাহাদেশের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মূর্তি রয়েছে। যদিও জিরো পয়েন্টের বা পাশেই দর্শনার্থী মার্কেটের গলিতে মোটামুটি মানের কিছু সি-ভিউ হোটেল পাবেন। এখানে মূলত নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত শুঁটকি তৈরির মৌসুম চলে।
যদিও কুয়াকাটা ঘুরতে গেলে আশেপাশের জায়গা গুলো ঘুরে না দেখলে আপনার ভ্রমণ পরিপূর্ণ হবেনা। যেতে সময় লাগবে ২ঘন্টার মত, আর বাসের ভাড়া ১৫০-১৬০ টাকা। বিস্তারিত জানতে পড়ুনঃ কুয়াকাটার সেরা হোটেল ও রিসোর্ট
কোথায় খাবেন
কুয়াকাটায় বেশিরভাগ হোটেলেই নিজস্ব রেস্তোরাঁে তাদের অতিথিদের খাবারের জন্য ব্যবস্থা করে। এখানে বন মোরগ, বানর, বুনো শুকর ও বিচিত্রন পাখি পাওয়া যায়। কুয়াকাটার দর্শনীয় জায়গাকুয়াকাটায় শুধু সমুদ্র সৈকতই নয়, এখানে দেখার মতো আছে আরো বহু দর্শনীয় জায়গা।
ভ্রমণ মৌসুমের সময় অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত কুয়াকাট সমুদ্র সৈকত থেকে ক্রাব আইল্যান্ডে যাবার স্পিড বোটে পাওয়া যায়। যে কোন প্রয়োজনে কুয়াকাটায় টুরিস্ট পুলিশের সাহায্য নিন। কুয়াকাটা যাওয়ার উপায়নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যাওয়া যায়।
ঢাকার সায়েদাবাদ, আবদুল্লাপুর, আরামবাগ অথবা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে সাকুরা পরিবহন, শ্যামলী, গ্রীনলাইন, ইউরো কোচ, হানিফ, টি আর ট্রাভেলস সহ আরও বহু পরিবহনের বাস সরাসরি কুয়াকাটা যায়। তাছাড়া সদরঘাট থেকে সন্ধ্যার পর বরিশালের উদ্দেশ্যে একাধিক লঞ্চ ছেড়ে ভোরে বরিশাল পৌঁছায়। ভ্রমণ গাইডের আজকের পর্বে থাকছে কুয়াকাটা কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, কোথায় খাবেন, আশেপাশের দর্শনীয় জায়গা গুলো কীভাবে ঘুরে দেখবেন, কম খরচে ভ্রমণের পরিকল্পনা কীভাবে সাজাবেন; এই সব কিছুর বিস্তারিত তথ্য।
এই বৈশিষ্ট কুয়াকাটাকে সকল সমুদ্র সৈকত থেকে অনন্য করেছে। জিরো পয়েন্টের আশেপাশেই পেয়ে যাবেন। প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত (Kuakata Sea Beach) থেকে একই সাথে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেখা যায়।
আপনার প্ল্যান যদি হয় শুধু সমুদ্র দেখার তাহলে ভ্রমণের পুরোটা সময় জিরো পয়েন্টের আশেপাশে সমুদ্র দেখে ও বীচ একটাভিটি করেই কাটিয়ে দিতে পারবেন। আপনি দরদাম করে পছন্দ মতো সাগরের তাজা মাছ কিনে দিলে আপনার সামনেই বারবিকিউ করে দিবে তারা। দুপুরে সমুদ্র স্নান করে খাওয়া দাওয়া।
খরচ এমনই হবে তা কিন্তু নয়। কম খরচে কুয়াকাটা ট্যুর প্ল্যানখরচ কেমন হবে তা নির্ভর করে আপনি কখন যাবেন, কীভাবে যাবেন, কেমন মানের হোটেলে থাকবেন, কি খাবেন ও কীভাবে ঘুরে দেখবেন তার উপর। ২ জন, ৪ জন, ৮ জন এমন গ্রুপ করে বেড়াতে গেলে হোটেলে থাকা ও গাড়ি ভাড়া করার ক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা হবে।
তাই সকালটা রাখুন পুর্ব সৈকত ঘুরে আসার জন্যে। এখানে ঘুরে দেখার বাহন হচ্ছে মোটরসাইকেল, ইজিবাইক অথবা ভ্যানগাড়ি। মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে রাখাইনদের আরেকটি গ্রাম মিশ্রিপাড়ায় বড় একটা বৌদ্ধ মন্দির আছে।
নানা প্রজাতির গাছপালা ছাড়াও এই জঙ্গলে দেখা মিলে নানা রকম পাখি, বন মোরগ-মুরগি, বানর ইত্যাদি পশুপাখির। কুয়াকাটাতে দেখার মত জায়গা আছে প্রায় বিশটি। বহুের কাছে এই জঙ্গল গজমতির জঙ্গল হিসাবে পরিচিত।
১ম দিন: সকালে হোটেলে চেক ইন। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় যাত্রী সংকটের কারনে ঢাকার সদরঘাট থেকে আগের মত ভালো সার্ভিসের লঞ্চ চলাচল করেনা। বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে রূপাতলি বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে কুয়াকাটা যাবার বাস পাওয়ার সুযোগ আছে।
রাতের গাড়িতে ফিরবেন। দুপুরে খাবার পর ফাতরার বনে ঘুরে আস্তে পারেন। বাসে যেতে সময় লাগবে প্রায় ৫-৬ ঘন্টা।
এপাড়ায় ভেতরে যেতেই প্রাচীন এ কুয়া দেখার সুযোগ পাবেন। সদরঘাট থেকে প্রত্যেক দিন সন্ধ্যায় পটুয়াখালি যাবার লঞ্চ ছেড়ে যায় এবং সকাল ৭টার দিকে পটুয়াখালি পৌছায়। বরিশাল থেকে ঢাকার শেষ লঞ্চ ছাড়ে রাত ৯:০০ টায়।
তাই লঞ্চে যেতে চাইলে আগেই খোজ নিতে হবে আপনার ভ্রমনের দিনে কোন ভালো লঞ্চ চলবে কিনা। কুয়াকাটার কুয়া: কুয়াকাটা নামকরণের পেছনে যে ইতিহাস আছে সেই ইতিহাসের সাক্ষী কুয়াটি এখনও আছে। চাইলে জেলেদের এই কর্মব্যস্ততা দেখে সময় কাটাতে পারেন।
কিংবা কুয়াকাটার ইতিহাস-সমৃদ্ধ কুয়া, বৌদ্ধমন্দির কিংবা দুর্গম চর বিজয় অভিযানের জন্যেও কুয়াকাটা বেড়াতে পৌঁছাতে পারবেন। নির্ধারিত জায়গা ছাড়া সমুদ্রে নামবেন না। এক পাশে সাগরের ঢেউ আর অন্য পাশে খোলা উন্মুক্ত জায়গায় ফিশ বারবিকিউ এর স্বাদ বহুদিন জিবে লেগে থাকবে আপনার।
সুর্য্যদয়, লাল কাকড়ার চর দেখে ফেরার পথে রাখাইন পল্লি, মার্কেট, কুয়া, বৌদ্ধ মন্দির, ২০০ বছরের পুরাতন নৌকা দেখে হোটেলে ফিরবেন। সব জায়গা দেখতে ১০০০-১৫০০ টাকার মত লাগবে, ১২টি জায়গার জন্য ৬০০ থেকে ৮০০ এবং বাকি ৮টি জায়গার জন্য ৪০০-৬০০ টাকা লাগবে। আর এই জায়গা থেকেই গঙ্গামতির জঙ্গল শুরু।
ক্রাব আইল্যান্ড: কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধরে পূর্ব দিকে বহুটা দূর পর্যন্ত এগিয়ে গেলে ক্রাব আইল্যান্ড বা কাঁকড়ার দ্বীপ খ্যাত জায়গা চোখে পড়ে। আপনি কোন কোন জায়গা ঘুরে দেখবেন তার উপর নির্ভর করে প্যাকেজের দরদাম করে নিতে হবে। শুঁটকি পল্লী: জেলে পল্লীর অবজায়গা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম প্রান্তে।
চেষ্তিটা করবেন লেবুর বনে সূর্যাস্ত দেখার। মোটামুটি সব গুলো জায়গা ঘুরে দেখতে ১০০০-১৫০০ টাকার মত খরচ হবে। কুয়াকাটায় খুব উন্নত মানের সি-ভিউ হোটেল নেই।
কুয়াকাটার জিরো পয়েন্টকে কেন্দ্র করে এর পুর্ব দিকে এবং পশ্চিম দিক মিলিয়ে সব গুলো জায়গাের অবজায়গা। লঞ্চ ভাড়া ডেক ৪০০-৫০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ১৩০০ টাকা, ডাবল কেবিন ২৪০০ টাকা, ভি আই পি কেবিন ভাড়া ৩,০০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা। বাজেট যদি আপনার সমস্যা না হয় তাহলে চলে পৌঁছাতে পারবেন শিকদার রিসোর্ট এর মত অভিজাত রিসোর্টে।
দর্শনার্থীদের কাছে কুয়াকাটা সাগরকন্যা হিসেবে পরিচিত। সেক্ষত্রে অন্তত এক রাত থাকার প্ল্যান নিয়ে আসলে সর্বাধিক ভালো হবে। আর বাইকওয়ালারা বেশি টাকা চাইতে পারে তাই দরদাম করে নিন।
ঢাকা থেকে লঞ্চে কুয়াকাটানদী পথে সদরঘাট থেকে সরাসরি কুয়াকাটা পর্যন্ত না যেতে পারলেও বরিশাল অথবা পটুয়াখালি গিয়ে সেখান থেকে বাসে কুয়াকাটা যেতে পারবেন। এখানে নির্জন সৈকতে ঘুরে বেড়ায় হাজার হাজার লাল কাঁকড়ার দল। কথিত আছে ১৭৮৪ সালে মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত হয়ে রাখাইনরা বঙ্গোপসাগরের তীরে রাঙ্গাবালি দ্বীপে এসে আশ্রয় নেয়।
এ বনের রয়েছে চমৎকারবনের প্রায় সকল বৈশিষ্ট। খাওয়া দাওয়া কিংবা বাইক ভাড়া, যে কোন কিছুতে দরদাম ঠিক করে নিন। এই কুয়াটি দেখতে হলে আপনাকে রওনা দিতে হবে রাখাইনদের বাসস্থল কেরাণিপাড়ায়।
চাইলে বরিশাল হয়েও লঞ্চে ফিরতে পারেন। কুয়াকাটার হোটেল ও রিসোর্টকক্সবাজারের মত এত আবাসিক হোটেল রিসোর্ট না থাকলেও কুয়াকাটায় আপনার বাজেট অনুযায়ী হোটেল/রিসোর্ট পেয়ে যাবেন। ঢাকা থেকে বাসে কুয়াকাটাঢাকা থেকে কুয়াকাটার দূরত্ব প্রায় ২৮০ কিলোমিটার।
রাখাইন নারীরা কাপড় বুণনে বেশ দক্ষ এবং তাদের তৈরি শীতের চাদর বহু আকর্ষণীয়। নন এসি বাসে গেলে যাতায়াত খরচ কমে যাবে। থাকতে খরচ হবে সিজন অনুযায়ী ১৫০০-৩০০০ টাকা।
কুয়াকাটায় গেলে ফিশ বারবিকিউ এর স্বাদ না নিলে ভুল করবেন। সাগরের লোনা জল ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় তারা এখানে মিষ্টি পানির জন্য কূপ খনন করে সে ঠেকে জায়গাটি ধীরে ধীরে কুয়াকাটা নামে পরিচিত হয়ে উঠে। আপনি যদি লঞ্চ ভ্রমনের অভিজ্ঞতা নিতে চান তাহলে একটু কষ্ট হলেও ভালো একটা লঞ্চে ভ্রমণ আপনার জন্যে আনন্দদায়কই হবে।
যদিও ছুটির দিনে অথবা পরিবার নিয়ে গেলে আগে থেকেই বুকিং করে যাওয়া ভালো হবে। কেরানিপাড়া: সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের রাস্তা ধরে একটু এগিয়ে গেলেই রাখাইনদের আবাসস্থল কেরানিপাড়া। পদ্মা সেতু এবং পায়রা সেতু (লেবুখালী সেতু) চালু হওয়ায় এখন সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা অত্যন্ত দ্রুত ও আরামদায়কভাবে পৌঁছানো সম্ভব।
আরও পড়ুনচট্টগ্রামের কাছে ৬টি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণপাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকতসৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন – সময়সূচী, টিকেট মূল্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য
কোথায় খাবেন?
কুয়াকাটায় বেশিরভাগ হোটেলেই নিজস্ব রেস্তোরাঁে তাদের অতিথিদের খাবারের জন্য ব্যবস্থা করে। কুয়াকাটায় গেলে ফিশ বারবিকিউ এর স্বাদ না নিলে ভুল করবেন। আপনি দরদাম করে পছন্দ মতো সাগরের তাজা মাছ কিনে দিলে আপনার সামনেই বারবিকিউ করে দিবে তারা। এছাড়া এখানকার জায়গাীয় রেস্তোরাঁেও নানা রকম দেশীয় খাবার পাওয়া যায়। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্টের আশেপাশেই বহু খাবার হোটেল পেয়ে যাবেন। জিরো পয়েন্টের পাশেই ফিশ ফ্রাই মার্কেট। এক পাশে সাগরের ঢেউ আর অন্য পাশে খোলা উন্মুক্ত জায়গায় ফিশ বারবিকিউ এর স্বাদ বহুদিন জিবে লেগে থাকবে আপনার।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত-এর কাছে কোথায় খাবেন?
কুয়াকাটায় বেশিরভাগ হোটেলেই নিজস্ব রেস্তোরাঁে তাদের অতিথিদের খাবারের জন্য ব্যবস্থা করে। কুয়াকাটায় গেলে ফিশ বারবিকিউ এর স্বাদ না নিলে ভুল করবেন। আপনি দরদাম করে পছন্দ মতো সাগরের তাজা মাছ কিনে দিলে আপনার সামনেই বারবিকিউ করে দিবে তারা। এছাড়া এখানকার জায়গাীয় রেস্তোরাঁেও নানা রকম দেশীয় খাবার পাওয়া যায়।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের অবজায়গা পটুয়াখালী (Patuakhali) জেলার কলাপাড়া থানার লতাচাপলি ইউনিয়নে। বহু গুলো স্পট শুধু নামেই। ফাতরার বন: সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম দিকে রয়েছে নদীর অন্য পাড় থেকে ফাতরার বন শুরু।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

